সংবাদদাতা, বহরমপুর: বহরমপুর শহরে ট্রাফিক আইন ভাঙার প্রবণতা বাড়তে শুরু করেছে। অনেকেই ছোটবড় গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় ট্রাফিক সিগন্যাল মানছে না। ফলে ছোটখাট দুর্ঘটনাও ঘটছে। পাশাপাশি অধিকাংশ ট্রাফিক সিগন্যালে জেব্রা ক্রসিংয়ের চিহ্ন মুছে গিয়েছে। একইসঙ্গে শহরের রাস্তায় বেপরোয়া গতির বাইকের দাপাদাপি অতিমাত্রায় বেড়েছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, সব ক্ষেত্রেই পুলিসের নজরদারির অভাব রয়েছে। ট্রাফিক সিগন্যাল ভাঙা ও বেপরোয়া গতির বাইক নিয়ন্ত্রণে পুলিস কার্যত ব্যর্থ হয়ে পড়েছে। যার ফলে বহরমপুর শহরের রাস্তা ক্রমশ দুর্ঘটনা প্রবণ হয়ে উঠেছে। ট্রাফিক পুলিসের এক কর্তা বলেন, সিগন্যাল ভাঙলেই এবার থেকে গাড়ির মালিকের মোবাইল নম্বরে চালান পাঠানো হবে। বেপরোয়া গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করতেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিস সুপার(মুর্শিদাবাদ পিডি) সূর্যপ্রতাপ যাদব এক অনুষ্ঠানে জানান, মুছে যাওয়া সমস্ত জেব্রা ক্রসিংগুলি নতুন করে রং করা হবে।
Advertisement
বহরমপুর শহরে প্রতিদিন গড়ে দেড় লক্ষ মানুষ বাইরে থেকে আসেন। শহরে ১৭ হাজার টোটো চলে। যার ফলে রাস্তা এবং প্রত্যেক ট্রাফিক সিগন্যালে প্রতিদিন যানজট বাড়ছে। গির্জার মোড়, রানিবাগান মোড়, গার্লস স্কুল মোড়, তথ্যদপ্তর মোড়ে বৈদ্যতিন ট্রাফিক সিগন্যাল রয়েছে। কিন্তু এই এলাকাগুলিতেই ট্রাফিক সিগন্যাল ভাঙার প্রবণতা সব থেকে বেশি। অধিকাংশ গাড়ি চালক সবুজ আলো জ্বলার অপেক্ষা করে না। ফলে অনেক সময় সিগন্যাল পার হতে গিয়েই বিপত্তি ঘটছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, অধিকাংশ জায়গায় সিভিকদের হাতেই ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব রয়েছে। সঠিক প্রশিক্ষণ না দিয়ে তাঁদের হাতে দায়িত্ব দেওয়ায় সমস্যা তৈরি হচ্ছে। বহু জায়গায় ট্রাফিকের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ব্যস্ত থাকেন। ফলে চালকদের পুলিসের নজর এড়ানো খুবই সহজ হয়।
ট্রাফিক সিগন্যাল না মানার পাশাপাশি শহরে বেপরোয়া গতির বাইকের দাপাদাপি বেড়েছে। ব্যারাক স্কোয়ার চত্বর, স্বর্ণময়ী রোড, মোহন মোড় এবং ভাগীরথীর পাড়ের রাস্তায় বাইকের গতি ও মডিফায়েড সাইলেন্সারের দাপটে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। দুর্ঘটনার পাশাপাশি অশান্তি বাড়ছে। সাধারণ মানুষের দাবি, পুলিসের উদাসীনতায় নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে।
ট্রাফিক সিগন্যাল না মানার পাশাপাশি শহরে বেপরোয়া গতির বাইকের দাপাদাপি বেড়েছে। ব্যারাক স্কোয়ার চত্বর, স্বর্ণময়ী রোড, মোহন মোড় এবং ভাগীরথীর পাড়ের রাস্তায় বাইকের গতি ও মডিফায়েড সাইলেন্সারের দাপটে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। দুর্ঘটনার পাশাপাশি অশান্তি বাড়ছে। সাধারণ মানুষের দাবি, পুলিসের উদাসীনতায় নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে।



