Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভেঙেছে হিংলো নদীর কালভার্ট, বাঁশের সাঁকোতে ঝুঁকির পারাপার

ভেঙেছে হিংলো নদীর কালভার্ট, বাঁশের সাঁকোতে ঝুঁকির পারাপার
  • ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, সাঁইথিয়া: এবছর অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে মাস চারেক আগে ভেঙেছে হিংলো নদীর সংযোগ স্থলের কাছে কান্দরের কালভার্ট। বছর শেষ হতে গেলেও আজও তা সংস্কার হয়নি। বাধ্য হয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়েই চলছে ঝুঁকির পারাপার। পঞ্চায়েত থেকে ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েও মেলেনি কোনও সুরাহা। যা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন বাসিন্দারা।
Advertisement
দুবরাজপুর ব্লকের লোবা গ্রাম পঞ্চায়েতের জোপলাই গ্রাম থেকে দেবীপুর চর যেতে হলে হিংলো নদী পার হয়ে যেতে হয়। গত সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে ভেঙে যায় হিংলো নদীর কাছে থাকা একটি কালভার্ট। দেবীপুর চর থেকে দুবরাজপুর আসার একমাত্র রাস্তা এটি। যা ভেঙে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন গ্রামের কয়েকশো মানুষ। বিগত সেপ্টেম্বর মাস থেকে প্রায় চারমাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত ব্লক প্রশাসন বা পঞ্চায়েতের তরফে কালভার্টটি পুরোপুরি সারানোর কোনও ব্যবস্থাই করা হয়নি। বরং ভাঙা কালভার্টের উপর দিয়েই একটি সাঁকো তৈরি করে দেওয়া হয় পঞ্চায়েতের তরফে। যা দিয়েই কার্যত পারাপার করতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। এ বিষয়ে ব্লক প্রশাসনের উদাসীনতাকে দায়ি করেছেন এলাকাবাসী। তপন বাড়ুই, উজ্জ্বল ভট্টাচার্যরা বলেন, দেবীপুর চরের বাসিন্দারা মূলত চাষের উপর নির্ভরশীল। তাই প্রতিদিন সকালে শাক-সব্জি নিয়ে দুবরাজপুরে যেতে হয়। কালভার্ট ভেঙে যাওয়ার ফলে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি আমরা। আমাদের বাধ্য হয়েই বাঁশের সাঁকো পার হয়ে দুবরাজপুরের ব্লক, থানা, গ্রামীণ হাসপাতাল, বাজার, কলেজে যাতায়াত করতে হয়। সকালে কোনওমতে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করি কিন্তু সন্ধ্যা নামলেই আলো ছাড়া সেই বাঁশের সেতু পারাপার করা যায় না। খুবই ঝুঁকিপূর্ণভাবে সেই সেতু পারাপার করতে হয়। বড় গাড়ি গ্রামে আসে না। হঠাৎ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে আমাদের দুর্ভোগ আরও বাড়ে। যদিও কালভার্ট ভালো থাকাকালীন মাঝেমধ্যে গাড়ি পারাপার করত। কিন্তু ভেঙে যাওয়ায় তাও বন্ধ হয়ে গেছে। এ বিষয়ে দুবরাজপুর ব্লকের বিডিও রাজা আদক বলেন, আমরা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে সেখানে গিয়েছিলাম। তখন জল বেশি থাকায় কাজ করা সম্ভব হয়নি। এখন জল কমে গিয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব সংস্কারের কাজ করার চেষ্টা করছি। দেবীপুর চর এলাকায় যাঁরা বসবাস করছেন তাঁদের যাতে কোনও ক্ষতি না হয় সে ব্যাপারে আমরা নজর রাখছি।
সম্পর্কিত সংবাদ