ঢাকা, ৭ ফেব্রুয়ারি: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও গণ অভ্যুথানের জেরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছেন শেখ হাসিনা। গত বছরের আগস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েই দেশ ছাড়েন মুজিবকন্যা। দেশের পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠায় এমনই সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তারপরই তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকেই মাঝে মাঝেই বিক্ষোভ দেখা যাচ্ছে পদ্মাপারে। কিন্তু গত দু’দিন আগে বাংলাদেশে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, তা এখন তাণ্ডবে পরিণত হয়েছে। ধানমুন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং পরে তা বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া। পাশাপাশি শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের বাড়িতেও অগ্নিসংযোগ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থী এবং বিএনপি নেতা-কর্মীরা। এমনটাই অভিযোগ।
Advertisement
গোটা বাংলাদেশজুড়ে আওয়ামি লিগের একাধিক কার্যালয় পুড়িয়ে এবং গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বরিশাল, পাবনা, যশোর, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ সর্বত্র কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল। আওয়ামি লিগের নেতা-প্রাক্তন মন্ত্রী, সাংসদদের বাড়িতে ভাঙচুর ও আগুন লাগানো হচ্ছে। নতুন করে বাংলাদেশ অশান্ত হওয়ার জন্য শেখ হাসিনাকেই দায়ী করেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। যদিও বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখনও পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আনতেই পারেনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ৩০০টির বেশি স্থানে হামলার ঘটনা সামনে এসেছে।
এই পরিস্থিতিতে একটি বিবৃতি জারি করেছেন বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। গতকাল, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার পেজ থেকে বিবৃতি জারি করে বলা হয়, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে, কতিপয় ব্যক্তি এবং গোষ্ঠী দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালানো এবং অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড সরকার শক্ত হাতে প্রতিহত করবে। বাংলাদেশের নাগরিকদের প্রাণ এবং সম্পত্তি রক্ষায় প্রস্তুত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। উস্কানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে দেশকে অস্থির করে তোলার চেষ্টা হলে তার জন্য দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে আইনশৃঙ্খলারক্ষী বাহিনী। এমনকী দোষীদের বিচারপ্রক্রিয়ার মুখোমুখিও দাঁড় করানো হবে।’ তবে এই বিবৃতি জারি করেই ক্ষান্ত ইউনুস। বাস্তবে বাংলাদেশে তাণ্ডব চলছেই। সেই ছবি-ভিডিও ঘুরছে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সংবাদমাধ্যমে।
এই পরিস্থিতিতে একটি বিবৃতি জারি করেছেন বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। গতকাল, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার পেজ থেকে বিবৃতি জারি করে বলা হয়, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে, কতিপয় ব্যক্তি এবং গোষ্ঠী দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালানো এবং অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড সরকার শক্ত হাতে প্রতিহত করবে। বাংলাদেশের নাগরিকদের প্রাণ এবং সম্পত্তি রক্ষায় প্রস্তুত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। উস্কানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে দেশকে অস্থির করে তোলার চেষ্টা হলে তার জন্য দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে আইনশৃঙ্খলারক্ষী বাহিনী। এমনকী দোষীদের বিচারপ্রক্রিয়ার মুখোমুখিও দাঁড় করানো হবে।’ তবে এই বিবৃতি জারি করেই ক্ষান্ত ইউনুস। বাস্তবে বাংলাদেশে তাণ্ডব চলছেই। সেই ছবি-ভিডিও ঘুরছে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সংবাদমাধ্যমে।



