নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: বাড়ি ফেরার আগে মায়ের ওষুধ কিনতে গিয়েছিলেন ব্যবসায়ী বিকাশ গরাই। ভরা বাজারের মধ্যে দোকান। স্কুটিটি রেখে দোকানে ঢুকেছিলেন। দূরত্ব মাত্র তিন হাত। সময়ের ব্যবধান মাত্র এক মিনিট। এরমধ্যেই স্কুটির ডিকি খুলে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা নিয়ে উধাও দুষ্কৃতীরা। বুধবার দুপুরের ঘটনা। ঘটনাস্থল দুর্গাপুরের বেনাচিতি বাজার। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ব্যবসায়ী থানার দ্বারস্থ হতে বিষয়টি জানাজানি হয়।
Advertisement
দুষ্কৃতীদের এহেন কাণ্ডে তাজ্জব পুলিস। অনেকেই বলছেন, বাজ পাখির ক্ষিপ্রতাকেও হার মানিয়েছে সে। মিনিট খানেকের মধ্যে মাস্টার কি দিয়ে ডিকি খুলে এত পরিমাণ টাকা নিয়ে চম্পট দেওয়া চাট্টিখানি কথা নয়। নিখুঁত পরিকল্পনা করেই কাজ হাসিল করেছে দুষ্কৃতীরা। একাধিক সিসিক্যামেরা ফুটেজ খতিয়ে দেখে তাদের চিহ্নিতও করা গিয়েছে বলে পুলিসের দাবি।
এসিপি (দুর্গাপুর) সুবীর রায় বলেন, ‘ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কেপমারি করে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে। সিসিক্যামেরা ফুটেজে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করা গিয়েছে। দুষ্কৃতীরা দুর্গাপুরের না হলেও রাজ্যের অন্য কোথাও থেকে এসেছিল বলে প্রাথমিক অনুমান।’
বুধবার ছিল শিবরাত্রি। দুর্গাপুরের ভিড়িঙ্গি কালীবাড়িতে থিকথিকে ভিড়। মহাদেবের মন্দির দীর্ঘ লাইন মহিলাদের। দামি অলঙ্কার পরে সবার সমাগম। পুলিসের বজ্র আঁটুনি নিরাপত্তা। মন্দিরের অদূরে বড় বেসরকারি ব্যাঙ্ক। দুপুর দু’টো নাগাদ সেই ব্যাঙ্কে ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ৫০০ টাকা তোলেন বিকাশবাবু। একটি কালো ব্যাগে পুরো টাকা ঢুকিয়ে সেটি স্কুটির সিটের নীচে ডিকিতে রাখেন। এরপর ওষুধের দোকানে আসেন। স্কুটিটি রেখে সবে ওষুধ নিতে যাবেন, তখনই তাঁর নজরে পড়ে বছর পঁচিশের এক যুবক কালো ব্যগটি নিয়ে পালাচ্ছে। ধাওয়া করতেই একটি হাইস্পিড বাইকের পিছনে চেপে পড়ে সে। কোনওরকমে স্কুটি নিয়েই তাদের পিছু নেন ব্যবসায়ী। কিন্তু ভিড় বাজারে গতির খেলায় হেরে যান তিনি। ভোকাট্টা হয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।
সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, ব্যাঙ্ক ছেড়ে বিকাশবাবু বেরোনোর সময় উল্টো দিকে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছিল দুষ্কৃতীরা। স্কুটি নিয়ে বেরিয়ে যেতেই তাঁর পিছু নেয় দুই দুষ্কৃতী। বিকাশবাবু ওষুধ নিতে যেতেই এক দুষ্কৃতী বাইক থেকে নেমেই স্কুটি থেকে টাকা লুট করে। ফুটেজ দেখে পুলিস এটাও জানতে পেরেছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই দুষ্কৃতীরা ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের উপর নজর রাখছিল। শিবরাত্রির দিন দুর্গাপুরের মন্দিরগুলিতে ভিড় উপচে পড়েছিল। পুলিসকে বিশেষ বাহিনী মোতায়েত করতে হয়। সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগায় দুষ্কৃতীরা। জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ীর তাড়া খেয়ে দুষ্কৃতীরা বেনাচিতি বাজার হয়ে ভিড়িঙ্গি মোড় পেরিয়ে গান্ধী মোড়ের দিকে চলে যায়। বিকাশবাবু বলেন, আশা করি, পুলিস দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করে টাকা উদ্ধার করবে।
এসিপি (দুর্গাপুর) সুবীর রায় বলেন, ‘ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কেপমারি করে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে। সিসিক্যামেরা ফুটেজে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করা গিয়েছে। দুষ্কৃতীরা দুর্গাপুরের না হলেও রাজ্যের অন্য কোথাও থেকে এসেছিল বলে প্রাথমিক অনুমান।’
বুধবার ছিল শিবরাত্রি। দুর্গাপুরের ভিড়িঙ্গি কালীবাড়িতে থিকথিকে ভিড়। মহাদেবের মন্দির দীর্ঘ লাইন মহিলাদের। দামি অলঙ্কার পরে সবার সমাগম। পুলিসের বজ্র আঁটুনি নিরাপত্তা। মন্দিরের অদূরে বড় বেসরকারি ব্যাঙ্ক। দুপুর দু’টো নাগাদ সেই ব্যাঙ্কে ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ৫০০ টাকা তোলেন বিকাশবাবু। একটি কালো ব্যাগে পুরো টাকা ঢুকিয়ে সেটি স্কুটির সিটের নীচে ডিকিতে রাখেন। এরপর ওষুধের দোকানে আসেন। স্কুটিটি রেখে সবে ওষুধ নিতে যাবেন, তখনই তাঁর নজরে পড়ে বছর পঁচিশের এক যুবক কালো ব্যগটি নিয়ে পালাচ্ছে। ধাওয়া করতেই একটি হাইস্পিড বাইকের পিছনে চেপে পড়ে সে। কোনওরকমে স্কুটি নিয়েই তাদের পিছু নেন ব্যবসায়ী। কিন্তু ভিড় বাজারে গতির খেলায় হেরে যান তিনি। ভোকাট্টা হয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।
সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, ব্যাঙ্ক ছেড়ে বিকাশবাবু বেরোনোর সময় উল্টো দিকে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছিল দুষ্কৃতীরা। স্কুটি নিয়ে বেরিয়ে যেতেই তাঁর পিছু নেয় দুই দুষ্কৃতী। বিকাশবাবু ওষুধ নিতে যেতেই এক দুষ্কৃতী বাইক থেকে নেমেই স্কুটি থেকে টাকা লুট করে। ফুটেজ দেখে পুলিস এটাও জানতে পেরেছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই দুষ্কৃতীরা ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের উপর নজর রাখছিল। শিবরাত্রির দিন দুর্গাপুরের মন্দিরগুলিতে ভিড় উপচে পড়েছিল। পুলিসকে বিশেষ বাহিনী মোতায়েত করতে হয়। সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগায় দুষ্কৃতীরা। জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ীর তাড়া খেয়ে দুষ্কৃতীরা বেনাচিতি বাজার হয়ে ভিড়িঙ্গি মোড় পেরিয়ে গান্ধী মোড়ের দিকে চলে যায়। বিকাশবাবু বলেন, আশা করি, পুলিস দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করে টাকা উদ্ধার করবে।



