সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: নতুন ক্লাসে ভর্তি নিয়ে শিলিগুড়ি গার্লস প্রাইমারি স্কুলের বিরুদ্ধে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ উঠল। এনিয়ে সোমবার স্কুলে একদল অভিভাবক ক্ষোভে ফেটে পড়েন। প্রধান শিক্ষিকার কাছে তাঁরা জানতে চান, প্রথমে সরাসরি ভর্তি নেওয়ার কথা বলেও কেন এখন লটারির মাধ্যমে ভর্তি নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে? অভিভাবকরা জানান, ফর্ম দেওয়ার সময় বলা হয়েছিল সরাসরি ভর্তি নেওয়া হবে। ১৬ ডিসেম্বর এলে সরাসরি ভর্তি নেওয়া হবে পড়ুয়াকে। সেমতো এদিন অভিভাবকরা তাঁদের মেয়েদের ভর্তি করাতে এসেছিলেন। কিন্তু এসেই শোনেন সরাসরি ভর্তি নয়, লটারি করে ভর্তি নেওয়া হবে। একথা শোনার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকরা।
Advertisement
অভিভাবকদের বক্তব্য ফর্ম জমা দেওয়ার সময় স্কুলের তরফে প্রত্যেককে সরাসরি ভর্তি নেওয়ার কথা জানিয়ে স্কুলের ইউনিফর্মও বানিয়ে নিতে বলা হয়। তারজন্য স্কুল ড্রেসের নমুনাও দেওয়া হয়েছিল। স্কুলের ড্রেস বানিয়ে অভিভাবকরা তাঁদের মেয়েদের ভর্তি করানোর অপেক্ষায় ছিলেন। হঠাৎ করে ভর্তির নিয়ম পরিবর্তন অভিভাবকরা মেনে নিতে পারছেন না।
স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মিতা ঘোষ অভিভাবকদের অভিযোগের সত্যতা মেনে নিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রথমে প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল থেকে আমার কাছে লটারি করে ভর্তির নেওয়ার কোনও নির্দেশ ছিল না। তাই সরাসরি ভর্তি নেওয়ার হিসেব করে ফর্ম ছেড়েছিলাম। সেই মতো ফর্ম জমা নেওয়ার সময় অভিভাবকদের জানানো হয়েছিল সরাসরি ভর্তি নেওয়া হবে এবং তাঁরা যেন তাঁদের বাচ্চাদের স্কুলের ড্রেস বানিয়ে নেন। কিন্তু পরবর্তীতে প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল থেকে নির্দেশ দেওয়া হয় লটারির মাধ্যমে ভর্তি নেওয়ার জন্য। কাউন্সিলের নির্দেশ মতো এখন লটারির মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হবে। আমার করার কিছু নেই।
যদিও প্রধান শিক্ষিকার এই বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন অভিভাবকরা। তাঁদের প্রশ্ন, প্রথমেই কেন প্রধান শিক্ষিকা প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিলের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেননি। এই হয়রানির জন্য তাঁরা প্রধান শিক্ষিকার গাফিলতিকেই দায়ী করছেন।
স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মিতা ঘোষ অভিভাবকদের অভিযোগের সত্যতা মেনে নিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রথমে প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল থেকে আমার কাছে লটারি করে ভর্তির নেওয়ার কোনও নির্দেশ ছিল না। তাই সরাসরি ভর্তি নেওয়ার হিসেব করে ফর্ম ছেড়েছিলাম। সেই মতো ফর্ম জমা নেওয়ার সময় অভিভাবকদের জানানো হয়েছিল সরাসরি ভর্তি নেওয়া হবে এবং তাঁরা যেন তাঁদের বাচ্চাদের স্কুলের ড্রেস বানিয়ে নেন। কিন্তু পরবর্তীতে প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল থেকে নির্দেশ দেওয়া হয় লটারির মাধ্যমে ভর্তি নেওয়ার জন্য। কাউন্সিলের নির্দেশ মতো এখন লটারির মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হবে। আমার করার কিছু নেই।
যদিও প্রধান শিক্ষিকার এই বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন অভিভাবকরা। তাঁদের প্রশ্ন, প্রথমেই কেন প্রধান শিক্ষিকা প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিলের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেননি। এই হয়রানির জন্য তাঁরা প্রধান শিক্ষিকার গাফিলতিকেই দায়ী করছেন।



