সংবাদদাতা, বহরমপুর: বড়দিনের লম্বা ছুটিতে জেলাজুড়ে শীতের বনভোজন পর্ব চলছে। বছরের শেষ লগ্নে বিভিন্ন পিকনিক স্পটে বনভোজনের সঙ্গেই গলা ভিজিয়ে হই-হুল্লোড়ে মাতছেন সুরাপ্রেমীরা। মুর্শিদাবাদ পুলিস জেলার বহরমপুর আবগারি দপ্তর সূত্রে খবর, গত সাতদিনে ১০ কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে। এই কদিন বহরমপুর সদর মহকুমায় মদের চাহিদা সব থেকে বেশি ছিল। জঙ্গিপুর পুলিস জেলার আবগারি দপ্তরের অধীনে রয়েছে লালবাগ মহকুমা। জেলার অন্যতম পিকনিক স্পট হিসেবে পরিচিত নবাবের তালুকে মদ বিক্রি বাকিদের টেক্কা দিয়েছে। তবে আবগারি দপ্তরের আধিকারিকদের দাবি, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বড়দিনের ছুটিতে মদ বিক্রির পরিমাণ অনেক কম। তবে বছরের শেষদিন ও নতুন বছরের শুরুর দিন বিক্রি বাড়তে পারে।
Advertisement
বহরমপুর আবগারি দপ্তরের অধীনে ১৩২টি লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকান রয়েছে। বহরমপুর সদর মহকুমায় ৪২টি মদের দোকান রয়েছে। আবগারি দপ্তর সূত্রে খবর, কোনও উৎসব ছাড়া বহরমপুর আবগারি দপ্তর থেকে দৈনিক দেড় কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়। তুলনায় পিকনিকের মরশুমে মদ বিক্রির পরিমাণ কম বলেই ধরা হচ্ছে। তবে বড় দিনের ছুটিতে শনি ও রবিবার আবগারি দপ্তরের তরফে কোনও দোকানে মদ ইস্যু করা হয়নি। হিসেব মতো পাঁচদিনে ১০ কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে।
শীত পড়তেই বহু লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের ব্যবসায়ী আগে থেকেই স্টক বাড়িয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু, জাঁকিয়ে শীত না পড়ায় সেভাবে বিক্রি হয়নি মদ। ব্যবসায়ী সন্তোষ সাহা বলেন, এবার বড়দিনে জাঁকিয়ে শীত পড়েনি। জাঁকিয়ে শীত পড়লে হইতো মদ বিক্রি পরিমাণ আরও বাড়ত।
শীত পড়তেই বহু লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের ব্যবসায়ী আগে থেকেই স্টক বাড়িয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু, জাঁকিয়ে শীত না পড়ায় সেভাবে বিক্রি হয়নি মদ। ব্যবসায়ী সন্তোষ সাহা বলেন, এবার বড়দিনে জাঁকিয়ে শীত পড়েনি। জাঁকিয়ে শীত পড়লে হইতো মদ বিক্রি পরিমাণ আরও বাড়ত।



