নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বসন্তে বৃষ্টির ভ্রুকুটিতে বিপর্যস্ত মুর্শিদাবাদের জনজীবন। শনিবার সকালে রোদের দেখা মিললেও বেলা গড়াতেই আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। বহরমপুর সদর শহরে দুপুর ১টা নাগাদ বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতে রাস্তাঘাট পুরো শুনশান হয়ে যায়। হঠাৎ বৃষ্টিতে সমস্যায় পড়েন সাধারণ মানুষ। বেশ কয়েকজন বাইক আরোহী মাথায় প্লাস্টিক বেঁধে যাতায়াত করেন। কেউ কেউ আবার ছাতা নিয়ে রাস্তায় বের হন। এদিন মাধ্যমিকের ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। বৃষ্টির জন্য পরীক্ষা শেষে বিদ্যালয় থেকে পড়ুয়াদের বের হতে সমস্যা হয়। বৃষ্টির পর বিকেলে ঠান্ডার আমেজ অনুভূত হয়।
Advertisement
তবে শনিবার দিনভর আকাশ মেঘলা থাকলেও ডোমকল মহকুমাজুড়ে কোথাও বৃষ্টি হয়নি। জঙ্গিপুর মহকুমাতেও আকাশের মুখ ভার থাকলেও বৃষ্টিপাত হয়নি। কান্দি শহর, খড়গ্রামের বিভিন্ন এলাকা ও বড়ঞা ব্লকের কিছু অংশে সামান্য বৃষ্টি হয়। ভরতপুর-২ ব্লকের পূর্ব বর্ধমান সীমানায় হঠাৎ ঝমঝম করে বৃষ্টি নামে। লালবাগ মহকুমাজুড়ে আকাশ মেঘলা ছিল। নবগ্রাম ও ভগবানগোলা থানার কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি হয়।
বহরমপুরের ব্যবসায়ী সমর হালদার বলেন, দুপুরে বৃষ্টির জেরে দোকানে বেচাকেনা হয়নি। রাস্তাঘাট পুরো শুনশান। সকালের দিকে রোদ থাকলেও হঠাৎ করে যে বৃষ্টি নামবে, তা আমরা ভাবতে পারিনি।
বেলডাঙার বাসিন্দা প্রভাস ঘোষ বলেন, বেলডাঙায় সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। তবে খুব একটা সমস্যা হয়নি। আম এবং বেশ কিছু ফসলের ক্ষতি হবে। তবে যে অস্বস্তিকর গরম পড়েছিল, সেটা থেকে মুক্তি মিলেছে।
বহরমপুরের গোরাবাজারের এক পরীক্ষার্থীর অভিভাবক দীপাঞ্জন ঘোষ বলেন, সকালে যখন ছেলেকে নিয়ে পরীক্ষার হলে এসেছিলাম তখন রোদ ছিল। হঠাৎ করে বৃষ্টি নামবে সেটা বুঝতে পারিনি। পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলেও ছেলেকে নিয়ে যেতে পারছি না। এই বৃষ্টিতে ভিজলে শরীর খারাপ করবে। তাই অপেক্ষা করে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই।
বহরমপুরের ব্যবসায়ী সমর হালদার বলেন, দুপুরে বৃষ্টির জেরে দোকানে বেচাকেনা হয়নি। রাস্তাঘাট পুরো শুনশান। সকালের দিকে রোদ থাকলেও হঠাৎ করে যে বৃষ্টি নামবে, তা আমরা ভাবতে পারিনি।
বেলডাঙার বাসিন্দা প্রভাস ঘোষ বলেন, বেলডাঙায় সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। তবে খুব একটা সমস্যা হয়নি। আম এবং বেশ কিছু ফসলের ক্ষতি হবে। তবে যে অস্বস্তিকর গরম পড়েছিল, সেটা থেকে মুক্তি মিলেছে।
বহরমপুরের গোরাবাজারের এক পরীক্ষার্থীর অভিভাবক দীপাঞ্জন ঘোষ বলেন, সকালে যখন ছেলেকে নিয়ে পরীক্ষার হলে এসেছিলাম তখন রোদ ছিল। হঠাৎ করে বৃষ্টি নামবে সেটা বুঝতে পারিনি। পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলেও ছেলেকে নিয়ে যেতে পারছি না। এই বৃষ্টিতে ভিজলে শরীর খারাপ করবে। তাই অপেক্ষা করে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই।



