সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: হরিরামপুরের মুশন এলাকায় খড়ের গাদা থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ভস্মীভূত ছ’টি টিনের বাড়ি। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গতদের নাম মোজাম্মেল হক, সাজ্জাদ আলী, জিল্লুর রহমান, ইলিয়াস আলী, আবুসুমা আলী। পাঁচজনের বাড়ি একই এলাকায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে খড়ের পালায় প্রথমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হাওয়ার কারণে পাশাপাশি টিনের ছয়টি বাড়িতেও মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে যাওয়ায় সেগুলি ভস্মীভূত হয়ে যায়।
Advertisement
স্থানীয়রা পাম্পসেট লাগিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে হরিরামপুর থানার বিশাল পুলিস বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে। শেষ মুহূর্তে বুনিয়াদপুর দমকল বাহিনী উপস্থিত হয়। কর্মীদের দেরি দেখে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয়রা। তাঁরা আসার আগেই বাড়িগুলি ভস্মীভূত হয়ে যায় বলে অভিযোগ। ঘটনায় একটি বাইক ও ছ’টি সাইকেল সহ সমস্ত আসবাব পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।
দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে হরিরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে ত্রাণের ব্যবস্থা করা হয়। ভস্মীভূত বাড়ির মালিকরা হরিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখেছে পুলিস। দুর্গত সাজ্জাদ আলী বলেন, পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করি। বাড়িতে জমানো নগদ তিন লক্ষ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। কিছুই রক্ষা করতে পারিনি। প্রশাসন আমাদের পাশে দাঁড়াক। কীভাবে আগুন লাগল বুঝতে পারলাম না। হরিরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রেমচাঁদ নুনিয়া বলেন, গোকর্ণ গ্রাম পঞ্চায়েত মুশন এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে সন্ধ্যায় সরকারি ত্রাণ বিলি করা হয়েছে। সব পরিবারের পাশে রয়েছে পঞ্চায়েত সমিতি।
দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে হরিরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে ত্রাণের ব্যবস্থা করা হয়। ভস্মীভূত বাড়ির মালিকরা হরিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখেছে পুলিস। দুর্গত সাজ্জাদ আলী বলেন, পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করি। বাড়িতে জমানো নগদ তিন লক্ষ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। কিছুই রক্ষা করতে পারিনি। প্রশাসন আমাদের পাশে দাঁড়াক। কীভাবে আগুন লাগল বুঝতে পারলাম না। হরিরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রেমচাঁদ নুনিয়া বলেন, গোকর্ণ গ্রাম পঞ্চায়েত মুশন এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে সন্ধ্যায় সরকারি ত্রাণ বিলি করা হয়েছে। সব পরিবারের পাশে রয়েছে পঞ্চায়েত সমিতি।



