নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে বাজি পোড়ানোর প্রতিবাদ করায় চিকিৎসককে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ উঠল। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সম্পত্তিও নষ্ট করা হয়। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত মহিলাকে পাকড়াও করে পুলিসের হাতে তুলে দিলেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরাই। ভূপতিনগর থানার বড়বড়িয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘটনা। শনিবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকেই ওই মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতের নাম আশালতা পণ্ডিত। বড়বড়িয়া গ্রামেই তার বাড়ি। রবিবার ধৃতকে কাঁথি এসিজেএম আদালতে তোলা হলে বিচারক জামিন খারিজ করে তিনদিন জেল হেফাজতে পাঠিয়েছেন।
Advertisement
জানা গিয়েছে, শুক্রবার বড়বড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা দেবাশিস পণ্ডিত ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডাক্তার দেখাতে এসেছিলেন। তিনি ধৃত আশালতা পণ্ডিতের স্বামী। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বাবার সঙ্গে তাঁর ১২বছরের ছেলেও এসেছিল। ওই বালক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসে পরপর বাজি ফাটাচ্ছিল। এনিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিবেশ্বর সাহা তাকে নিষেধ করেন। তা সত্ত্বেও ওই বালক ফের বাজি ফাটায়। এরপর ক্ষুব্ধ চিকিৎসক ওই বালকের হাত থেকে বাজির প্যাকেট ছিনিয়ে নিজের টেবিলে রাখেন। ওই ঘটনার পরই ওই বালক কান্নাকাটি শুরু করে। তা দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়েন দেবাশিস। তিনি চিকিৎসকের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে ফাইলপত্র টেনে ফেলে দেন। কম্পিউটার, সিলিং ফ্যান টানাটানি করে নষ্ট করে দেওয়ার হুমকি দেন। ওই চিকিৎসকের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। ওই অবস্থায় বাবা-ছেলে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছাড়ার মুহূর্তে চিকিৎসককে লক্ষ্য করে একটি বড় ইটের টুকরো ছোঁড়া হয়। সেটি এক রোগীর গায়ে লাগে।
শনিবার ওই বালকের মা আশালতা পণ্ডিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চড়াও হয়। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জিনিসপত্র ওলটপালট করে ডাক্তারের উপর চড়াও হয়। শনিবার বড়বড়িয়ায় হাট বসে। ওই এলাকায় প্রচুর লোকজন জড়ো হয়েছিলেন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এভাবে ওই মহিলার তাণ্ডব দেখে তাঁরা জোট বেঁধে প্রতিবাদ করেন। বড়বড়িয়ার মতো প্রান্তিক এলাকায় ডাক্তাররা সাধারণত থাকতে চান না। সেখানকার একমাত্র মেডিক্যাল অফিসার শিবেশ্বরবাবু। ডাক্তারের উপর ওই মহিলা চড়াও হতেই গ্রামবাসীরা প্রতিবাদে ফেটে পড়েন। তাঁরা ওই মহিলাকে পাকড়াও করে পুলিসের হাতে তুলে দেন।
পুলিস জানিয়েছে, এক মাস আগেও আশালতা গ্রেপ্তার হয়েছিল। ৭৫বছর বয়সি শাশুড়িকে শারীরিক নিগ্রহ করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এলাকায় ঝগড়ুটে মহিলা হিসেবে পরিচিত। চিকিৎসক শিবেশ্বরবাবু বলেন, ওই নাবালক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে পর পর বাজি ফাটাচ্ছিল। বারবার নিষেধ করার পরও কথা না শোনায় বাজির প্যাকেট নিয়ে টেবিলে রেখেছিলাম। সেজন্য আমাকে হেনস্তা করা হয়। শুক্রবারের পর শনিবার ওই নাবালকের মা এসে একপ্রকার তাণ্ডব চালায়। বাধ্য হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করি। তার ভিত্তিতে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার ওই বালকের মা আশালতা পণ্ডিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চড়াও হয়। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জিনিসপত্র ওলটপালট করে ডাক্তারের উপর চড়াও হয়। শনিবার বড়বড়িয়ায় হাট বসে। ওই এলাকায় প্রচুর লোকজন জড়ো হয়েছিলেন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এভাবে ওই মহিলার তাণ্ডব দেখে তাঁরা জোট বেঁধে প্রতিবাদ করেন। বড়বড়িয়ার মতো প্রান্তিক এলাকায় ডাক্তাররা সাধারণত থাকতে চান না। সেখানকার একমাত্র মেডিক্যাল অফিসার শিবেশ্বরবাবু। ডাক্তারের উপর ওই মহিলা চড়াও হতেই গ্রামবাসীরা প্রতিবাদে ফেটে পড়েন। তাঁরা ওই মহিলাকে পাকড়াও করে পুলিসের হাতে তুলে দেন।
পুলিস জানিয়েছে, এক মাস আগেও আশালতা গ্রেপ্তার হয়েছিল। ৭৫বছর বয়সি শাশুড়িকে শারীরিক নিগ্রহ করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এলাকায় ঝগড়ুটে মহিলা হিসেবে পরিচিত। চিকিৎসক শিবেশ্বরবাবু বলেন, ওই নাবালক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে পর পর বাজি ফাটাচ্ছিল। বারবার নিষেধ করার পরও কথা না শোনায় বাজির প্যাকেট নিয়ে টেবিলে রেখেছিলাম। সেজন্য আমাকে হেনস্তা করা হয়। শুক্রবারের পর শনিবার ওই নাবালকের মা এসে একপ্রকার তাণ্ডব চালায়। বাধ্য হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করি। তার ভিত্তিতে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে।



