সংবাদদাতা, বহরমপুর: অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। শনিবার ঘর থেকে ওই ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিস। ঘটনাটি ঘটেছে বহরমপুর থানার গান্ধী কলোনি মনসা মন্দির সংলগ্ন এলাকায়। মৃত ছাত্রীর নাম বর্ষা হালদার(১৪)। শুক্রবার বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক করে বাড়ি ফিরে এসে রাতে গলায় ফাঁস দেয় বলে দাবি পরিবারের। বহরমপুর থানার পুলিস জানিয়েছে, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে।
Advertisement
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ষা হালদারের বাবার মৃত্যুর পর তাঁর মা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। বর্ষার যখন ছ’বছর বয়স তখন আদালতের দ্বারস্থ হয়ে মেয়েকে নিজের কাছে নিয়ে যান। তারপর থেকে সেখানেই থাকত। মৃতের বাপের বাড়ির লোকের অভিযোগ, বর্ষার উপর শারীরিক নির্যাতন করত ওর মা। মৃতের পিসি সোনালি দে বলেন, আমরা কিছু বলতে গেলে সেই আক্রোশ বর্ষার উপর পড়ত বলে আমরা মুখ বুজে ছিলাম। মায়ের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরেই আত্মঘাতী হয়েছে। মৃতের সৎবাবার দাবি, প্রেমঘটিত কোনও কারণ থাকতে পারে। শুক্রবার আমিই পিকনিক করতে পৌঁছে দিয়ে এসেছিলাম। সন্ধ্যায় আমিই নিয়ে এসেছিলাম।
অন্যদিকে শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছে এক নাবালিকা বধূ। এমনই অভিযোগ উঠেছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৮দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার রাতে ওই বধূর মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম আলিয়া খাতুন(১৬)। বাড়ি ইসলামপুর থানার বালুমাটি। তবে কোনও লিখিত অভিযোগ হয়নি বলে পুলিস জানিয়েছে।
মৃতের বাপের বাড়ির অভিযোগ, স্বামী ও শ্বশুর রোজ আলিয়ার উপর শারীরিক নির্যাতন চালাত। মৃতের মা সোনাভানু বিবি বলেন, মেয়ে অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে গত ৩ ডিসেম্বর দুপুরে বাড়িতে কীটনাশক খায়। সন্ধ্যার পর সারাংপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। পরে আমরা জোর করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করি। ওরা মেয়ের চিকিৎসা করায়নি। মৃতের এক বছরের একটি সন্তান রয়েছে।
অন্যদিকে শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছে এক নাবালিকা বধূ। এমনই অভিযোগ উঠেছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৮দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার রাতে ওই বধূর মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম আলিয়া খাতুন(১৬)। বাড়ি ইসলামপুর থানার বালুমাটি। তবে কোনও লিখিত অভিযোগ হয়নি বলে পুলিস জানিয়েছে।
মৃতের বাপের বাড়ির অভিযোগ, স্বামী ও শ্বশুর রোজ আলিয়ার উপর শারীরিক নির্যাতন চালাত। মৃতের মা সোনাভানু বিবি বলেন, মেয়ে অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে গত ৩ ডিসেম্বর দুপুরে বাড়িতে কীটনাশক খায়। সন্ধ্যার পর সারাংপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। পরে আমরা জোর করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করি। ওরা মেয়ের চিকিৎসা করায়নি। মৃতের এক বছরের একটি সন্তান রয়েছে।



