সংবাদদাতা, ঘাটাল: ভারী মালবাহী গাড়ি যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করতেই ঘাটাল-মেচোগ্রাম রাস্তায় একমাসে পথদুর্ঘটনা প্রায় ৯০শতাংশের বেশি কমে গিয়েছে। এতে পুলিস ও সাধারণ মানুষ উভয়ই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। ট্রাফিক পুলিসের এক আধিকারিক জানান, বেশিরভাগ সময় মালবাহী গাড়িই দুর্ঘটনাগ্রস্ত হতো। জানুয়ারির শুরু থেকেই ওই রাস্তায় ভারী গাড়ি চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। সেজন্য দুর্ঘটনাও অনেকটা কমেছে।
Advertisement
ছয়মাস আগে মুম্বই রোড তথা ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের মেচোগ্রাম-ঘাটাল পর্যন্ত ৩০ কিমি অংশ সম্প্রসারিত করা হয়। এই মহকুমায় রেল যোগাযোগ না থাকায় এমনিতেই ওই রাস্তা দিয়ে প্রচুর গাড়ি চলাচল করত। রাস্তাটি সংস্কারের পর সেখানে মালবাহী গাড়ির সংখ্যা বেড়ে যায়। ঘাটাল মহকুমা বাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক মোহন বাগ বলেন, ওই রাস্তায় যাত্রীবাহী বাসের সংখ্যা একই রয়েছে। কিন্তু রাস্তাটি চওড়া ও মসৃণ হওয়ায় এবং মেদিনীপুর শহরের মোহনপুর সেতু দিয়ে ভারী গাড়ি যাতায়াত নিষিদ্ধ হওয়ায় ওই রাস্তায় মালবাহী গাড়ি চলাচল বেড়ে গিয়েছিল। ফলে দুর্ঘটনা বেড়ে যায়।
ওই ৩০ কিমি রাস্তায় অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসে প্রায়দিনই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই তিনমাসে ওই রাস্তায় দুর্ঘটনায় ১৪জন প্রাণ হারিয়েছেন। ৩০জনের বেশি জখম হয়েছেন।
ওই রাস্তার উপর খুকুরদহ সেতুটি খুব দুর্বল। সেজন্যই জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে ওই সেতুর উপর দিয়ে ভারী গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়। ৩০ ডিসেম্বর পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদেরি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেখান দিয়ে ২৬.২ মেট্রিক টনের বেশি ভারী গাড়ি যাতায়াত নিষিদ্ধ করেছেন। ফলে জানুয়ারি থেকে সেখানে আর লরির সারি সারি লাইন দেখা যায় না।
ঘাটাল মহকুমার বাসিন্দারা জানান, যেদিন থেকে ভারী লরি চলাচল বন্ধ হয়েছে, সেদিন থেকে ওই রাস্তার উপর সে অর্থে কোনও দুর্ঘটনাই ঘটেনি। জানুয়ারি মাসে ওই রাস্তায় দুর্ঘটনায় কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। পাঁচ-সাতজন অল্পবিস্তর জখম হয়েছেন। পুলিস জানিয়েছে, গতবছরের শেষ তিন মাসে বেশিরভাগ দুর্ঘটনাই রাতে হতো। প্রতিটি বড় দুর্ঘটনাতেই লরির ভূমিকা চোখে পড়ছিল। দুর্ঘটনা কমে যাওয়ায় স্বস্তিতে মহকুমার বাসিন্দারা।
জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নির্মল ঘোষ বলেন, খুকুরদহ সেতু দিয়ে যাতে ভারী গাড়ি যেতে না পারে, সেজন্য কেশপুরের পুরনো বাসস্ট্যান্ড, চন্দ্রকোণা শহরের গাছশীতলা মোড়, দাসপুরের বকুলতা, চন্দ্রকোণার নেকড়বাগ ও মেদিনীপুরের ভাদুতলায় ট্রাফিক পুলিস মোতায়েন করা হয়েছে। হুগলি গ্রামীণ বা বাঁকুড়া থেকে হলদিয়া বা হাওড়া-কলকাতায় যেসব গাড়ি যায়, সেগুলি এখন কেশপুর-গাছশীতলা মোড়-ক্ষীরপাইয়ের হালদারদিঘি-রামজীবনপুর হয়ে কামারপুকুর যাচ্ছে। কিছু গাড়ি মেদিনীপুরের ভাদুতলা, পীড়াকাটা, লালগড় হয়ে যাতায়াত করছে।
ওই ৩০ কিমি রাস্তায় অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসে প্রায়দিনই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই তিনমাসে ওই রাস্তায় দুর্ঘটনায় ১৪জন প্রাণ হারিয়েছেন। ৩০জনের বেশি জখম হয়েছেন।
ওই রাস্তার উপর খুকুরদহ সেতুটি খুব দুর্বল। সেজন্যই জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে ওই সেতুর উপর দিয়ে ভারী গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়। ৩০ ডিসেম্বর পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদেরি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেখান দিয়ে ২৬.২ মেট্রিক টনের বেশি ভারী গাড়ি যাতায়াত নিষিদ্ধ করেছেন। ফলে জানুয়ারি থেকে সেখানে আর লরির সারি সারি লাইন দেখা যায় না।
ঘাটাল মহকুমার বাসিন্দারা জানান, যেদিন থেকে ভারী লরি চলাচল বন্ধ হয়েছে, সেদিন থেকে ওই রাস্তার উপর সে অর্থে কোনও দুর্ঘটনাই ঘটেনি। জানুয়ারি মাসে ওই রাস্তায় দুর্ঘটনায় কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। পাঁচ-সাতজন অল্পবিস্তর জখম হয়েছেন। পুলিস জানিয়েছে, গতবছরের শেষ তিন মাসে বেশিরভাগ দুর্ঘটনাই রাতে হতো। প্রতিটি বড় দুর্ঘটনাতেই লরির ভূমিকা চোখে পড়ছিল। দুর্ঘটনা কমে যাওয়ায় স্বস্তিতে মহকুমার বাসিন্দারা।
জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নির্মল ঘোষ বলেন, খুকুরদহ সেতু দিয়ে যাতে ভারী গাড়ি যেতে না পারে, সেজন্য কেশপুরের পুরনো বাসস্ট্যান্ড, চন্দ্রকোণা শহরের গাছশীতলা মোড়, দাসপুরের বকুলতা, চন্দ্রকোণার নেকড়বাগ ও মেদিনীপুরের ভাদুতলায় ট্রাফিক পুলিস মোতায়েন করা হয়েছে। হুগলি গ্রামীণ বা বাঁকুড়া থেকে হলদিয়া বা হাওড়া-কলকাতায় যেসব গাড়ি যায়, সেগুলি এখন কেশপুর-গাছশীতলা মোড়-ক্ষীরপাইয়ের হালদারদিঘি-রামজীবনপুর হয়ে কামারপুকুর যাচ্ছে। কিছু গাড়ি মেদিনীপুরের ভাদুতলা, পীড়াকাটা, লালগড় হয়ে যাতায়াত করছে।



