নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে কোপানোর দায়ে এক যুবকের ১০বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। ১১বছর আগের এই ঘটনায় মঙ্গলবার বহরমপুরের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট সাজা শোনায়।
Advertisement
২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক রুহুল আমিনকে এলোপাথাড়িভাবে কোপানো হয়। এই ঘটনায় রতন রাজবংশী নামে এক রাজমিস্ত্রি গ্রেপ্তার হয়। তার বাড়ি বহরমপুরের চুনাখালির আশ্রমপাড়ায়। সে ওই শিক্ষকের বাড়িতে রাজমিস্ত্রির কাজ করেছিল। সেই কাজ শেষ হওয়ার পর নানা অছিলায় ওই শিক্ষকের বাড়িতে চলে যেত। রুহুল সাহেব আপত্তি জানালে তাঁর সঙ্গে একদিন রতনের বচসা হয়। সেই রাগ থেকে সে ওই শিক্ষকের উপর হামলা করেছিল, এমনটাই পুলিসি তদন্তে উঠে এসেছে।
সরকারি আইনজীবী আরিফুজ্জামান বলেন, ২০১৩ সালের ৭ এপ্রিল এই ঘটনা ঘটে। সেদিন ভোরে বাড়ির দরজার কাছে দা নিয়ে লুকিয়েছিল রতন। রুহুল আমিন দরজা খুলতেই তাঁর গলায় কোপ বসিয়ে দেয়। আঘাত গুরুতর হলেও ওই শিক্ষক প্রাণে বেঁচে যান। এরপর আইপিসি ৪৪৯ ও ৩০৭ ধারায় মামলা দায়ের হয়। বহরমপুর ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারক সুলগ্না ঘোষদস্তিদার এদিন সাজা শুনিয়েছেন। দু’টি ধারায় পৃথক সাজা হয়েছে। সব মিলিয়ে, রতনের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং মোট ২০হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
সরকারি আইনজীবী আরিফুজ্জামান বলেন, ২০১৩ সালের ৭ এপ্রিল এই ঘটনা ঘটে। সেদিন ভোরে বাড়ির দরজার কাছে দা নিয়ে লুকিয়েছিল রতন। রুহুল আমিন দরজা খুলতেই তাঁর গলায় কোপ বসিয়ে দেয়। আঘাত গুরুতর হলেও ওই শিক্ষক প্রাণে বেঁচে যান। এরপর আইপিসি ৪৪৯ ও ৩০৭ ধারায় মামলা দায়ের হয়। বহরমপুর ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারক সুলগ্না ঘোষদস্তিদার এদিন সাজা শুনিয়েছেন। দু’টি ধারায় পৃথক সাজা হয়েছে। সব মিলিয়ে, রতনের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং মোট ২০হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।



