সংবাদদাতা, বহরমপুর: পড়াশোনায় ফাঁকি দেওয়ায় জুটেছে মায়ের বকুনি। সেই অভিমানে আত্মঘাতী হলেন দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রী। রবিবার রাতে ফাঁকা বাড়িতে কীটনাশক খান ওই ছাত্রী। উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে রবিবার রাত আড়াইটে নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতার নাম তহমিনা খাতুন(১৮)। তাঁর বাড়ি বহরমপুর থানার সলুয়াডাঙায়।
Advertisement
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় পরিবারের সঙ্গে ইফতার করেন তহমিনা। তখনই পড়াশোনা নিয়ে মা তাঁকে বকাবকি করেন। ৭টা নাগাদ পরিবারের সকলে মসজিদে নামাজ পড়তে যান। একা থাকার সুযোগে তহমিনা ঘরে রাখা ঘাসমারা কীটনাশক খান। পরিবারের লোকজন ফিরে এসে দেখেন, বিছানায় পড়ে ছটফট করছে মেয়ে। মৃতের বাবা জহরুল মণ্ডল বলেন, লেখাপড়া নিয়ে ওর মা সামান্য বকেছিল। তাতেই অভিমানে বিষ খায়।
বহরমপুরে গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার: রবিবার সন্ধ্যায় বহরমপুর থানার কয়াগ্রামে গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃতার নাম মাম্পি মণ্ডল(২৪)। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছে বহরমপুর থানার পুলিস।
মৃতার স্বামী, পেশায় রংমিস্ত্রি সুমন্ত মণ্ডল বলেন, রবিবার সকালে ও আমার জন্য রান্না করে। আমি খেয়ে কাজে যাই। পাঁচ বছরের ছেলেকে খেলতে পাঠিয়ে ঘরের সিলিং ফ্যানে গলায় ফাঁস দেয়। দম্পতির একমাত্র ছেলে সন্দীপের কান্না শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। দেহ নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সুমন্তবাবু বলেন, সাড়ে ৩টে নাগাদ মাম্পি আমাকে ফোন করে। কখন বাড়ি ফিরব জানতে চায়। সাড়ে ৪টে নাগাদ আমি ফোন করে কোনও উত্তর পাইনি। কেন আত্মহত্যা করল, কিছুই জানি না।বহরমপুরে গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার: রবিবার সন্ধ্যায় বহরমপুর থানার কয়াগ্রামে গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃতার নাম মাম্পি মণ্ডল(২৪)। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছে বহরমপুর থানার পুলিস।



