সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: বেশি রোজগারের আশায় সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ ছেড়ে কেরলে শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিলেন ধূপগুড়ির ঝাড় আলাতাগ্রাম-১ পঞ্চায়েতের লক্ষ্মীকান্ত চা বাগানের বাসিন্দা সুরেন্দ্র কুজুর। ভিনরাজ্যে কাজ করা অবস্থায় অসুস্থতাজনিত কারণে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয় গত বৃহস্পতিবার। রবিবার দেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছয়। শোকের ছায়া নেমে আসে ধূপগুড়িতে ঝাড় আলতাগ্রামে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ছত্রিশের সুরেন্দ্র ধূপগুড়ি থানায় সিভিক ভলান্টিয়ার ছিলেন। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে কর্মস্থলে না জানিয়ে হঠাৎ করে কেরলে শ্রমিকের কাজ করতে চলে যান। তাঁর পরিবারের দাবি, সিভিকের কাজ করে ঠিকমতো সংসার চলছিল না। তাই ভিনরাজ্যে কাজে গিয়েছিলেন। গত বৃহস্পতিবার কাজ করার সময় হঠাৎই সুরেন্দ্র অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাঁকে এরনাকুলামের একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনও পরিবারের সদস্যরা ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছেন।
সুরেন্দ্রর জ্যেঠু জন কুজুর বলেন, সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ করত ভাইপো। কিন্তু ওই বেতনে ওর সংসার চলেছিল না। তাই কেরলে শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিল। সেখানে ও রাজমিস্ত্রির কাজ করত। তবে কীভাবে মারা গিয়েছে তা আমরা এখন স্পষ্টভাবে জানি না। রবিবার মৃতদেহ গ্রামে পৌঁছয়।
সুরেন্দ্রর জ্যেঠু জন কুজুর বলেন, সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ করত ভাইপো। কিন্তু ওই বেতনে ওর সংসার চলেছিল না। তাই কেরলে শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিল। সেখানে ও রাজমিস্ত্রির কাজ করত। তবে কীভাবে মারা গিয়েছে তা আমরা এখন স্পষ্টভাবে জানি না। রবিবার মৃতদেহ গ্রামে পৌঁছয়।



