সংবাদদাতা, মানিকচক: ভূতনিতে ভাঙন রোধের কাজ থমকে। শুখা মরশুম চললেও এখন পর্যন্ত স্থায়ীভাবে ভাঙন আটকাতে কাজ শুরু হয়নি বলে ফুঁসছেন ভূতনির বাসিন্দারা। দ্রুত কাজ না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। এদিকে কাজ শুরু না হওয়ায় কেন্দ্র ও রাজ্যকে বিঁধেছে বাম নেতৃত্ব। যদিও বামেদের পাত্তা দিতে নারাজ সেচ প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার ফলে দেরি হচ্ছে।
Advertisement
মানিকচকের তিনটি পঞ্চায়েত নিয়ে ভূতনি চর। কয়েক মাস আগে তিন দফায় বন্যায় প্রায় দু’মাসের বেশি সময় জেরবার ছিলেন লক্ষাধিক বাসিন্দা। বেশকিছু মানুষের প্রাণও গিয়েছে। নষ্ট হয়েছে হাজার হাজার বিঘা জমির ফসল। ভেঙেছে অনেক বাড়িঘর, রাস্তা। এখন গঙ্গার জল নেমে যাওয়ায় স্বাভাবিক রয়েছে পরিস্থিতি। তবে বন্যার ক্ষতচিহ্ন রয়ে গিয়েছে ভূতনি জুড়ে। গঙ্গার ধারে কালুটোনটোলার দু’টি জায়গায় কয়েকশ মিটার নদী বাঁধ ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। কোশি নদী সংলগ্ন এলাকা একেবারে উন্মুক্ত। রাজকুমারটোলাতেও একই অবস্থা। বন্যার পর সেচদপ্তরের আধিকারিকরা এলাকা পরিদর্শন করলেও কাজ শুরু করেননি। এনিয়ে ফুঁসছেন বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা সতীশ মাহাত বলেন, জানি না কী কারণে এখনও কাজ শুরু হয়নি। রাজ্য ও কেন্দ্র যেই করুক, কাজ যেন দ্রুত শুরু হয়। না হলে আবার আমাদের বন্যার সম্মুখীন হতে হবে। শুখা মরশুমে কাজ না করলে বর্ষার সময় করতে দেব না। প্রয়োজনে আন্দোলনে নামব। কালুটোনটোলার এক বধূ ঝাঁকসি মাহাত বলেন, একেবারে নদীর সামনে বাস করছি। কোনও বাঁধ নেই। বর্ষায় ফের বন্যা হলে কোথায় যাব, ঠিক নেই। কেউ কথা রাখেনি বলে এখনও কাজ শুরু হয়নি। মালদহ জেলা বামফ্রন্ট নেতা দেবজ্যোতি সিনহা বলেন, দুই সরকারের কাজ করার ইচ্ছে নেই। বর্ষার আগে কাজ শুরু করে লুটতরাজ চালাবে। অবিলম্বে ভাঙন আটকানোর কাজ না শুরু হলে জেলা সেচদপ্তর ঘেরাও করব। সেচ প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, কেন্দ্র দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছে। আমরা ইতিমধ্যে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। অনেক টাকার দরকার। কেন্দ্র এগিয়ে এলে দ্রুত ভাঙন রোধের কাজ হবে। আমরা কাজ করব, আর কেন্দ্র বসে আইসক্রিম খাবে, তা তো হয় না। এপ্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, রাজ্য সরকারের কাজের সদিচ্ছা নেই। কেন্দ্রকে ভাঙন রোধের কাজের জন্য আবেদন জানালেই হবে। কিন্তু রাজ্য সেটা করবে না। আমরা ইতিমধ্যে বিষয়টি কেন্দ্রের কাছে তুলে ধরেছি।
স্থানীয় বাসিন্দা সতীশ মাহাত বলেন, জানি না কী কারণে এখনও কাজ শুরু হয়নি। রাজ্য ও কেন্দ্র যেই করুক, কাজ যেন দ্রুত শুরু হয়। না হলে আবার আমাদের বন্যার সম্মুখীন হতে হবে। শুখা মরশুমে কাজ না করলে বর্ষার সময় করতে দেব না। প্রয়োজনে আন্দোলনে নামব। কালুটোনটোলার এক বধূ ঝাঁকসি মাহাত বলেন, একেবারে নদীর সামনে বাস করছি। কোনও বাঁধ নেই। বর্ষায় ফের বন্যা হলে কোথায় যাব, ঠিক নেই। কেউ কথা রাখেনি বলে এখনও কাজ শুরু হয়নি। মালদহ জেলা বামফ্রন্ট নেতা দেবজ্যোতি সিনহা বলেন, দুই সরকারের কাজ করার ইচ্ছে নেই। বর্ষার আগে কাজ শুরু করে লুটতরাজ চালাবে। অবিলম্বে ভাঙন আটকানোর কাজ না শুরু হলে জেলা সেচদপ্তর ঘেরাও করব। সেচ প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, কেন্দ্র দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছে। আমরা ইতিমধ্যে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। অনেক টাকার দরকার। কেন্দ্র এগিয়ে এলে দ্রুত ভাঙন রোধের কাজ হবে। আমরা কাজ করব, আর কেন্দ্র বসে আইসক্রিম খাবে, তা তো হয় না। এপ্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, রাজ্য সরকারের কাজের সদিচ্ছা নেই। কেন্দ্রকে ভাঙন রোধের কাজের জন্য আবেদন জানালেই হবে। কিন্তু রাজ্য সেটা করবে না। আমরা ইতিমধ্যে বিষয়টি কেন্দ্রের কাছে তুলে ধরেছি।



