নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: সামনে এল বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র হাশিল করার নতুন ছক। গত সোমবার রাতে মুর্শিদাবাদের লালগোলা থেকে সোহেল রানা নামের এক বাংলাদেশি যুবক গ্রেপ্তার হতেই এই কৌশলের কথা জানতে পেরেছে পুলিস। সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করে ভারতীয় যুবতীদের বিয়ে করছে বাংলাদেশি যুবকরা। এপারে এসে কোনও কাজে ঢুকে উপার্জন শুরু করেই সীমান্ত লাগোয়া গ্রামের মেয়েদের টার্গেট করছে তারা। তাদের বিয়ে করে নিচ্ছে। তারপর বউয়ের পরিচয়েই জাল আধার কার্ড তৈরি করে নিচ্ছে। তা করতে গিয়ে নিজের মা-বাবার বদলে বউয়ের মা-বাবার নাম বা তার আত্মীয়স্বজনের নাম ব্যবহার করে নকল ডকুমেন্ট তৈরি করছে।
Advertisement
সোহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিস জানতে পারে, তার বাড়ি রাজশাহির গোদাগাড়িতে। সাত বছর আগে ভারতে ঢুকে সে লালগোলার আটরশিয়ার রামনগর এলাকার এক যুবতীকে বিয়ে করে সেখানেই থাকতে শুরু করে। ধৃতের কাছ থেকে ভুয়ো তথ্য দিয়ে তৈরি আধার কার্ড উদ্ধার হয়েছে। সোহেল রাজশাহির বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও লালগোলার আটরশিয়ার ঠিকানা দিয়ে নতুন আধার কার্ড বের করে নেয়। সোহেল রানার আধার কার্ডে তার বাবা ও মায়ের নামের পরিবর্তে স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল রশিদ ও শেফালী বিবির নাম নথিভুক্ত রয়েছে। আদতে তারা সোহেলের শ্বশুর ও শাশুড়ি। সোহলের প্রকৃত বাবা ও মায়ের নাম সাইফুল ইসলাম ও জুলেখা বিবি। তারা বাংলাদেশের বাসিন্দা। পুলিসের দাবি, জেরায় এসব কথা স্বীকার করেছে ধৃত যুবক। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে এই ধরনের ঘটনার কথা জানার পর উদ্বেগ বেড়েছে পুলিস ও প্রশাসনিক মহলে।
বছর সাতেক আগে ভারতে এসে লালগোলার এক যুবতীকে বিয়ে করে সংসার পেতে বসে সোহেল। দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন জায়গায় রাজমিস্ত্রির কাজই ছিল তার রুটিরুজি। পুলিসের অনুমান, দক্ষিণ ভারতে কাজে গিয়েই প্রথমে একটি ভুয়ো আধার কার্ড তৈরি করেছিল সোহেল। সম্প্রতি সোহেল আধার কার্ডে তার ঠিকানা বদলে চেন্নাইয়ের পরিবর্তে লালগোলার আটরশিয়ার নাম দিয়েছিল। বেআইনিভাবে তার আধার কার্ডের এই ঠিকানা বদলে দিয়েছিল হানিফ নামের এক যুবক। সে সময়ে নিজের শ্বশুর ও শাশুড়ির নাম দিয়ে দেয় কার্ডে। লালগোলার বালিগ্রাম থেকে হানিফকেও পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। সে ওই এলাকায় একটি অনলাইন কিয়স্ক চালায়। পুলিসের সন্দেহ, সে আগেও একাধিক আধারকার্ডের তথ্য পরিবর্তন করেছে।
সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রান্তিক এলাকা ও সীমান্ত ঘেঁষা গ্রামের যুবতীদের ঠিক সময়ে বিয়ে হতে চায় না। বারবার সম্বন্ধ এলেও, ঠিকানার কারণে অধিকাংশ সম্বন্ধই ভেস্তে যায়। সেই সুযোগই নেয় বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীরা। বাংলাদেশ থেকে এপারে আসা যুবকরা মিথ্যে পরিচয় দিয়ে যুবতীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে। ভিনরাজ্যে গিয়ে রাজমিস্ত্রি কিংবা কোনও দোকানে কাজ করে মোটা অর্থ উপার্জন করে প্রেমিকার আস্থা অর্জন করে তার বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব রাখে। অবিবাহিতা মেয়ের অসহায় অভিভাবকরা বাধ্য হয়ে সেই সম্বন্ধ মেনে নেয়। একবার বিয়ে হতেই ভারতীয় বনে যায় ওই যুবক।
জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, ঠিক এই কায়দায় সোহেলও এই এলাকায় এক যুবতীকে বিয়ে করেছিল। ওই পরিবারের পরিচয় দিয়ে সে আধার কার্ড করে নেয়।
বছর সাতেক আগে ভারতে এসে লালগোলার এক যুবতীকে বিয়ে করে সংসার পেতে বসে সোহেল। দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন জায়গায় রাজমিস্ত্রির কাজই ছিল তার রুটিরুজি। পুলিসের অনুমান, দক্ষিণ ভারতে কাজে গিয়েই প্রথমে একটি ভুয়ো আধার কার্ড তৈরি করেছিল সোহেল। সম্প্রতি সোহেল আধার কার্ডে তার ঠিকানা বদলে চেন্নাইয়ের পরিবর্তে লালগোলার আটরশিয়ার নাম দিয়েছিল। বেআইনিভাবে তার আধার কার্ডের এই ঠিকানা বদলে দিয়েছিল হানিফ নামের এক যুবক। সে সময়ে নিজের শ্বশুর ও শাশুড়ির নাম দিয়ে দেয় কার্ডে। লালগোলার বালিগ্রাম থেকে হানিফকেও পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। সে ওই এলাকায় একটি অনলাইন কিয়স্ক চালায়। পুলিসের সন্দেহ, সে আগেও একাধিক আধারকার্ডের তথ্য পরিবর্তন করেছে।
সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রান্তিক এলাকা ও সীমান্ত ঘেঁষা গ্রামের যুবতীদের ঠিক সময়ে বিয়ে হতে চায় না। বারবার সম্বন্ধ এলেও, ঠিকানার কারণে অধিকাংশ সম্বন্ধই ভেস্তে যায়। সেই সুযোগই নেয় বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীরা। বাংলাদেশ থেকে এপারে আসা যুবকরা মিথ্যে পরিচয় দিয়ে যুবতীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে। ভিনরাজ্যে গিয়ে রাজমিস্ত্রি কিংবা কোনও দোকানে কাজ করে মোটা অর্থ উপার্জন করে প্রেমিকার আস্থা অর্জন করে তার বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব রাখে। অবিবাহিতা মেয়ের অসহায় অভিভাবকরা বাধ্য হয়ে সেই সম্বন্ধ মেনে নেয়। একবার বিয়ে হতেই ভারতীয় বনে যায় ওই যুবক।
জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, ঠিক এই কায়দায় সোহেলও এই এলাকায় এক যুবতীকে বিয়ে করেছিল। ওই পরিবারের পরিচয় দিয়ে সে আধার কার্ড করে নেয়।



