সংবাদদাতা, কান্দি: মঙ্গলবার সকালে ভরতপুর থানার জোরগাছি গ্রামের কাছে ‘নোনাই নালা’ থেকে চারটি সকেট বোমা উদ্ধার করল পুলিস। পরে বম্ব স্কোয়াড পৌঁছে বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করে। তবে নোনাই নালা থেকে বারবার বোমা উদ্ধারে বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। এখন নোনাই নালায় নামতেও তাঁরা ভয় পাচ্ছেন। নামে নালা হলেও এটি আদতে ছোটখাটো নদী। এই নালার উপর নোনাই সেতুও রয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত ভোটের আগে নোনাই নালা থেকে প্রায় সাতটি বোমা উদ্ধার হয়েছিল। এরপর পঞ্চায়েত ভোটের পর পরই ফের ওই নালা থেকে চারটি সকেট বোমা উদ্ধার হয়। এরপর এদিন ফের চারটি বোমা উদ্ধার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে।
এদিন ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গিয়েছে, নোনাই নালার জল শুকিয়ে অনেকটাই নীচে নেমে গিয়েছে। সেই কারণে একটি মরচে ধরা কাদামাখা ক্যারিব্যাগ জেগে উঠেছে। ওই ক্যারিব্যাগে রয়েছে চারটি সকেট বোমা। বোমাগুলিতেও মরচে ধরে গিয়েছে। বোঝা যায় যে, মাসের পর মাস ওই নালাতেই বোমাগুলি ডুবে ছিল। নালার জল শুকিয়ে যেতেই বোমাগুলি দেখতে পান বাসিন্দারা। পরে পুলিসকে খবর দেওয়া হয়। বাসিন্দাদের জানিয়েছেন, প্রায় ১৫ বছর ধরে এলাকায় কোনও বোমাবাজি বা রাজনৈতিক খুন দেখা যায়নি। কিন্তু বার বার বোমা উদ্ধার হয়ে চলেছে। এর কারণ হিসেবে তাঁরা জানান, একসময়ে গোটা এলাকায় বোমার রমরমা বাজার ছিল। অনেকে বোমা বেঁধে বিক্রিও করত। জোরগাছি গ্রামের এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, অনেক জায়গায় মানুষ তাঁর নিজস্ব ভঙ্গিমায় ক্ষমতা জাহির করেন। এই গ্রামের কিছু লোক বোমা ব্যবহার না করলেও মজুত রাখে ক্ষমতা জাহির করার জন্য। সময় হলে সেসবের ব্যবহারও দেখা যাবে। আর নোনাই নালা হল একটি ডাস্টবিন। বোমার গ্যারান্টি পিরিয়ড পেরিয়ে গেলেই ওই নালায় ফেলে দেওয়া হয়। যেগুলি পুলিস পরে উদ্ধার করে।
তবে এদিনের বোমা উদ্ধারের ঘটনার পর বাসিন্দারা চরম আতঙ্কিত। স্থানীয় ভালুইপাড়া গ্রামের চাষি এদিন ওই নালার পাশের জমিতে কাজ করছিলেন। তাঁরা দুইজনেই প্রথমে বোমা উদ্ধারের ঘটনা জানতেন না। কিন্তু বোমা পাওয়া গিয়েছে জেনে তড়িঘড়ি সেখান থেকে চলে যান। যাওয়ার আগে রঞ্জিত দে বলেন, বোমা উদ্ধারের ঘটনা জানতাম না বলেই কাজ করছিলাম। যেই শুনলাম অমনি চলে এসেছি। এভাবে কাজ করতে এসে বাড়ির সদস্যদের অসহায় বানাতে চাই না। এরপর নালার চার সীমানায় কোনওদিন কাজ করতে আসব না। অপর চাষি সুবর্ণ দে বলেন, নালা থেকে বোমা উদ্ধার হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছি। আর কোনওদিন নালায় হাতমুখ ধোয়ার জন্যও নামব না।
এদিন ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গিয়েছে, নোনাই নালার জল শুকিয়ে অনেকটাই নীচে নেমে গিয়েছে। সেই কারণে একটি মরচে ধরা কাদামাখা ক্যারিব্যাগ জেগে উঠেছে। ওই ক্যারিব্যাগে রয়েছে চারটি সকেট বোমা। বোমাগুলিতেও মরচে ধরে গিয়েছে। বোঝা যায় যে, মাসের পর মাস ওই নালাতেই বোমাগুলি ডুবে ছিল। নালার জল শুকিয়ে যেতেই বোমাগুলি দেখতে পান বাসিন্দারা। পরে পুলিসকে খবর দেওয়া হয়। বাসিন্দাদের জানিয়েছেন, প্রায় ১৫ বছর ধরে এলাকায় কোনও বোমাবাজি বা রাজনৈতিক খুন দেখা যায়নি। কিন্তু বার বার বোমা উদ্ধার হয়ে চলেছে। এর কারণ হিসেবে তাঁরা জানান, একসময়ে গোটা এলাকায় বোমার রমরমা বাজার ছিল। অনেকে বোমা বেঁধে বিক্রিও করত। জোরগাছি গ্রামের এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, অনেক জায়গায় মানুষ তাঁর নিজস্ব ভঙ্গিমায় ক্ষমতা জাহির করেন। এই গ্রামের কিছু লোক বোমা ব্যবহার না করলেও মজুত রাখে ক্ষমতা জাহির করার জন্য। সময় হলে সেসবের ব্যবহারও দেখা যাবে। আর নোনাই নালা হল একটি ডাস্টবিন। বোমার গ্যারান্টি পিরিয়ড পেরিয়ে গেলেই ওই নালায় ফেলে দেওয়া হয়। যেগুলি পুলিস পরে উদ্ধার করে।
তবে এদিনের বোমা উদ্ধারের ঘটনার পর বাসিন্দারা চরম আতঙ্কিত। স্থানীয় ভালুইপাড়া গ্রামের চাষি এদিন ওই নালার পাশের জমিতে কাজ করছিলেন। তাঁরা দুইজনেই প্রথমে বোমা উদ্ধারের ঘটনা জানতেন না। কিন্তু বোমা পাওয়া গিয়েছে জেনে তড়িঘড়ি সেখান থেকে চলে যান। যাওয়ার আগে রঞ্জিত দে বলেন, বোমা উদ্ধারের ঘটনা জানতাম না বলেই কাজ করছিলাম। যেই শুনলাম অমনি চলে এসেছি। এভাবে কাজ করতে এসে বাড়ির সদস্যদের অসহায় বানাতে চাই না। এরপর নালার চার সীমানায় কোনওদিন কাজ করতে আসব না। অপর চাষি সুবর্ণ দে বলেন, নালা থেকে বোমা উদ্ধার হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছি। আর কোনওদিন নালায় হাতমুখ ধোয়ার জন্যও নামব না।



