সংবাদদাতা, ডোমকল: কেউ মাচায় বসে ব্যস্ত মোবাইলে। কেউ চায়ের দোকানে গল্প গুজবে মত্ত। তবে তাদের অবস্থান যেখানেই হোক, তীক্ষ্ণ নজর কিন্তু রাস্তার ওপরেই। রাস্তায় কোন গাড়ি যাচ্ছে, আসছে সবকিছুই। অন্য গাড়ি হলে ঠিকঠাক, তবে ভূমি দপ্তর কিংবা পুলিসের গাড়ি হলেই মোবাইলে সংকেত চলে যাচ্ছে বাকিদের কাছে। বিপদ বুঝে বাকিরাও তখন স্পট ছেড়ে দিচ্ছে চম্পট। সম্প্রতি ভূমি দপ্তরের তরফে ইসলামপুরে ভৈরবের মাটি কাটা বন্ধের জন্য নড়েচড়ে বসতেই পাল্টা এজেন্ট নিয়োগ করে আধিকারিকদের গতিবিধি ট্রেস করে মাটি লুট করছে মাফিয়ারা। ফলে হানা দিয়েও মাঝেমধ্যেই শূন্য হাতে ফিরতে হচ্ছে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকদের।
Advertisement
প্রসঙ্গত, ইসলামপুরের হুড়শি, লোচনপুর অঞ্চলের ভৈরব পাড়ের এলাকাগুলিতে ব্যাপক পরিমাণে মাটি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। পাড় থেকে জেসিবি ব্যবহার করে খুবলে নেওয়া হয়েছে মাটি। প্রতিদিন একাধিক ট্রাক্টর নদের পাড় থেকে মাটি কেটে নিয়ে ইটভাটায় চলে যাচ্ছে। স্থানীয়রা বাধা দিলেও খুব একটা কাজ হয় না। বরং মেলে হুমকি শাসানি। ভূমি দপ্তরের আধিকারিকরাও রোষের মুখে পড়েছিলেন। তবে মাটি কাটা বন্ধ করতে তাঁরাও কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। একদিকে যেমন অভিযান বেড়েছে, উল্টোদিকে অভিযুক্তদের হাতে নোটিসও ধরানো হয়েছে।
ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের তরফে এই অতি সক্রিয়তার কারণে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছিল মাটি পাচারকারীদের। তবে তারও উপায় বাতলে দিয়েছে তারা। সূত্রের খবর, এলাকায় সরকারি দপ্তরের আধিকারিকদের গতিবিধি জানতে রীতিমতো এজেন্ট নিয়োগ করেছে তারা। ওই সব এজেন্ট মাটি কাটার স্থল থেকে কয়েক কিমি দূরে রাস্তার ধারে নজরদারি রাখছে। এলাকার দিকে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের গাড়ি দেখলেই তাদের খবর দিয়ে দিচ্ছে বাকিদের। ফলে স্পটে গিয়েও মাঝেমধ্যেই খালি হাতে ফিরে আসতে হচ্ছে তাঁদের। শুধু এজেন্ট নিয়োগ নয়, মাটি মাফিয়াদের এখন নতুন চাল সরকারি ছুটির দিন। মূলত সরকারি ছুটির দিন, রবিবার অন্যান্য অফিসের মতোই ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অফিস বন্ধ থাকে। আর এই সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে মাফিয়ারা। ছুটির দিনে সরকারি আধিকারিকদের হানা দেওয়ার শঙ্কা না থাকায় সরকারি ছুটির দিন কিংবা রবিবার এলেই মাটি কাটা বেড়ে যাচ্ছে কয়েকগুণ।
রানিনগর ১ ব্লকের রেভিনিউ অফিসার মলয় মিত্র বলেন, ওদের এজেন্ট রয়েছে। ওই এজেন্টরা বিভিন্ন মাচা, দোকানে বসে আমাদের গতিবিধির ওপরে নজরে রাখছে। আমরা স্পটে যাওয়ার আগেই বাকিদের সেই খবর দিয়ে দিচ্ছে। তবে আমরাও নতুন বুদ্ধি অবলম্বন করেছি। অভিযানে যাওয়ার আগেই আমরাও গাড়ির বোর্ড সরিয়ে রাখছি। যেদিন আমরা রোষের মুখে পড়েছিলাম, ওইদিন আমাদের গাড়ির বোর্ড নামানো ছিল। তাই ওরা টের পায়নি।
রানিনগরের ১ ব্লকের বিএলএলআরও রুমা কুণ্ডু বলেন, বিষয়টি আমরাও কিছুটা লক্ষ্য করেছি। এইরকমও হয়েছে যে, আমার অভিযোগ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে হানা দিয়েছি, কিন্তু আমরা স্পটে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ওরা সেখান থেকে চম্পট দিয়েছে। তবে আমরাও এখন বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছি, খুব গোপনে অত্যন্ত সন্তর্পণের সঙ্গে হানা দিচ্ছি।
ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের তরফে এই অতি সক্রিয়তার কারণে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছিল মাটি পাচারকারীদের। তবে তারও উপায় বাতলে দিয়েছে তারা। সূত্রের খবর, এলাকায় সরকারি দপ্তরের আধিকারিকদের গতিবিধি জানতে রীতিমতো এজেন্ট নিয়োগ করেছে তারা। ওই সব এজেন্ট মাটি কাটার স্থল থেকে কয়েক কিমি দূরে রাস্তার ধারে নজরদারি রাখছে। এলাকার দিকে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের গাড়ি দেখলেই তাদের খবর দিয়ে দিচ্ছে বাকিদের। ফলে স্পটে গিয়েও মাঝেমধ্যেই খালি হাতে ফিরে আসতে হচ্ছে তাঁদের। শুধু এজেন্ট নিয়োগ নয়, মাটি মাফিয়াদের এখন নতুন চাল সরকারি ছুটির দিন। মূলত সরকারি ছুটির দিন, রবিবার অন্যান্য অফিসের মতোই ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অফিস বন্ধ থাকে। আর এই সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে মাফিয়ারা। ছুটির দিনে সরকারি আধিকারিকদের হানা দেওয়ার শঙ্কা না থাকায় সরকারি ছুটির দিন কিংবা রবিবার এলেই মাটি কাটা বেড়ে যাচ্ছে কয়েকগুণ।
রানিনগর ১ ব্লকের রেভিনিউ অফিসার মলয় মিত্র বলেন, ওদের এজেন্ট রয়েছে। ওই এজেন্টরা বিভিন্ন মাচা, দোকানে বসে আমাদের গতিবিধির ওপরে নজরে রাখছে। আমরা স্পটে যাওয়ার আগেই বাকিদের সেই খবর দিয়ে দিচ্ছে। তবে আমরাও নতুন বুদ্ধি অবলম্বন করেছি। অভিযানে যাওয়ার আগেই আমরাও গাড়ির বোর্ড সরিয়ে রাখছি। যেদিন আমরা রোষের মুখে পড়েছিলাম, ওইদিন আমাদের গাড়ির বোর্ড নামানো ছিল। তাই ওরা টের পায়নি।
রানিনগরের ১ ব্লকের বিএলএলআরও রুমা কুণ্ডু বলেন, বিষয়টি আমরাও কিছুটা লক্ষ্য করেছি। এইরকমও হয়েছে যে, আমার অভিযোগ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে হানা দিয়েছি, কিন্তু আমরা স্পটে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ওরা সেখান থেকে চম্পট দিয়েছে। তবে আমরাও এখন বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছি, খুব গোপনে অত্যন্ত সন্তর্পণের সঙ্গে হানা দিচ্ছি।



