সংবাদদাতা, বহরমপুর: এবার মুর্শিদাবাদ জেলা খাদি মেলার বিক্রি গত ন’বছরের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিল। বহরমপুরের বারাক স্কোয়ার ময়দানে জেলা খাদি ও গ্রামীণ শিল্পপর্ষদের উদ্যোগে এবার বিভিন্ন স্টল থেকে ২ কোটি ৮২ লক্ষ টাকার বিক্রি হয়েছে। গতবছর মেলায় ২ কোটি ৪৮ লক্ষ টাকার বিক্রি হয়েছিল। আশাতীত বিক্রি হওয়ায় এবার বিভিন্ন দপ্তর ও সোসাইটির সদস্যরা হাসিমুখেই ঘরে ফিরলেন। বিক্রেতাদের দাবি, এবার উদ্যোক্তাদের আয়োজনের প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। মেলা আয়োজন ও ভালো আবহাওয়ার কারণে প্রচুর সংখ্যক মানুষ মেলার মাঠে এসেছেন। দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত বেচাকেনা হয়েছে। খাদি ও গ্রামীণ শিল্পপর্ষদের জেলা আধিকারিক দেবর্ষি রায় বলেন, খাদিশিল্পের উন্নয়নে রাজ্য সরকার সবরকমভাবে শিল্পীদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। খাদির ঐতিহ্য বিশ্বের দরবারে বন্দিত হবে। তবে শিল্পচর্চার পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের মানুষের পোশাক পছন্দের রুচির প্রশংসা করতেই হবে।
Advertisement
গত ২২ডিসেম্বর খাদি মেলা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কেনাকাটার জন্য দোকান খোলা থাকত। সোমবার ১৬দিনের এই মেলা শেষ হয়েছে। মানুষজন অবাধে এসেছেন মেলায়। কেনাকাটার সুবিধা, অসুবিধা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি উদ্যোক্তরা বিনোদনেরও ব্যবস্থা করেছিলেন। শিশু-কিশোরদের জন্য খেলার ব্যবস্থা, বড়দের মনোরঞ্জনে প্রতিদিন সান্ধ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সঙ্গে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যপরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হয়। খাদি বস্ত্রের গুণগত মানের দিকে উদ্যোক্তাদের নজর ছিল।
বিক্রেতাদের দাবি তসর, মসলিন, সিল্কের চাহিদা এবার সবচেয়ে বেশি ছিল। বেনফিস থেকে শুরু করে রেশম-খাদি শিল্পের বহু সোসাইটি এবারের মেলায় স্টল দিয়েছিল। ডোমকল মহিলা গ্রামোদ্যোগ রেশম ও খাদি সমিতি, উত্তরপাড়া রেশম খাদি গ্রামোদ্যোগ সঙ্ঘ, মির্জাপুর রেশম খাদি সমিতি সহ এবার ১৭২টি সংস্থা মেলায় স্টল দিয়েছিল। খাদি বস্ত্র বিক্রেতা মৃন্ময় ঘোষ, রূপম সরকার, শাকিলা বেগমরা বলেন, এবারের মেলায় প্রকৃতই লক্ষ্মীলাভ হয়েছে। বহরমপুরে এসে কোনওদিন মুখ ভার করে ফিরতে হয়নি। তবে এবার মানুষের এত সাড়া মিলবে ভাবতেই পারিনি।
বিক্রেতাদের দাবি তসর, মসলিন, সিল্কের চাহিদা এবার সবচেয়ে বেশি ছিল। বেনফিস থেকে শুরু করে রেশম-খাদি শিল্পের বহু সোসাইটি এবারের মেলায় স্টল দিয়েছিল। ডোমকল মহিলা গ্রামোদ্যোগ রেশম ও খাদি সমিতি, উত্তরপাড়া রেশম খাদি গ্রামোদ্যোগ সঙ্ঘ, মির্জাপুর রেশম খাদি সমিতি সহ এবার ১৭২টি সংস্থা মেলায় স্টল দিয়েছিল। খাদি বস্ত্র বিক্রেতা মৃন্ময় ঘোষ, রূপম সরকার, শাকিলা বেগমরা বলেন, এবারের মেলায় প্রকৃতই লক্ষ্মীলাভ হয়েছে। বহরমপুরে এসে কোনওদিন মুখ ভার করে ফিরতে হয়নি। তবে এবার মানুষের এত সাড়া মিলবে ভাবতেই পারিনি।



