অভিষেক পাল, বহরমপুর: তাউহিদুল উল্লিহা। সংক্ষেপে টিইউ। বাংলাদেশের নতুন সন্ত্রাসবাদী সংগঠন। ভারতে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের একাধিক কার্যকলাপ প্রকাশ্যে আসার পর নতুন করে গোয়েন্দাদের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে টিইউ। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের এই নব্য জঙ্গি সংগঠনটি ভারতজুড়ে সংগঠন বিস্তারের কাজে ঝাঁপিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও ঘাঁটি গাড়তে তাদের তৎপরতা তুঙ্গে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর।
Advertisement
বাংলাদেশে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসুরুল্লাহ বাংলা টিম। হাসিনা সরকারের পতনের অনেকে আগে থেকেই পশ্চিমবঙ্গে তারা কার্যকলাপ বিস্তারে মন দেয়। সম্প্রতি, সেই টিমের কয়েকজন সক্রিয় সদস্যকে জালে তোলে অসম এসটিএফ। তার রেশ কাটতে না কাটতেই কপালে ভাঁজ ফেলেছে টিইউ। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, পাঁচটি নতুন নামে আলাদা আলাদা করে নিজেদের শাখা বিস্তার করতে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিকে বেছে নিয়েছে সংগঠনটি। গোটা মডিউলটি বাংলাদেশের চাঁপাই নবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ এলাকা থেকে অপারেট করা হচ্ছে। টিমের মাথা শিবগঞ্জ এলাকারই বাসিন্দা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, দ্রুত গতিতে বাংলাদেশ লাগোয়া মুর্শিদাবাদ ও মালদহে সংগঠন বিস্তারের কাজ করছে টিইউ। নতুন সদস্য জোগাড় এবং তাদেরকে সন্ত্রাসবাদী ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ করতে নেমে পড়েছে টিইউ’র মাথারা। গত মাসেই লালগোলা এলাকায় একটি গোপন বৈঠক করে টিইউ সংগঠনের প্রথম সারির নেতারা। সেখানে সংগঠনের তহবিল বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপশি নতুন সদস্যদের আর্থিক প্রলোভনও দেখানোর কথা বলা হয়েছে। ওই বৈঠকে এপার বাংলার কারা কারা অংশ নিয়েছিল, সেই তথ্যও গোয়েন্দাদের কাছে এসেছে। ইতিমধ্যেই তাদের গতিবিধির উপর কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে।
অভিযোগ, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার মৌলবাদী সংগঠনগুলিকে নানাভাবে মদত দিয়ে চলেছে। সেই তালিকায় রয়েছে টিইউ’ও। বস্তুত, এই নতুন সংগঠনটিকে সামনে রেখে পড়শি দেশে অশান্তি পাকানোর ছক চলছে বলেও বিভিন্ন মহলের অভিযোগ। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা ভারতে দ্রুত টিইউ’র বিস্তার লাভে রসদ জোগানোর চাঞ্চল্যকর দাবিও তোলা হচ্ছে কোনও কোনও মহল থেকে। আর বিস্তারের ভূমি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের রাজশাহী, গোদাগাড়ী, ঘুঘুডাঙা, শিবগঞ্জ, রানিহাটি, বিদিরপুর, গোপালপুরের মতো সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিকে। যাতে করে এপার বাংলার সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় রেখে সংগঠনকে বাড়ানো যায়। গোয়েন্দাদের কাছে খবর, যেনতেন প্রকারে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছে টিইউ সদস্যরা। তারা মূলত লালগোলা, রানিতলা, জলঙ্গি, রানিনগর ও সাগরপাড়া এলাকা দিয়ে ঢুকতে চাইছে। রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা এই তথ্য হাতে পাওয়ার পর সীমান্ত এলাকায় নিজেদের সোর্স মারফত খবর নেওয়া শুরু করেছে। এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার গভীররাতে জলঙ্গি সীমান্ত দিয়ে একদল দুষ্কৃতী ভারতে ঢোকার চেষ্টা চালায়। এক গোয়েন্দা আধিকারিক বলেন, ওই রাতে ওপার থেকে কারা আসার চেষ্টা করছিল সে ব্যাপারে আমরা খোঁজ খবর শুরু করেছি।
অভিযোগ, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার মৌলবাদী সংগঠনগুলিকে নানাভাবে মদত দিয়ে চলেছে। সেই তালিকায় রয়েছে টিইউ’ও। বস্তুত, এই নতুন সংগঠনটিকে সামনে রেখে পড়শি দেশে অশান্তি পাকানোর ছক চলছে বলেও বিভিন্ন মহলের অভিযোগ। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা ভারতে দ্রুত টিইউ’র বিস্তার লাভে রসদ জোগানোর চাঞ্চল্যকর দাবিও তোলা হচ্ছে কোনও কোনও মহল থেকে। আর বিস্তারের ভূমি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের রাজশাহী, গোদাগাড়ী, ঘুঘুডাঙা, শিবগঞ্জ, রানিহাটি, বিদিরপুর, গোপালপুরের মতো সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিকে। যাতে করে এপার বাংলার সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় রেখে সংগঠনকে বাড়ানো যায়। গোয়েন্দাদের কাছে খবর, যেনতেন প্রকারে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছে টিইউ সদস্যরা। তারা মূলত লালগোলা, রানিতলা, জলঙ্গি, রানিনগর ও সাগরপাড়া এলাকা দিয়ে ঢুকতে চাইছে। রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা এই তথ্য হাতে পাওয়ার পর সীমান্ত এলাকায় নিজেদের সোর্স মারফত খবর নেওয়া শুরু করেছে। এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার গভীররাতে জলঙ্গি সীমান্ত দিয়ে একদল দুষ্কৃতী ভারতে ঢোকার চেষ্টা চালায়। এক গোয়েন্দা আধিকারিক বলেন, ওই রাতে ওপার থেকে কারা আসার চেষ্টা করছিল সে ব্যাপারে আমরা খোঁজ খবর শুরু করেছি।



