নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ভূমিহীন আবাস উপভোক্তাদের বাড়ি তৈরির টাকার সঙ্গে পাট্টা জমিও দিতে উদ্যোগী হল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। জেলায় এরকম ৩৩৭জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের জন্য জমির সংস্থান করতে অতিরিক্ত জেলাশাসককে(ভূমি) চিঠি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রত্যেক বিডিওকে এনিয়ে ব্লক ভূমি অফিসারদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে জমি সংস্থানের জন্য উদ্যোগী হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভূমিহীন ওইসব আবাস উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে বাড়ি তৈরির প্রথম কিস্তির টাকা ঢোকা শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে প্রশাসন তাঁদের জন্য জমির ব্যবস্থা করতে তৎপর হয়েছে।
Advertisement
জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী বলেন, আমাদের জেলায় প্রায় সাড়ে তিনশো ভূমিহীন আবাস উপভোক্তা চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের পাট্টা দেওয়ার চেষ্টা করছি। ব্লকস্তরে বিডিও এবং ব্লক ভূমি অফিসারদের সমন্বয় রেখে এই কাজ করতে বলা হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মহিষাদল ব্লকে সর্বাধিক ৬৪জন ভূমিহীন আবাস উপভোক্তা চিহ্নিত হয়েছেন। তাঁদের অধিকাংশ নাটশাল গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা। এছাড়াও গড়কমলপুর, ইটামগরা-২ এবং সতীশ সামন্ত পঞ্চায়েত এলাকায় ভূমিহীন বেশকিছু পরিবার আবাস উপভোক্তা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। কোলাঘাট ব্লকে ২০জন আবাস উপভোক্তা ভূমিহীন। তাঁদের মধ্যে কোলা-১ পঞ্চায়েতের অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শিপ্রা দাস, মদন মাণ্ডি, মোহন বাস্কে সহ মোট ১৭জন আছেন। এছাড়া পাঁশকুড়া ব্লকে ৪১জন, পটাশপুর-১ ব্লকে ১৮জন, পটাশপুর-২ ব্লকে ২৭জন, রামনগর-১ ব্লকে ২২জন, রামনগর-২ ব্লকে ২০জন ভূমিহীন আবাস উপভোক্তার খোঁজ মিলেছে। জেলায় কমবেশি সব ব্লকে ভূমিহীন আবাস উপভোক্তা রয়েছেন।
জেলায় প্রাথমিকভাবে ৫৫হাজার ৪৪৬জন আবাস উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। বুধ ও বৃহস্পতিবার অধিকাংশ উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। এই পর্যায়ে মোট ৩৩২কোটি ৬৭লক্ষ ৬০হাজার টাকা দেওয়া হবে। টাকা দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ হলেই উপভোক্তাদের নিয়ে শিবির করবে প্রশাসন। সিন্ডিকেট চক্রের খপ্পরে না পড়ে উপভোক্তারা যাতে নির্বিঘ্নে বাড়ি বানাতে পারেন সেনিয়ে তাঁদের গাইড করা হবে। একইসঙ্গে ভূমিহীন আবাস উপভোক্তাদের জমি দিয়ে বাড়ি তৈরির সবরকম চেষ্টা চলছে।পাট্টার জমি খুঁজতে গিয়ে কিছু সমস্যা উঠে আসছে। ভূমিহীন আবাস উপভোক্তারা যে এলাকায় বসবাস করছেন সেখানে খাসজমি মিলছে না। যেসব জায়গায় জমি পাওয়া যাচ্ছে সেখানে ওইসব উপভোক্তা যাবেন কি না, এখনও স্পষ্ট নয়। তাছাড়া পর্যটনের সুবাদে রামনগর-১ ও ২ব্লকে জমি মহার্ঘ হয়ে উঠেছে। ওই এলাকায় খাসজমি খুঁজে পাওয়া মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ। আবার কোলাঘাট ব্লকে কোলা-১ পঞ্চায়েত আর্থ-সামাজিক দিক থেকে এগিয়ে থাকা এলাকা। এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় খাসজমির সংস্থান করা বড় চ্যালেঞ্জ। রামনগর-১ ব্লকের তালগাছাড়ি-১ পঞ্চায়েতের বড়সোলেমানপুর গ্রামের নিত্যানন্দ দাস, জয়মাধব দাস বলেন, আমরা ভূমিহীন। আবাস যোজনায় বাড়ি করার মতো জমি নেই। প্রশাসন আমাদের ভূমিহীন আবাস উপভোক্তা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। খাসজমি দিলে ভীষণ উপকৃত হব।
জেলায় প্রাথমিকভাবে ৫৫হাজার ৪৪৬জন আবাস উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। বুধ ও বৃহস্পতিবার অধিকাংশ উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। এই পর্যায়ে মোট ৩৩২কোটি ৬৭লক্ষ ৬০হাজার টাকা দেওয়া হবে। টাকা দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ হলেই উপভোক্তাদের নিয়ে শিবির করবে প্রশাসন। সিন্ডিকেট চক্রের খপ্পরে না পড়ে উপভোক্তারা যাতে নির্বিঘ্নে বাড়ি বানাতে পারেন সেনিয়ে তাঁদের গাইড করা হবে। একইসঙ্গে ভূমিহীন আবাস উপভোক্তাদের জমি দিয়ে বাড়ি তৈরির সবরকম চেষ্টা চলছে।পাট্টার জমি খুঁজতে গিয়ে কিছু সমস্যা উঠে আসছে। ভূমিহীন আবাস উপভোক্তারা যে এলাকায় বসবাস করছেন সেখানে খাসজমি মিলছে না। যেসব জায়গায় জমি পাওয়া যাচ্ছে সেখানে ওইসব উপভোক্তা যাবেন কি না, এখনও স্পষ্ট নয়। তাছাড়া পর্যটনের সুবাদে রামনগর-১ ও ২ব্লকে জমি মহার্ঘ হয়ে উঠেছে। ওই এলাকায় খাসজমি খুঁজে পাওয়া মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ। আবার কোলাঘাট ব্লকে কোলা-১ পঞ্চায়েত আর্থ-সামাজিক দিক থেকে এগিয়ে থাকা এলাকা। এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় খাসজমির সংস্থান করা বড় চ্যালেঞ্জ। রামনগর-১ ব্লকের তালগাছাড়ি-১ পঞ্চায়েতের বড়সোলেমানপুর গ্রামের নিত্যানন্দ দাস, জয়মাধব দাস বলেন, আমরা ভূমিহীন। আবাস যোজনায় বাড়ি করার মতো জমি নেই। প্রশাসন আমাদের ভূমিহীন আবাস উপভোক্তা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। খাসজমি দিলে ভীষণ উপকৃত হব।



