নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: ঘণ্টা হিসেবে ভাড়া দেওয়া হয় বাড়ির এক-একটি ঘর! বহরমপুর শহর লাগোয়া এলাকায় একটি বাড়িতে এভাবেই চলছিল মধুচক্র। জেলার নানা প্রান্ত থেকে যুবক-যুবতীরা আসত সেখানে। রবিবার বহরমপুর লাগোয়া রাধারঘাট-১ পঞ্চায়েতের উত্তরপাড়া মোড়ে ওই বাড়ি ঘেরাও করে স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা দেহব্যবসার জন্য ওই বাড়ি ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। খবর পেয়ে পুলিস সেখানে হাজির হয়। বাড়ি থেকে হাসান শেখ নামে এক যুবক ও এক যুবতীকে আটক করা হয়। ওই দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অবশেষে হাসান সহ চারজনকে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে।
Advertisement
ধৃত বাকি তিনজন হল সুলেখা বিবি, সোনিয়া খাতুন ও সৈকত শেখ। সুলেখা ওই বাড়ির মালকিন। সোনিয়া ও সৈকত তাঁর ছেলেমেয়ে। হাসানের বাড়ি নওদায়। সেখান থেকে এক যুবতীকে নিয়ে উত্তরপাড়া মোড়ের ওই বাড়িতে উঠেছিল সে।
বহরমপুর থানার এক আধিকারিক বলেন, যে যুবতীকে ওখানে নিয়ে আসা হয়েছিল, তিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন। আমরা মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছি। ওই বাড়ির তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে অভিযুক্ত যুবককেও আমরা গ্রেপ্তার করেছি। জোর করে অবৈধ কাজ করানোর অভিযোগ সহ একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে। আর কোথাও এধরনের অবৈধ কারবার হচ্ছে কিনা, তার খোঁজ চলছে। অভিযোগ, পরিচয় গোপন করে কয়েকঘণ্টার জন্য সুলেখার বাড়িতে ঘরভাড়া নিয়েছিল হাসান। সেসময় স্থানীয়রা বাড়ি ঘিরে ফেলেন। এই ঘটনায় এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রায়দিনই বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেমেয়েরা এসে এই বাড়িতে ঢোকে। সেখানে নিয়মিত টাকা নিয়ে মধুচক্র চালানো হয়। তাই এদিন দু’জনকে ঢুকতে দেখে তাঁরা বিক্ষোভ দেখান। পুলিস এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, আগে এখানে মহিলা রেখে দেহব্যবসা করানো হতো। আমরা আপত্তি জানানোয় সেটা বন্ধ হয়েছে। তবে এখন লাগাতার ঘণ্টা হিসেবে ঘরভাড়া দেওয়া হয়। বাইরে থেকে ছেলেমেয়েরা এসে এখানে মধুচক্রে যোগ দিচ্ছে। এতে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। পুলিস অবিলম্বে ব্যবস্থা নিক। আগামী দিনে এই এলাকায় যাতে কেউ এমন অসামাজিক কাজকর্ম না করতে পারে-সেজন্য পুলিসকে কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে।
বহরমপুর থানার এক আধিকারিক বলেন, যে যুবতীকে ওখানে নিয়ে আসা হয়েছিল, তিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন। আমরা মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছি। ওই বাড়ির তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে অভিযুক্ত যুবককেও আমরা গ্রেপ্তার করেছি। জোর করে অবৈধ কাজ করানোর অভিযোগ সহ একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে। আর কোথাও এধরনের অবৈধ কারবার হচ্ছে কিনা, তার খোঁজ চলছে। অভিযোগ, পরিচয় গোপন করে কয়েকঘণ্টার জন্য সুলেখার বাড়িতে ঘরভাড়া নিয়েছিল হাসান। সেসময় স্থানীয়রা বাড়ি ঘিরে ফেলেন। এই ঘটনায় এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রায়দিনই বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেমেয়েরা এসে এই বাড়িতে ঢোকে। সেখানে নিয়মিত টাকা নিয়ে মধুচক্র চালানো হয়। তাই এদিন দু’জনকে ঢুকতে দেখে তাঁরা বিক্ষোভ দেখান। পুলিস এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, আগে এখানে মহিলা রেখে দেহব্যবসা করানো হতো। আমরা আপত্তি জানানোয় সেটা বন্ধ হয়েছে। তবে এখন লাগাতার ঘণ্টা হিসেবে ঘরভাড়া দেওয়া হয়। বাইরে থেকে ছেলেমেয়েরা এসে এখানে মধুচক্রে যোগ দিচ্ছে। এতে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। পুলিস অবিলম্বে ব্যবস্থা নিক। আগামী দিনে এই এলাকায় যাতে কেউ এমন অসামাজিক কাজকর্ম না করতে পারে-সেজন্য পুলিসকে কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে।



