সংবাদদাতা, বহরমপুর: স্বামী পরিত্যক্তা যুবতীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল বহরমপুরে গান্ধী কলোনি এলাকায়। বুধবার সকালে বাড়ি থেকে যুবতীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে বহরমপুর থানার পুলিস। মৃতের নাম অপরাজিতা মণ্ডল(২০)। এই ঘটনায় মেয়েকে খুনের অভিযোগ তুলছেন মৃতার মা কানন মণ্ডল। তাঁর দাবি, মেয়েকে গলা টিপে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। গলায় নখের আঁচড়ের দাগ রয়েছে। খুনের অভিযোগের তির বহরমপুর থানার হরিদাসমাটি এলাকার এক যুবকের দিকে। অভিযুক্ত যুবকের সঙ্গে মৃত যুবতীর সম্পর্ক ছিল বলে মেনে নিয়েছেন কাননদেবী। বহরমপুর থানার পুলিস জানিয়েছে, পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
Advertisement
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর সাতেক আগে নাবালিকা অবস্থায় অপরাজিতা মণ্ডলের দিল্লিতে বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের তিন বছর পর দেড় বছরের কন্যাসন্তানকে নিয়ে বহরমপুরে মায়ের কাছে চলে আসেন তিনি। তখন থেকে মায়ের কাছেই থাকতেন। মায়ের সঙ্গে রান্নার কাজ করতেন। কাননদেবী বলেন, মাস চারেক ধরে মেয়ের সঙ্গে পেশায় লরিচালক হরিদাসমাটির একজনের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। ওই যুবক আমাদের বাড়িতেও আসত। অপরাজিতা বলেছিল আমার মেয়েকে মেনে নিলে তবেই ওকে বিয়ে করব। কিন্তু ওই যুবক রাজি হয়নি।
কাননদেবীর বক্তব্য, এরপর আমরা অন্য একটি ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ের যোগাযোগ করছিলাম। পরিবার ও প্রতিবেশীদের দাবি, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই যুবক অপরাজিতাকে দেখতে এসেছিল। কথাবার্তা প্রায় পাকা হয়ে গিয়েছিল। সে চলে যাওয়ার পর অপরাজিতাকে হরিদাসমাটির যুবক হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। কাননদেবীর সন্দেহ, গভীর রাতে পাশের বাড়ির পাঁচিল টপকে হরিদাসমাটির ওই যুবক ঘরে ঢুকে মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছে। অপরাজিতার মোবাইল ফোনটিও গায়েব। কিন্তু ওই ঘর থেকে পাওয়া গিয়েছে লরিচালক ওই যুবকের মোবাইল। ওই যুবকই ভুল করে অপরাজিতার মোবাইলটি নিয়ে গিয়েছে বলে দাবি কাননদেবীর।
কাননদেবীর বক্তব্য, এরপর আমরা অন্য একটি ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ের যোগাযোগ করছিলাম। পরিবার ও প্রতিবেশীদের দাবি, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই যুবক অপরাজিতাকে দেখতে এসেছিল। কথাবার্তা প্রায় পাকা হয়ে গিয়েছিল। সে চলে যাওয়ার পর অপরাজিতাকে হরিদাসমাটির যুবক হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। কাননদেবীর সন্দেহ, গভীর রাতে পাশের বাড়ির পাঁচিল টপকে হরিদাসমাটির ওই যুবক ঘরে ঢুকে মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছে। অপরাজিতার মোবাইল ফোনটিও গায়েব। কিন্তু ওই ঘর থেকে পাওয়া গিয়েছে লরিচালক ওই যুবকের মোবাইল। ওই যুবকই ভুল করে অপরাজিতার মোবাইলটি নিয়ে গিয়েছে বলে দাবি কাননদেবীর।



