Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভরতপুর ও খড়গ্রামে দুই মাজারে উরস উপলক্ষ্যে ভক্তের ঢল নামল  

ভরতপুর ও খড়গ্রামে দুই মাজারে উরস উপলক্ষ্যে ভক্তের ঢল নামল
 
  • ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, কান্দি: কান্দির ভরতপুর ও খড়গ্রামের দুই মাজারে মনষ্কামনা পূরণ করতে ভিড় জমান হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ। দূরারোগ্য ব্যধি থেকে ফসলের বৃদ্ধি সহ অন্যান্য সমস্যা। সমাধানে মানসিক করলেই মনষ্কামনা পূরণ হয়। এমনই দাবি নিয়ে খড়গ্রাম ব্লকের ঝিল্লি ও ভরতপুর১ ব্লকের করন্দি গ্রামের পীর বাবার মাজারে উরস উপলক্ষ্যে ভিড় জমান হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। বহুবছর ধরেই এই ছবি দেখা যাচ্ছে দুটি জায়গাতেই। শনিবার রাতেও ফের দুটি জায়গাতে একই ছবি দেখা গিয়েছে।
Advertisement
প্রায় ৩০০ বছর ধরে করন্দি গ্রামের মিল্কিপাড়ার হজরত শাহ জিয়াউদ্দিন মুলতানি সাহেবের মাজারে এভাবেই ভিড় জমাচ্ছেন দুই সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা। এবছরও ফের তেমনি ভিড় চোখে পড়ল।  শনিবার সন্ধ্যায় সেখানে দুই সম্প্রদায়ের মানুষ লম্বা লাইন দিয়ে পীর বাবার মাজারে গিয়ে চাদর চড়াতে দেখা গিয়েছে। পীর বাবার পাশে উনার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও কবর রয়েছে। সেখানেও বাসিন্দারা চাদর চড়িয়েছিলেন। আয়োজক কমিটির সম্পাদক চৌধুরী আলমগীর বলেন, প্রায় ৩০০ বছর ধরে উভয় সম্প্রদায়ের মিলনক্ষেত্রের এই ছবি দেখা যাচ্ছে। এখানে উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে বসে প্রসাদ গ্রহন করেন। এদিকে ঝিল্লি গ্রামের পশ্চিমপাড়াতেও শাহ মোহাম্মদ সাজমত শা পীর বাবার উরস উপলক্ষ্যে এদিন উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ ব্যাপক ভিড় জমান। উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ পীর বাবার মাজারে চাদরও চড়িয়েছেন। মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহ ছাড়াও ঝাড়খণ্ড থেকেও ভক্তরা ভিড় করেন। আয়োজক কমিটির সদস্য মাহাতাব মল্লিক বলেন, ১০১ বছর ধরে মিলনক্ষেত্রের এই ছবি দেখা যাচ্ছে এখানে। এবছরও উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ একসাথে মিলেমিশে মাজারে চাদর চড়িয়েছেন।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা গিয়েছে, দুটি জায়গাতেই পীর বাবার মাজারে ভক্তরা ভক্তিভরা মনস্কামনা করে ভাল ফল পেয়েছেন। ফসলের শ্রীবৃদ্ধি, দূরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্তি পাওয়ার দাবি উঠেছে। পীর বাবার উরস উপলক্ষ্যে মেলাও বসেছে। করন্দি গ্রামে তিনদিন ও ঝিল্লি গ্রামে ১০দিন ধরে মেলা চলবে। -নিজস্ব চিত্র
 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ