নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: সিনেমার কায়দায় গোরু পাচারের ছক কষা হয়েছিল। কিন্তু পথদুর্ঘটনার জেরে সেই ছক বানচাল হল। রবিবার ভোরে বড়ঞা থানা এলাকার সুন্দরপুর পঞ্চায়েতে তারাপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে নয়ানজুলিতে উলটে যায় একটি কনটেনার। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে চক্ষু চড়কগাছ পুলিসের। কনটেনারের ভিতরে খড় বিছিয়ে দিয়ে ৩০টির বেশি গোরু বেঁধে রাখা হয়েছিল। তবে দুর্ঘটনায় বেশিরভাগ গোরু মারা গিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, সুন্দরপুরে ফরাক্কা-হলদিয়া বাদশাহী সড়কের কাজ চলছে। রাস্তা উঁচু করার জন্য যে জায়গা থেকে মাটি তোলা হয়েছিল, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেই নয়ানজুলিতে কনটেনারটি পড়ে যায়। জলে পড়ে যাওয়ায় সেটি উদ্ধার করতে পুলিসকে বেশ বেগ পেতে হয়। তবে স্থানীয়রা গাড়ির চালক সহ চারজনকে উদ্ধার করেন। পুলিস তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। বহুদিন পর এভাবে লুকিয়ে গোরু পাচারের ঘটনা ধরা পড়ল। এতে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিস জানতে পেরেছে, ওই কনটেনারটি নাগাল্যান্ডের।
এক পুলিস আধিকারিক বলেন, গাড়িতে যারা ছিল, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি, বিহারের দিক থেকে কনটেনার বোঝাই করে গোরু আনা হচ্ছিল। কিন্তু সেই গোরু কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেটা জানা যায়নি। ধৃতরা দাবি করছে, তারা হাটে গোরু বিক্রি করতে নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু বিকেল অবধি তারা কোনও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। আমরা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি। যে ব্যক্তি এই গোরু পাঠাচ্ছিল, তাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। এই গোরুর কোনও বৈধ কাগজপত্র থাকলে তা আনতে বলা হয়েছে।
এদিন দুর্ঘটনার পর কয়েকটি গোরুকে হাত-পা ভাঙা অবস্থায় উদ্ধার করেন গ্রামের বাসিন্দারা। বিকেল অবধি পুলিস কনটেনারটি ও বাকি গোরু উদ্ধারে ব্যস্ত থাকে।
স্থানীয় এক যুবক বলেন, ওই কনটেনারের ভিতরের দিকে খুব সুন্দরভাবে খড় বিছিয়ে রাখা হয়েছিল। যাতে রাস্তায় ঝাঁকুনিতে গোরু জখম না হয়। রাস্তায় খোলা ট্রাকে গোরু নিয়ে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। সম্ভবত সেকারণেই এই কায়দায় গোরু নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে পুলিস মনে করছে।
এক পুলিস আধিকারিক বলেন, গাড়িতে যারা ছিল, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি, বিহারের দিক থেকে কনটেনার বোঝাই করে গোরু আনা হচ্ছিল। কিন্তু সেই গোরু কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেটা জানা যায়নি। ধৃতরা দাবি করছে, তারা হাটে গোরু বিক্রি করতে নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু বিকেল অবধি তারা কোনও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। আমরা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি। যে ব্যক্তি এই গোরু পাঠাচ্ছিল, তাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। এই গোরুর কোনও বৈধ কাগজপত্র থাকলে তা আনতে বলা হয়েছে।
এদিন দুর্ঘটনার পর কয়েকটি গোরুকে হাত-পা ভাঙা অবস্থায় উদ্ধার করেন গ্রামের বাসিন্দারা। বিকেল অবধি পুলিস কনটেনারটি ও বাকি গোরু উদ্ধারে ব্যস্ত থাকে।
স্থানীয় এক যুবক বলেন, ওই কনটেনারের ভিতরের দিকে খুব সুন্দরভাবে খড় বিছিয়ে রাখা হয়েছিল। যাতে রাস্তায় ঝাঁকুনিতে গোরু জখম না হয়। রাস্তায় খোলা ট্রাকে গোরু নিয়ে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। সম্ভবত সেকারণেই এই কায়দায় গোরু নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে পুলিস মনে করছে।



