সংবাদদাতা, বেলদা: মাথার উপর ছাদ, নিজস্ব জমি নেই। তাই সরকারের কাছে পাট্টার আবেদন করেছিলেন নারায়ণগড় ব্লকের বহু ভূমিহীন গ্রামবাসী। কিন্তু পাট্টা এখনও মেলেনি। উল্টে তাঁদের বঞ্চিত করে শাসকদলের ঘনিষ্ঠরা সেই জমি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে-এমনই অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। এই মর্মে নারায়ণগড় ব্লকের ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তরে অভিযোগ জমা পড়েছে। বিএলএলআরও এর তদন্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন। এঘটনায় ময়দানে নেমেছে বিজেপি। শাসকদলের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।নারায়ণগড় ব্লকের মকরামপুর পঞ্চায়েতের অভিরামপুরে প্রায় ৩০ ডেসিমেল সরকারি খাসজমি রয়েছে। সেই জমির কিছুটা অংশে একটি সরকারি প্রকল্প আছে। কিছু অংশে কয়েকজন পাট্টা পেয়ে বসবাস করেন। বাকি অংশের বাসিন্দারা পাট্টা পাওয়ার জন্য বেশ কয়েকবছর ধরে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, তাঁদের বঞ্চিত করে শাসকদল ঘনিষ্ঠ কয়েকজনকে পাট্টা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
Advertisement
সোমবার ভূমিহীন গ্রামবাসীরা এবিষয়ে ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা লক্ষ্মী শীট তাঁর অনুগামীদের ওই জায়গা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। যাঁদের নাম সুপারিশ করা হয়েছে, তাঁরা কেউই ওই এলাকার বাসিন্দা নন। সেইসঙ্গে তাঁরা ভূমিহীনও নন।
অভিযোগপত্র পেয়েই সমস্ত প্রক্রিয়া বন্ধ করেন ব্লক ভূমি ও ভূমিসংস্কার আধিকারিক নীহাররঞ্জন মণ্ডল। তিনি বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ততদিন পর্যন্ত সমস্ত প্রক্রিয়া বন্ধ থাকছে।
জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি রমাপ্রসাদ গিরি বলেন, এটাই তৃণমূলের চরিত্র। নিজেদের ঘনিষ্ঠদের সুবিধা পাইয়ে দিতে প্রকৃত ভূমিহীনদের বঞ্চিত করা হয়েছে। তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা লক্ষ্মী শীট অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, এলাকার মানুষ ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরে সরাসরি প্রশাসনের কাছে পাট্টার আবেদন জানিয়েছেন। তাঁরা যদি প্রকৃতপ্রাপক হন, প্রশাসন তদন্ত করে তাঁদের পাট্টা দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। নয়তো সেই আবেদন বাতিল করে দেবে। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ আনা হচ্ছে।
অভিযোগপত্র পেয়েই সমস্ত প্রক্রিয়া বন্ধ করেন ব্লক ভূমি ও ভূমিসংস্কার আধিকারিক নীহাররঞ্জন মণ্ডল। তিনি বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ততদিন পর্যন্ত সমস্ত প্রক্রিয়া বন্ধ থাকছে।
জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি রমাপ্রসাদ গিরি বলেন, এটাই তৃণমূলের চরিত্র। নিজেদের ঘনিষ্ঠদের সুবিধা পাইয়ে দিতে প্রকৃত ভূমিহীনদের বঞ্চিত করা হয়েছে। তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা লক্ষ্মী শীট অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, এলাকার মানুষ ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরে সরাসরি প্রশাসনের কাছে পাট্টার আবেদন জানিয়েছেন। তাঁরা যদি প্রকৃতপ্রাপক হন, প্রশাসন তদন্ত করে তাঁদের পাট্টা দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। নয়তো সেই আবেদন বাতিল করে দেবে। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ আনা হচ্ছে।



