সংবাদদাতা, বহরমপুর: চারচাকা গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হল এক সাইকেল আরোহী যুবকের। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বহরমপুর থানার বাদুদেবখালি এলাকার বহরমপুর-রামনগরঘাট রাজ্য সড়কে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই যুবকের। পেশায় রাজমিস্ত্রি মৃত যুবকের নাম রাধেশ্যাম কোহার(২৪)। বাড়ি বহরমপুর থানার চরমহুলায়। ঘাতক গাড়িটি পুলিস আটক করেছে।
Advertisement
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার কাজ সেরে সাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন রাধেশ্যামবাবু। বাসুদেবখালি এলাকায় একটি চারচাকা গাড়ি তাঁর সাইকেলের পিছনে ধাক্কা মারে। তিনি পড়ে গেলে ওই গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের আত্মীয় হরেকৃষ্ণ সরকার বলেন, রাধেশ্যাম বাড়ির একমাত্র উপার্জনকারী ছিল। দুর্ঘটনার জেরে সংসারটা কার্যত অথৈ জলে পড়ল।
এদিকে দু’দিনের অজানা জ্বরে মৃত্যু হল এক গৃহবধূর। বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় হাসপাতাল থেকে রেফার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তিনি মারা যান। মৃতের নাম বীণারানি সরকার মণ্ডল(৩১)। বাড়ি হরিহরপাড়া থানার নিশ্চিন্তপুর।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে অসুস্থ অবস্থায় বীণাদেবীকে বহরান ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনা হয়। আউটডোরে দেখানো হলে চিকিৎসক তাঁকে ভর্তি করে নেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। মেডিক্যালে যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের স্বামী ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল বলেন, রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার কোনও জীবাণু মেলেনি। দু’দিনের জ্বরে কীভাবে মৃত্যু হল জানি না।
এদিকে দু’দিনের অজানা জ্বরে মৃত্যু হল এক গৃহবধূর। বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় হাসপাতাল থেকে রেফার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তিনি মারা যান। মৃতের নাম বীণারানি সরকার মণ্ডল(৩১)। বাড়ি হরিহরপাড়া থানার নিশ্চিন্তপুর।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে অসুস্থ অবস্থায় বীণাদেবীকে বহরান ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনা হয়। আউটডোরে দেখানো হলে চিকিৎসক তাঁকে ভর্তি করে নেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। মেডিক্যালে যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের স্বামী ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল বলেন, রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার কোনও জীবাণু মেলেনি। দু’দিনের জ্বরে কীভাবে মৃত্যু হল জানি না।



