সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: মূল পণ্যের আড়ালে আন্তর্জাতিক সীমান্ত টপকে অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশে যাচ্ছে অন্য পণ্য। চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দরে দীর্ঘদিন ধরে এই অভিযোগ উঠছে। বোল্ডারের নীচে শাড়ি, প্রসাধনী দ্রব্য, খাদ্য সামগ্রী পাচার চলছে। ওপারের বুড়িমারি স্থলবন্দরে ভারতীয় ট্রাকে তল্লাশি নিতেই সেগুলি ধরা পড়ে যাচ্ছে। কারবারিদের একাংশের জন্য প্রকৃত ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়ছেন। এই সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হয়েছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। ওপারের ব্যবসায়ীরা ভুটানের পণ্য ভুটানের গাড়িতে পাঠানোর দাবি তুলেছেন। সেই দাবির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বুড়িমারি স্থলবন্দরের ইমপোর্টার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন সম্প্রতি ভুটান এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনকে চিঠি পাঠিয়েছে। যার প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে ঢাকায় অবস্থিত ভুটান দূতাবাসেও।
Advertisement
বুড়িমারি স্থলবন্দরের ইমপোর্টার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহম্মদ আবু রাইয়ান আশরি এবং সম্পাদক মহম্মদ আনিসুর রহমান প্রধান রাজুর স্বাক্ষরিত সেই চিঠিতে সুষ্ঠুভাবে বৈদেশিক বাণিজ্যের জন্য ভুটানের ট্রাকে ভুটানের পণ্য পাঠানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই খবর চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দরে পৌঁছতেই গুঞ্জন ছড়িয়েছে। কারণ,এমনটা হলে ভারতের ট্রাক ব্যবসার উপর প্রভাব পড়তে পারে।
চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের পাশাপাশি ভুটান-বাংলাদেশ বৈদেশিক বাণিজ্যও চলে। প্রতিদিন যত ট্রাক বাংলাদেশে যায়, তার প্রায় অর্ধেকই ভুটানের পণ্য থাকছে। বর্তমানে ভুটানের অধিকাংশ পণ্যই ভারতীয় ট্রাকে করে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের ভিতরে পণ্যের আড়ালে অন্য পণ্য উদ্ধারের ঘটনায় ভুটানের পণ্য বহনকারী ভারতীয় ট্রাকও ধরা পড়েছে একাধিকবার। এখনও কিছু ভারতীয় ট্রাক বাংলাদেশে আটকে রয়েছে। চালক পলাতক থাকার মতো ঘটনাও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ভুটানের পণ্য ভুটানের ট্রাকে বোঝাই করে সরাসরি বাংলাদেশে পাঠানোর দাবি করেছেন। বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের দাবি, এতে ট্রাকের কেবিন বা অন্য জায়গায় লুকিয়ে অন্য পণ্য বাংলাদেশের পাঠানোর প্রবণতা অনেকটাই কমবে। চ্যাংরাবান্ধা কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিকাশ সাহা অবশ্য বলেন, স্পষ্ট করে বিষয়টি এখনও কিছু জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখব।
চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের পাশাপাশি ভুটান-বাংলাদেশ বৈদেশিক বাণিজ্যও চলে। প্রতিদিন যত ট্রাক বাংলাদেশে যায়, তার প্রায় অর্ধেকই ভুটানের পণ্য থাকছে। বর্তমানে ভুটানের অধিকাংশ পণ্যই ভারতীয় ট্রাকে করে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের ভিতরে পণ্যের আড়ালে অন্য পণ্য উদ্ধারের ঘটনায় ভুটানের পণ্য বহনকারী ভারতীয় ট্রাকও ধরা পড়েছে একাধিকবার। এখনও কিছু ভারতীয় ট্রাক বাংলাদেশে আটকে রয়েছে। চালক পলাতক থাকার মতো ঘটনাও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ভুটানের পণ্য ভুটানের ট্রাকে বোঝাই করে সরাসরি বাংলাদেশে পাঠানোর দাবি করেছেন। বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের দাবি, এতে ট্রাকের কেবিন বা অন্য জায়গায় লুকিয়ে অন্য পণ্য বাংলাদেশের পাঠানোর প্রবণতা অনেকটাই কমবে। চ্যাংরাবান্ধা কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিকাশ সাহা অবশ্য বলেন, স্পষ্ট করে বিষয়টি এখনও কিছু জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখব।



