নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বহরমপুরের ভাকুড়িতে অবৈধভাবে শিশুদের কাজে লাগিয়ে প্লাইউড তৈরির কাজ করানো হচ্ছিল। সেই খবর পেয়ে ওই প্লাইউড কারখানায় অভিযান চালায় চাইল্ড হেল্পলাইন, ডিস্ট্রিক্ট চাইল্ড প্রটেকশন ইউনিট এবং বহরমপুর থানার পুলিস। প্রায় ২০জন শিশুকে ওই কারখানায় নিয়মিত কাজে লাগানো হয়। এদিন অভিযানের সময় আট শিশুকে উদ্ধার করা হয়। বাকিরা কারখানার পাঁচিল টপকে পালিয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া শিশুদের চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির সামনে পেশ করা হলে তাদের হোমে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। ঘটনায় বহরমপুরে বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, ওড়িশার এক শিশু ওই কারখানায় কাজ করত। উদ্ধার হওয়া শিশুদের মধ্যে একজনের বাড়ি মালদহ জেলায়। বাকিদের বাড়ি মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন এলাকায়। তাদের দিয়ে প্লাইউড কারখানায় ভারী কাজ করানো হতো। দৈনিক সামান্য টাকার বিনিময়ে প্লাইয়ে আঠা লাগানোর কাজ এবং প্লাই রোদে তোলা ফেলার কাজ তাদের করতে হয়। আঠার তীব্র গন্ধে নেশা হয়ে যায় শিশুদের। একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির আঠা নেশার জন্য ব্যবহার করে মাদক সেবনকারীরা। সেই আঠা লাগিয়ে কাজ করতে হতো শিশুদের। উদ্ধার হওয়া শিশুদের মধ্যে কয়েকজন ট্রমাটাইজ আছে বলে জানা গিয়েছে।
জেলার চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির চেয়ারপার্সন সোমা ভৌমিক বলেন, আটজন শিশুর পরিবারের কাছে আমরা পরিচয়পত্র চেয়ে পাঠিয়েছি। ওরা ট্রমাটাইজ আছে। নেশার জন্য যে আঠা ব্যবহার করা হয়, তা দিয়ে ওদের কাজ করতে হতো। কাউন্সেলিং করিয়ে আমরা ওদের সঙ্গে কথা বলব। কেউ কাজ করতে জোর করত কি না, সেই সব বিষয়ে জানা নেওয়া হবে। ওই প্লাইউড কারখানার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বহরমপুর থানাকে বলা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, কলকারখানায় শিশু শ্রমিকদের কাজ করানো অত্যন্ত অনৈতিক কাজ। আমরা খবর পেলেই সেসব জায়গায় অভিযান চালাই। লাগাতার অভিযান চলছে বলেই এদিন আটজনকে উদ্ধার করা গিয়েছে। আরও অভিযান চলবে।
ভাকুড়ি এলাকার এক শিশুর মা বলেন, ছেলে ভাকুড়ি হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। মাঝে মধ্যে স্কুলে যেত, বাকি সময় কারখানায় কাজ করত। প্লাইউড পাতার কাজ করত। পাঁচ মাস মতো কাজ করেছে। অপর এক বালকের দিদা বলেন, আমি কাজ করতে পারি না। তাও ওকে খরচ করে পড়াতাম। ও পড়াশোনা করতে করতে নিজেই কাজে যেতে চাইল। ১৪ বছর বয়স হয়ে গিয়েছে। লাইনের ধারে আমাদের বাড়ি। অভাবের সংসার। একজনের কাজে সংসার চলে না। তাই ও নিজেই কাজে যায়।
জেলার চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির চেয়ারপার্সন সোমা ভৌমিক বলেন, আটজন শিশুর পরিবারের কাছে আমরা পরিচয়পত্র চেয়ে পাঠিয়েছি। ওরা ট্রমাটাইজ আছে। নেশার জন্য যে আঠা ব্যবহার করা হয়, তা দিয়ে ওদের কাজ করতে হতো। কাউন্সেলিং করিয়ে আমরা ওদের সঙ্গে কথা বলব। কেউ কাজ করতে জোর করত কি না, সেই সব বিষয়ে জানা নেওয়া হবে। ওই প্লাইউড কারখানার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বহরমপুর থানাকে বলা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, কলকারখানায় শিশু শ্রমিকদের কাজ করানো অত্যন্ত অনৈতিক কাজ। আমরা খবর পেলেই সেসব জায়গায় অভিযান চালাই। লাগাতার অভিযান চলছে বলেই এদিন আটজনকে উদ্ধার করা গিয়েছে। আরও অভিযান চলবে।
ভাকুড়ি এলাকার এক শিশুর মা বলেন, ছেলে ভাকুড়ি হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। মাঝে মধ্যে স্কুলে যেত, বাকি সময় কারখানায় কাজ করত। প্লাইউড পাতার কাজ করত। পাঁচ মাস মতো কাজ করেছে। অপর এক বালকের দিদা বলেন, আমি কাজ করতে পারি না। তাও ওকে খরচ করে পড়াতাম। ও পড়াশোনা করতে করতে নিজেই কাজে যেতে চাইল। ১৪ বছর বয়স হয়ে গিয়েছে। লাইনের ধারে আমাদের বাড়ি। অভাবের সংসার। একজনের কাজে সংসার চলে না। তাই ও নিজেই কাজে যায়।



