তাপস ঘোষ, বহরমপুর: ১৪ বছর পর বহরমপুরে পালিত হল অনুকূল ঠাকুরের ১৩৭ তম মেগা জন্মোৎসব। রবিবার ভোরে বহরমপুর ওয়াইএমএ মাঠে বেদ মন্ত্রোচারণে জন্মতিথির সূচনা হয়। রবিবারের ভোরের বাতাস সানাইয়ের সুরের মূর্ছনা ও প্রাতঃকালীন প্রার্থনায় মুখর হয়ে ওঠে। জন্মোৎসব উদযাপন কমিটির দাবি, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে প্রায় ৭০ হাজার ভক্তের সমাগম হয়েছিল। বহরমপুর স্টেডিয়াম মাঠে ভক্তদের প্রসাদ বিলি করা হয়। উৎসব কমিটির অন্যতম উদ্যোক্তা তথা আকাশবাণী বেতার কেন্দ্রের ঘোষক ঋত্বিক সরকার বলেন, আচার্য দেবের আশীর্বাদ ও তাঁর অনুমতি নিয়েই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আলোচনার পাশাপাশি দিনভর বিভিন্ন স্বাদের সঙ্গীতানুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
Advertisement
২০১১ সালে এই মাঠেই শেষ বড় আকারে অনুকূল ঠাকুরের জন্মোৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। ১৪ বছর পর সেই অনুষ্ঠানের মেগা পুনরাবৃত্তি হল। রবিবার সকাল থেকেই বিশাল ওয়াইএমএ মাঠ ভক্ত সমাগমে কানায় কানায় ভরে ওঠে। কয়েকশো স্বেচ্ছাসেবী ভক্তদের সুশৃঙ্খলভাবে জন্মোৎসবে অংশগ্রহণে সাহায্য করে।
উৎসবের পাশাপাশি ভক্তদের দন্ত, চক্ষু ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। একইসঙ্গে চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। বেতার ও দূরদর্শন খ্যাত শিল্পীরা দিনভর অনুষ্ঠান মঞ্চে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত, ভক্তিগীতির মাধ্যমে ভক্তদের মনোরঞ্জন করেন। ভোর থেকেই দিনের বিভিন্ন সময় সানাই বাজিয়ে জন্মোৎসবের অনুষ্ঠানের মাত্রা বাড়ান শিল্পীরা। সন্ধ্যায় বাংলা ব্যান্ডের গানেরও আয়োজন করা হয়েছিল। সহ প্রতি ঋত্বিক ফণীন্দ্রনাথ সরকার বলেন, অনুকূল ঠাকুরের বাণী ও আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ সৎসঙ্গের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন।
মুর্শিদাবাদে বহরমপুর, কান্দি, লালবাগ, জিয়াগঞ্জ সহ মোট আটটি প্রতিষ্ঠিত সৎসঙ্গ মন্দির রয়েছে। রবিবার আটটি মন্দির কমিটির মিলিত প্রচেষ্টায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। উৎসব কমিটির সম্পাদক শ্যামলকুমার সাহা বলেন, অনুকূল ঠাকুরের জন্মোৎসবকে সামনে রেখে এত মানুষকে এক ছাতার তলায় আনতে পেরে আমাদের প্রয়াস স্বার্থক বলেই আমরা মনে করি। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে জাতি, ধর্ম, বর্ণের কোনও বাছবিচার করা হয়নি।
সকালে প্রসাদের পাশাপাশি দুপুরে ৭০ হাজার মানুষের জন্য প্রসাদের (আনন্দবাজার) ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বসে খাওয়ানোর পাশাপাশি ৩০ হাজার কনটেনারে প্রসাদ বিলি করা হয়। ঝাড়খণ্ডের দেওঘর থেকে এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন ঋত্বিক অমিয় গঙ্গোপাধ্যায়। নিজস্ব চিত্র
উৎসবের পাশাপাশি ভক্তদের দন্ত, চক্ষু ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। একইসঙ্গে চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। বেতার ও দূরদর্শন খ্যাত শিল্পীরা দিনভর অনুষ্ঠান মঞ্চে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত, ভক্তিগীতির মাধ্যমে ভক্তদের মনোরঞ্জন করেন। ভোর থেকেই দিনের বিভিন্ন সময় সানাই বাজিয়ে জন্মোৎসবের অনুষ্ঠানের মাত্রা বাড়ান শিল্পীরা। সন্ধ্যায় বাংলা ব্যান্ডের গানেরও আয়োজন করা হয়েছিল। সহ প্রতি ঋত্বিক ফণীন্দ্রনাথ সরকার বলেন, অনুকূল ঠাকুরের বাণী ও আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ সৎসঙ্গের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন।
মুর্শিদাবাদে বহরমপুর, কান্দি, লালবাগ, জিয়াগঞ্জ সহ মোট আটটি প্রতিষ্ঠিত সৎসঙ্গ মন্দির রয়েছে। রবিবার আটটি মন্দির কমিটির মিলিত প্রচেষ্টায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। উৎসব কমিটির সম্পাদক শ্যামলকুমার সাহা বলেন, অনুকূল ঠাকুরের জন্মোৎসবকে সামনে রেখে এত মানুষকে এক ছাতার তলায় আনতে পেরে আমাদের প্রয়াস স্বার্থক বলেই আমরা মনে করি। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে জাতি, ধর্ম, বর্ণের কোনও বাছবিচার করা হয়নি।
সকালে প্রসাদের পাশাপাশি দুপুরে ৭০ হাজার মানুষের জন্য প্রসাদের (আনন্দবাজার) ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বসে খাওয়ানোর পাশাপাশি ৩০ হাজার কনটেনারে প্রসাদ বিলি করা হয়। ঝাড়খণ্ডের দেওঘর থেকে এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন ঋত্বিক অমিয় গঙ্গোপাধ্যায়। নিজস্ব চিত্র



