Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভেঙে দেওয়া হল তৃণমূল পরিচালিত ভরতপুর পঞ্চায়েতের ৪টি উপসমিতি

ভেঙে দেওয়া হল তৃণমূল পরিচালিত ভরতপুর পঞ্চায়েতের ৪টি উপসমিতি
  • ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, কান্দি: তৃণমূল পরিচালিত ভরতপুর ১ ব্লকের ভরতপুর পঞ্চায়েতের চারটি উপসমিতি বৃহস্পতিবার ভেঙে দেওয়া হল। প্রায় ১৬ দিন আগে ওই পঞ্চায়েতে চারটি উপসমিতির বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিলেন পঞ্চায়েতের ১৭ জন সদস্য। সেই অনাস্থার শুনানি গ্রহণ করা হয় গত ১৬ ডিসেম্বর। এরপর এদিন আস্থা অর্জনের দিনে উপসমিতির চারজন সঞ্চালক সহ অধিকাংশ সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন। এবিষয়ে ভরতপুর ১ জয়েন্ট বিডিও সুবীর হাজরা বলেন, পঞ্চায়েতের সঞ্চালকদের যে বডি ছিল, সেটি আজকে ভেঙে দেওয়া হল। মোট ১৭ জন সদস্য হাজির ছিলেন। পরবর্তীতে নোটিস দিয়ে উপ সমিতির ফের নতুন বডি গঠন হবে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর ওই পঞ্চায়েতের মোট ২৮টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস ১৫ ও সিপিএম দু’টি আসন পেয়ে জোট করে বোর্ড গঠন করে। পঞ্চায়েত প্রধান নির্বাচিত হন কংগ্রেসের অনিতা মণ্ডল। অপরদিকে তৃণমূল পেয়েছিল ১১টি আসন। যদিও পঞ্চায়েতের সকল কংগ্রেস ও সিপিএম সদস্যরা পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দেন তৃণমূলের ভরতপুর বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের হাত ধরে। সেই হিসেবে ওই পঞ্চায়েতের সকল সদস্য তৃণমূলের হয়ে যান।
এরপর গত ১০ ডিসেম্বর পঞ্চায়েতের ১৭ জন সদস্য চারটি উপসমিতির বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন। ওই উপসমিতিগুলি হল, শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য, কৃষি ও প্রাণী সম্পদ বিকাশ, শিল্প ও পরিকাঠামো এবং শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ।
এবিষয়ে পঞ্চায়েতের বিদায়ী শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সঞ্চালক উজ্জ্বল শেখ বলেন, আইনি পরামর্শদাতাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে, এই আস্থা অর্জনের দিনক্ষণ পুরো অবৈধভাবে করা হয়েছে। এটি আটদিনের মাথায় করা হয়েছে। অথচ নিয়ম হল সরকারি ছুটি বাদ দিয়ে ন্যূনতম ১৪ দিনের মাথায় করতে হয়। এই নিয়ম মানা হয়নি বলেই আমরা আস্থা অর্জনে অংশ নিইনি। পরবর্তীতে আইনি মাধ্যমেই লড়াই হবে। আসলে আমরা বিধায়ক হুমায়ুন কবীর অনুগামী বলেই উপসমিতি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যদিও তৃণমূলের ভরতপুর ১ ব্লক সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, বিদায়ী উপসমিতির অবহেলার কারণে এলাকায় উন্নয়ন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এমনকী পঞ্চায়েত থেকে উন্নয়নের টাকাও ফেরত গিয়েছে। তাই যে যাঁরই অনুগামী হন না কেন, কাজ না করলে তাঁকে পদে রাখা যাবে না।
সম্পর্কিত সংবাদ