সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশের ব্যবসায়ীরা নিজেদের মধ্যে বৈঠকে বসলেও বৈদেশিক বাণিজ্য নিয়ে অচলাবস্থা কাটল না। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলে। কিন্তু কোনও সমাধান সূত্র বের হয়নি। ফলে বাণিজ্য চালু নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা বাড়ল বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
Advertisement
এতদিন ভারত থেকে প্রতি মেট্রিক টন বোল্ডার ১০ ডলার হিসেবে আমদানি করে আসছিলেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। বোল্ডারের এই দর কমানোর দাবিতে কয়েকদিন ধরে ভারত থেকে বোল্ডার নেওয়া বন্ধ করে রেখেছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় ব্যবসায়ীরাও পাল্টা কর্মবিরতি পালন শুরু করেন সীমান্তে। যার প্রভাব পড়েছে চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দরের বৈদেশিক বাণিজ্যের উপর। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যত বন্ধ হয়ে রয়েছে। এই অচলাবস্থার কারণে ইতিমধ্যেই ১০ কোটি টাকার বাণিজ্যে ক্ষতি হয়েছে বলে ব্যবসায়ী সূত্রের খবর। পচনশীল পণ্য আন্দোলনের বাইরে থাকলেও, অচলাবস্থার জেরে সেই পণ্য রপ্তানির মাত্রাও কমে গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে এদিন চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় ভারত ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের কয়েকজন হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু সেখান থেকে তেমন কোনও সুরাহা বের হয়নি। তাই বৈদেশিক বাণিজ্য স্বাভাবিক হওয়া নিয়ে সংশয় দূর হল না এদিনও। এদিকে, বোল্ডারের ব্যবসা বন্ধ হয়ে থাকায় চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন এই বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মানুষজন। দ্রুত তাঁরা সমস্যা মেটানোর দাবি তুলেছেন। এদিনও ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। এদিন ভুটান থেকে মাত্র পাঁচ ট্রাক পণ্য গিয়েছে বাংলাদেশে। যেহেতু দুই দেশের ব্যবসায়ীদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, তাই এই নিয়ে ব্যবসায়ীরা সরাসরি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।



