নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: মুহুরিদের দৌরাত্ম্যে বাঁকুড়ায় ভূমিদপ্তরের ব্লক, মহকুমাস্তরের অফিসগুলিতে সাধারণ মানুষ নাজেহাল হচ্ছেন। দপ্তরের কর্মী-আধিকারিকদের একাংশের সঙ্গে মুহুরিদের ‘গোপন আঁতাত’ রয়েছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। তারফলে ‘আঠারো’ মাসের পরিবর্তে ভূমি দপ্তরে কার্যত ছত্রিশ মাসে বছর হচ্ছে। অফিসগুলিতে আবেদন করার পর বারবার ঘোরানো হচ্ছে বলে জেলার বাসিন্দারা অভিযোগ তুলেছেন।
Advertisement
সম্প্রতি পানীয় জল প্রকল্পের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া বাঁকুড়ায় আসেন। সার্কিট হাউসে মন্ত্রীর বৈঠকে জল প্রকল্পের কাজ আটকে যাওয়ার পিছনে জমিজটের প্রসঙ্গ ওঠে। ওইসময় বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রী সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা মুহুরিদের দাপাদাপি নিয়ে সরব হন। আধিকারিকদের অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
বাঁকুড়ার সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী বলেন, সরকারকে বদনাম করার জন্য ভূমি দপ্তরের কর্মী-আধিকারিকদের একাংশ সাধারণ মানুষকে হয়রান করছে। দু’-একটি ব্লক থেকে এব্যাপারে আমাকে কয়েকজন জানিয়েছেন। এটা মেনে নেওয়া যাবে না। এব্যাপারে ভুক্তভোগীদের জেলাশাসক অথবা আমার কাছে অভিযোগ জানানোর জন্য বলা হয়েছে।
বাঁকুড়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক(ভূমি ও ভূমি সংস্কার) বিবেক সত্তাত্রেয় ভাসমে বলেন, দপ্তরের অফিসগুলিতে মুহুরি সহ অবাঞ্ছিত লোকজনের যাতায়াত বন্ধের নির্দেশ আগে থেকেই আধিকারিকদের দেওয়া হয়েছিল। আমরা এব্যাপারে নজর রাখছি। সম্প্রতি মুহুরিদের দৌরাত্ম্য সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ আমাদের কাছে জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, বাম আমল থেকেই ভূমিদপ্তরকে কর্মী-আধিকারিকদের একাংশ কার্যত ঘুঘুর বাসা বানিয়ে রেখেছে। বিষয়টি নিয়ে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একাধিকবার উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তারপরেও ওই দপ্তরের কর্মী-আধিকারিকদের মধ্যে কোনও পরিবর্তন হয়নি। বালি, মোরাম সহ অন্যান্য খনিজ পদার্থ পাচারেও ওই দপ্তরের নাম বারবার জড়িয়েছে। তবে ওই বিষয়টির সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি সম্পর্ক তেমন নেই। কিন্তু, জমি-জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে ব্লক, মহকুমা ও জেলাস্তরের ভূমিদপ্তরের অফিসগুলিতে বাসিন্দারা নিত্য যান। সেখানেই মুহুরিদের দাপাদাপি রয়েছে বলে জেলাবাসীর অভিযোগ। জমির চরিত্র বদল থেকে শুরু করে নানা কাজ ‘নজরানা’ না দিলে হয় না। তবে বর্তমানে সিসি ক্যামেরার নজরদারি থাকায় কর্মীরা সরাসরি উপভোক্তাদের কাছ থেকে টাকা নেন না। মুহুরিদের সঙ্গে কর্মীদের যোগসাজশ থাকে। তাদের মাধ্যমেই কর্মীরা বখরা বুঝে নেন। কর্মীদের মাধ্যমে আবার দুর্নীতিপরায়ণ আধিকারিকরা ‘ভেট’ নিয়ে থাকেন। ফলে মুহুরিদের চাহিদা মতো টাকা দিলেই অনায়াসে কাজ হয়ে যায়। তা না হলে নানা ছুতোয় বাসিন্দাদের বারবার ঘোরানো হয়। অনেকে নাজেহাল হয়ে মুহুরিদের দ্বারস্থ হন।
বাঁকুড়া-১ ব্লকের এক বাসিন্দা বলেন, সম্প্রতি আমি ওয়ারিশন সংক্রান্ত একটি বিষয়ে বিএলএলআরও অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে কাজের জন্য মুহুরিরা টাকা চায়। টাকা না দিলে কাজ হবে না বলে জানায়। আমি টাকা না দিয়ে অফিসেই কাগজপত্র জমা দিয়েছি। এই পরিস্থিতিতে কবে কাজ হবে জানি না।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ভূমিদপ্তরে দুর্নীতির বিষয়টি আমরাও জানি। সমস্যা সমাধানে অনেক কাজই সরকারের তরফে বর্তমানে অনলাইনে করা হচ্ছে। ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ কর্মসূচিতে জমা পড়া অভিযোগগুলি ভূমিদপ্তরের আধিকারিকদের চাপ দিয়ে করানো হচ্ছে। তারপরেও কেউ অযথা হয়রানির স্বীকার হলে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।
বাঁকুড়ার সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী বলেন, সরকারকে বদনাম করার জন্য ভূমি দপ্তরের কর্মী-আধিকারিকদের একাংশ সাধারণ মানুষকে হয়রান করছে। দু’-একটি ব্লক থেকে এব্যাপারে আমাকে কয়েকজন জানিয়েছেন। এটা মেনে নেওয়া যাবে না। এব্যাপারে ভুক্তভোগীদের জেলাশাসক অথবা আমার কাছে অভিযোগ জানানোর জন্য বলা হয়েছে।
বাঁকুড়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক(ভূমি ও ভূমি সংস্কার) বিবেক সত্তাত্রেয় ভাসমে বলেন, দপ্তরের অফিসগুলিতে মুহুরি সহ অবাঞ্ছিত লোকজনের যাতায়াত বন্ধের নির্দেশ আগে থেকেই আধিকারিকদের দেওয়া হয়েছিল। আমরা এব্যাপারে নজর রাখছি। সম্প্রতি মুহুরিদের দৌরাত্ম্য সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ আমাদের কাছে জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, বাম আমল থেকেই ভূমিদপ্তরকে কর্মী-আধিকারিকদের একাংশ কার্যত ঘুঘুর বাসা বানিয়ে রেখেছে। বিষয়টি নিয়ে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একাধিকবার উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তারপরেও ওই দপ্তরের কর্মী-আধিকারিকদের মধ্যে কোনও পরিবর্তন হয়নি। বালি, মোরাম সহ অন্যান্য খনিজ পদার্থ পাচারেও ওই দপ্তরের নাম বারবার জড়িয়েছে। তবে ওই বিষয়টির সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি সম্পর্ক তেমন নেই। কিন্তু, জমি-জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে ব্লক, মহকুমা ও জেলাস্তরের ভূমিদপ্তরের অফিসগুলিতে বাসিন্দারা নিত্য যান। সেখানেই মুহুরিদের দাপাদাপি রয়েছে বলে জেলাবাসীর অভিযোগ। জমির চরিত্র বদল থেকে শুরু করে নানা কাজ ‘নজরানা’ না দিলে হয় না। তবে বর্তমানে সিসি ক্যামেরার নজরদারি থাকায় কর্মীরা সরাসরি উপভোক্তাদের কাছ থেকে টাকা নেন না। মুহুরিদের সঙ্গে কর্মীদের যোগসাজশ থাকে। তাদের মাধ্যমেই কর্মীরা বখরা বুঝে নেন। কর্মীদের মাধ্যমে আবার দুর্নীতিপরায়ণ আধিকারিকরা ‘ভেট’ নিয়ে থাকেন। ফলে মুহুরিদের চাহিদা মতো টাকা দিলেই অনায়াসে কাজ হয়ে যায়। তা না হলে নানা ছুতোয় বাসিন্দাদের বারবার ঘোরানো হয়। অনেকে নাজেহাল হয়ে মুহুরিদের দ্বারস্থ হন।
বাঁকুড়া-১ ব্লকের এক বাসিন্দা বলেন, সম্প্রতি আমি ওয়ারিশন সংক্রান্ত একটি বিষয়ে বিএলএলআরও অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে কাজের জন্য মুহুরিরা টাকা চায়। টাকা না দিলে কাজ হবে না বলে জানায়। আমি টাকা না দিয়ে অফিসেই কাগজপত্র জমা দিয়েছি। এই পরিস্থিতিতে কবে কাজ হবে জানি না।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ভূমিদপ্তরে দুর্নীতির বিষয়টি আমরাও জানি। সমস্যা সমাধানে অনেক কাজই সরকারের তরফে বর্তমানে অনলাইনে করা হচ্ছে। ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ কর্মসূচিতে জমা পড়া অভিযোগগুলি ভূমিদপ্তরের আধিকারিকদের চাপ দিয়ে করানো হচ্ছে। তারপরেও কেউ অযথা হয়রানির স্বীকার হলে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।



