সংবাদদাতা, কান্দি: ভরতপুরে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দেদার চলছে বালি পাচার। রবিবার তালগ্রামের ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা বালিবোঝাই ট্রাক্টর আটকে বিক্ষোভ দেখালেন। খবর পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কুয়ে নদীতে বৈধ খাদান থেকে চালান ছাড়াই ট্রাক্টরে করে বালি পাচার হচ্ছে। নদীগর্ভে গভীর খনন করে পাইপ লাইনের মাধ্যমে মেশিন দিয়ে জল ছেঁকে বালি তোলা হচ্ছে। যা চলছে নদীবাঁধ থেকে সামান্য দূরে। স্থানীয় ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর সব জেনেও উদাসীন। ঘটনায় ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা।
Advertisement
এবিষয়ে ভরতপুর-১ বিএলএলআরও আনন্দমোহন মাইতিকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। এমনকী বিস্তারিত জানিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করা হলেও তিনি কোনও উত্তর দেননি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন ধরে ওই বালি খাদান থেকে ট্রাক্টরে করে দেদার বালি পাচার হচ্ছে। সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে মুনাফা লুটছে বালির কারবারিরা। স্থানীয় বাসিন্দারাই এদিন দলবদ্ধভাবে এর প্রতিবাদ জানান। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ তালগ্রামের বাসিন্দারা বালিবোঝাই ট্রাক্টর আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁরা ট্রাক্টর চালকের কাছে চালান দেখতে চান। চালক একেবারে সকালের চালান দেখান। এতে বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় খবর দেন। পুলিস পৌঁছে ঘটনার তদন্ত শুরু করে।
স্থানীয় বাসিন্দা খাইরুল শেখ বলেন, কয়েকদিন আগে বালি খাদান খোলা হয়েছে। তারপর থেকেই সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বালি পাচার করা হচ্ছে। দিনে একবার চালান কাটার পর তা দেখিয়ে দিনভর বালি পাচার করছে ট্রাক্টরগুলি। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল এই এলাকায় ভূমি সংস্কার দপ্তরের কোনও চেকিং পয়েন্ট নেই।
অপর বাসিন্দা রেজেল শেখ বলেন, শুধু রাজস্ব ফাঁকি নয়, একেবারে বাঁধের কাছে আধুনিক মেশিন বসিয়ে নদীর বুকে গভীর গর্ত করে বালি তোলা হচ্ছে। এতে নদীবাঁধের চরম ক্ষতি হচ্ছে। যে কোনও সময় বাঁধে ধস নামতে পারে।
ট্রাক্টর চালক বাপন শেখ অবশ্য বলেন, সকালে চালান কাটার পর গাড়ি খারাপ হয়ে যাওয়ার কারণেই দুপুর ১টা বেজে গিয়েছে। রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার ইচ্ছে আমার নেই। অপর ট্রাক্টর চালক তানজির শেখ বলেন, গাড়ির এখনও রেজিস্ট্রেশন হয়নি বলে কোনও চালান কাটতে পারিনি। তবে এক ঘাট মালিক আমার কাছে ২০০০ হাজার টাকা নিয়েছেন। এদিন বালি খাদানে গিয়ে দেখা গেল, নদীর মধ্যে নৌকায় একটি বড় পাম্প মেশিন লাগানো রয়েছে। পাম্প মেশিন থেকে একটি বড় পাইপ নদীর মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়েছে। সেই পাইপে করে বালি ভর্তি জল তোলা হচ্ছে। কিছুটা দূরে অপর একটি মেশিনে বালি ছেঁকে নেওয়া হচ্ছে। ছেঁকে নেওয়া বালি জেসিবি করে ট্রাক্টরে লোড করা হচ্ছে।
ঘটনায় বালি খাদানের মালিক হানিফ শেখ বলেন, চালান ছাড়া বালি দেওয়া হয় না। ট্রাক্টর চালক ও বাসিন্দারা এসব মিথ্যা বলছেন। আর নদীর বুকে যে গভীর খনন করে বালি তোলা হচ্ছে বলে প্রচার চলছে, সেটাও ভুল। নদীতে খুব জোর হলে চারফুট গর্ত করে বালি তোলা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন ধরে ওই বালি খাদান থেকে ট্রাক্টরে করে দেদার বালি পাচার হচ্ছে। সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে মুনাফা লুটছে বালির কারবারিরা। স্থানীয় বাসিন্দারাই এদিন দলবদ্ধভাবে এর প্রতিবাদ জানান। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ তালগ্রামের বাসিন্দারা বালিবোঝাই ট্রাক্টর আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁরা ট্রাক্টর চালকের কাছে চালান দেখতে চান। চালক একেবারে সকালের চালান দেখান। এতে বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় খবর দেন। পুলিস পৌঁছে ঘটনার তদন্ত শুরু করে।
স্থানীয় বাসিন্দা খাইরুল শেখ বলেন, কয়েকদিন আগে বালি খাদান খোলা হয়েছে। তারপর থেকেই সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বালি পাচার করা হচ্ছে। দিনে একবার চালান কাটার পর তা দেখিয়ে দিনভর বালি পাচার করছে ট্রাক্টরগুলি। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল এই এলাকায় ভূমি সংস্কার দপ্তরের কোনও চেকিং পয়েন্ট নেই।
অপর বাসিন্দা রেজেল শেখ বলেন, শুধু রাজস্ব ফাঁকি নয়, একেবারে বাঁধের কাছে আধুনিক মেশিন বসিয়ে নদীর বুকে গভীর গর্ত করে বালি তোলা হচ্ছে। এতে নদীবাঁধের চরম ক্ষতি হচ্ছে। যে কোনও সময় বাঁধে ধস নামতে পারে।
ট্রাক্টর চালক বাপন শেখ অবশ্য বলেন, সকালে চালান কাটার পর গাড়ি খারাপ হয়ে যাওয়ার কারণেই দুপুর ১টা বেজে গিয়েছে। রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার ইচ্ছে আমার নেই। অপর ট্রাক্টর চালক তানজির শেখ বলেন, গাড়ির এখনও রেজিস্ট্রেশন হয়নি বলে কোনও চালান কাটতে পারিনি। তবে এক ঘাট মালিক আমার কাছে ২০০০ হাজার টাকা নিয়েছেন। এদিন বালি খাদানে গিয়ে দেখা গেল, নদীর মধ্যে নৌকায় একটি বড় পাম্প মেশিন লাগানো রয়েছে। পাম্প মেশিন থেকে একটি বড় পাইপ নদীর মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়েছে। সেই পাইপে করে বালি ভর্তি জল তোলা হচ্ছে। কিছুটা দূরে অপর একটি মেশিনে বালি ছেঁকে নেওয়া হচ্ছে। ছেঁকে নেওয়া বালি জেসিবি করে ট্রাক্টরে লোড করা হচ্ছে।
ঘটনায় বালি খাদানের মালিক হানিফ শেখ বলেন, চালান ছাড়া বালি দেওয়া হয় না। ট্রাক্টর চালক ও বাসিন্দারা এসব মিথ্যা বলছেন। আর নদীর বুকে যে গভীর খনন করে বালি তোলা হচ্ছে বলে প্রচার চলছে, সেটাও ভুল। নদীতে খুব জোর হলে চারফুট গর্ত করে বালি তোলা হচ্ছে।



