Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভূমিসংস্কার দপ্তরের কাজে স্বচ্ছতা আনতে নির্দেশ

ভূমিসংস্কার দপ্তরের কাজে স্বচ্ছতা আনতে নির্দেশ
  • ২ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: ভূমিসংস্কার দপ্তরের কাজে স্বচ্ছতা ও গতি আনতে নির্দেশ দিলেন নদীয়ার জেলাশাসক। সম্প্রতি বিভিন্ন ব্লকের বিএলএলআরও’দের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ আসছিল। সূত্রের খবর, সেকারণে জেলাশাসক ব্লক ও মহকুমার ভূমি সংস্কার আধিকারিকদের ধমক দিয়েছেন। সরকারি কাজে অনিয়ম একেবারেই বরদাস্ত করা হবে না, সেটাও পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
Advertisement
শনিবার জেলাশাসকের অফিসে এনিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের পাশাপাশি মহকুমা ও ব্লক প্রশাসনের ভূমিসংস্কার দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ওই দপ্তরের যাবতীয় কাজ নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা হয়। নদীয়া জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক(ভূমি ও ভূমি সংস্কার) প্রলয় রায়চৌধুরী বলেন, এটা সাধারণ রিভিউ মিটিং। মাঝেমধ্যেই এরকম মিটিং হয়। মিউটেশন, পাট্টা, কনভার্সনের কাজ তাড়াতাড়ি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।‌ যে সমস্ত মিউটেশনের কাজ দীর্ঘদিন ধরে পড়ে আছে, সেই কাজও খুব তাড়াতাড়ি মেটানো হবে। কনভার্সনের কাজ সেরকম কিছু পড়ে নেই। সেইসঙ্গে রেভিনিউ সংগ্রহে জোর দেওয়া হচ্ছে।ভূমিসংস্কার দপ্তরের জমি-সংক্রান্ত কাজে অনিয়মের অভিযোগ নতুন নয়। মাঝেমধ্যেই ব্লক ও মহকুমা ভূমিসংস্কার আধিকারিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। অনেক অভিযোগের কোনও ভিত্তি থাকে না। কিন্ত‌ু কখনও কখনও দেখা যায়, কনভার্সন-মিউটেশনের দুর্নীতিতে খোদ আধিকারিকরা যুক্ত থাকেন। এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অবধি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। এমনকী, তিনি ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তরের অফিসকে ‘ঘুঘুর বাসা’ বলেছিলেন।
প্রশাসন সূত্রে খবর, সম্প্রতি চাকদহ ব্লকে ভূমি সংস্কার আধিকারিকের বিরুদ্ধে অনিয়মের মামলা হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। দেখা গিয়েছে, একটি জমি বিবাদের মামলায় মিউটেশন করানোর জন্য জাল নথি ব্যবহার হয়েছে। এমনকী, বিএলএলআরও স্বীকার করেছেন জালি নথির ভিত্তিতেই আবেদনকারীর নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। সেই ঘটনায় হাইকোর্ট পুলিস সুপারকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।‌ ঘটনায় বিএলএলআরও’র কী ভূমিকা রয়েছে-তাও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এবার ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তরের কাজে স্বচ্ছতা আনার নির্দেশ দিলেন জেলাশাসক।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ