সংবাদদাতা, কান্দি: একই বাড়িতে থাকেন চার ভাই। সেই বাড়িতেই এক ভাইয়ের পরিবার বাড়িতে না থাকার সুযোগে ভরসন্ধ্যায় চুরির ঘটনা ঘটল। শুক্রবারের ওই ঘটনায় দরজা ও আলমারির তালা খুলে দুষ্কৃতীরা আটভরি সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দেয়। যদিও ঘটনার ১০ ঘণ্টা পর শনিবার ভোরে বাড়ির চিলেকোঠার ছাদ থেকে উদ্ধার হয় চুরি যাওয়া প্রায় সাড়ে তিন ভরি সোনার গয়না। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ভরতপুর থানার পুলিস এদিন বিকেল পর্যন্ত চুরির কিনারা করতে পারেনি।
Advertisement
ভরতপুর থানা থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে কান্দি-সালার রাজ্য সড়কের পাশেই একটি বাড়িতে চার ভাই পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। শুক্রবার বিকেলে ওই বাড়ির সদস্য আতিউর রহমান সপরিবারে কান্দির রণগ্রামে বিশেষ কাজে গিয়েছিলেন। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ তাঁরা বাড়ি ফিরে চুরির ঘটনা জানতে পারেন। তাঁদের দরজায় তালা ছিল না। ঘরে ঢুকে তাঁরা দেখেন, আলমারির ভিতরে থাকা পাঁচটি ছোট ব্যাগ খাটের উপর পড়ে রয়েছে। পরে আলমারির চাবির গোছা যেখানে রাখা ছিল তার থেকে হাতখানেক দূরে রয়েছে। আলমারি খুলে দেখেন, আট ভরি সোনার গয়না চুরি গিয়েছে। এরপর পুলিসে খবর দেওয়া হয়। ভরতপুর থানার পুলিস এসে খতিয়ে দেখে।
শনিবার ভোরের পরিবারের লোকজন বাড়ির বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখছিলেন। ওই বাড়ির চিলেকোঠায় দু’টি ঘর রয়েছে। সেদিকে গিয়ে তাঁরা দেখেন, একটি পুরনো কাঁথা পড়ে রয়েছে। সেখান থেকে চুরি যাওয়া প্রায় সাড়ে তিন ভরির মতো গয়না পাওয়া যায়। বিষষয়টি পুলিসকে জানানো হয়। এরপর দোতলা ঘরে ফিরে এসে দেখা যায়, যে ঘরে চুরি হয়েছে তার পাশের ঘরের দরজার সামনে তালাটি কাপড় ঢাকা দেওয়া অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
আতিউর সাহেবের স্ত্রী মিলা বেগম বলেন, আমার দুই মেয়ের বিয়ের জন্য বহু কষ্ট করে এই গয়না গড়িয়েছিলাম। ওই গয়না না পাওয়া গেলে আমরা পথে বসব। আতিউর সাহেব বলেন, এই চুরির পিছনে পরিচিত কেউ রয়েছে, সেটা আমরা একপ্রকার নিশ্চিত। দু’সপ্তাহ আগে এই পাড়াতেই আমার বোনের বাড়িতেও একইভাবে চুরি হয়েছিল। সেই চুরিরও কিনারা হয়নি। পুলিস তদন্ত করে দোষীকে গ্রেপ্তার করে গয়না উদ্ধার করুক, এটাই আমরা চাইছি।
শনিবার ভোরের পরিবারের লোকজন বাড়ির বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখছিলেন। ওই বাড়ির চিলেকোঠায় দু’টি ঘর রয়েছে। সেদিকে গিয়ে তাঁরা দেখেন, একটি পুরনো কাঁথা পড়ে রয়েছে। সেখান থেকে চুরি যাওয়া প্রায় সাড়ে তিন ভরির মতো গয়না পাওয়া যায়। বিষষয়টি পুলিসকে জানানো হয়। এরপর দোতলা ঘরে ফিরে এসে দেখা যায়, যে ঘরে চুরি হয়েছে তার পাশের ঘরের দরজার সামনে তালাটি কাপড় ঢাকা দেওয়া অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
আতিউর সাহেবের স্ত্রী মিলা বেগম বলেন, আমার দুই মেয়ের বিয়ের জন্য বহু কষ্ট করে এই গয়না গড়িয়েছিলাম। ওই গয়না না পাওয়া গেলে আমরা পথে বসব। আতিউর সাহেব বলেন, এই চুরির পিছনে পরিচিত কেউ রয়েছে, সেটা আমরা একপ্রকার নিশ্চিত। দু’সপ্তাহ আগে এই পাড়াতেই আমার বোনের বাড়িতেও একইভাবে চুরি হয়েছিল। সেই চুরিরও কিনারা হয়নি। পুলিস তদন্ত করে দোষীকে গ্রেপ্তার করে গয়না উদ্ধার করুক, এটাই আমরা চাইছি।



