Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বহরমপুর ও বেলডাঙায় বিপুল চোরাই সেগুন কাঠ বাজেয়াপ্ত

বহরমপুর ও বেলডাঙায় বিপুল চোরাই সেগুন কাঠ বাজেয়াপ্ত
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বহরমপুর ও বেলডাঙা থেকে বিপুল পরিমাণ চোরাই কাঠ উদ্ধার করল বনদপ্তর। জানা গিয়েছে, বহরমপুর, সারগাছি ও মহুলা এলাকা থেকে গত কয়েকদিনে ৫০ কিউবিক মিটার কাঠ উদ্ধার হয়েছে। জাতীয় সড়কের পাশে সেই কাঠ মজুত করে রাখা হয়েছিল। বনদপ্তরের বহরমপুর রেঞ্জ অফিস সেই কাঠ বাজেয়াপ্ত করেছে। উদ্ধার হওয়া কাঠগুলি মূল্যবান সেগুন গাছের বলেই জানিয়েছেন বনদপ্তরের এক আধিকারিক। বেশ কয়েক লক্ষ টাকার কাঠ উদ্ধারের ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 
Advertisement
সূত্রের খবর, নদীয়া ও মুর্শিদাবাদের সংরক্ষিত বনভূমি থেকে দিনের পর দিন এই কাঠ কেটে পাচার করা হয়। গত কয়েকদিন ধরে বিপুল পরিমাণে কাঠ আসছে বহরমপুর ও বেলডাঙায়। সেই কাঠ মোটা টাকায় বিক্রি হচ্ছে শ’ মিলে। জাতীয় সড়ক সংলগ্ন কয়েকটি মিলে লাগাতার ঢুকছে বড় বড় গাছের গুড়ি। সেই গুড়ি কেটে তৈরি তক্তা মোটা টাকার বিনিময়ে ফার্নিচারের দোকানে চলে যাচ্ছে। সারা বছর ধরেই চোরাই কাঠ বিক্রি হয় বলে খবর। বিশেষ করে নদীয়া ও বেথুয়াডহরির বনাঞ্চল থেকে কাঠ এখানে আসছে। শুধু তাই নয়, মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে চাষের জমি এবং বিভিন্ন রাস্তা সংলগ্ন সরকারি জায়গা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই গাছ বিক্রি করে দেওয়া হয়। বনদপ্তর অনেক সময় গাছ কাটার অভিযোগ পেয়ে থানায় মামলা রুজু করে। পুলিস তদন্ত করলেও উল্লেখযোগ্য কোনও শাস্তি হয় না দোষীদের। যে কারণে দিনের পর দিন গাছ কাটা এবং চোরাপথে সেই গাছ বিক্রি বাড়ছে। অনেক সময়ে রাস্তার ধারে এবং কাঠের মিল সংলগ্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণে কাটা গাছের গুড়ি দেখে খোঁজ খবর শুরু করে বনদপ্তর। এভাবেই, কয়েকদিন আগে মুর্শিদাবাদের ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বিপুল পরিমাণ কাঠ দেখে সন্দেহ হয় আধিকারিকদের। খোঁজখবর করেও সেই কাঠের মালিকের হদিশ মেলেনি। চোরাই কাঠ হিসেবে সেগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়। পরবর্তীতেও কাঠের মালিকানা দাবি করে কেউ বনদপ্তরে যোগাযোগ করেনি।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ