অভিষেক পাল, বেলডাঙা: ভালোবাসার মরশুম। স্ত্রীকে এমন উপহার দিতে চাই, যা আর কেউ দিতে পারবে না। মনে মনে পণ করেছিলেন বেলডাঙার প্রাথমিক স্কুলশিক্ষক। যেমন পণ তেমন কাজ। নিজের বাগানে টিউলিপ চাষ করে স্ত্রীকে উপহার দিলেন তিনি। ১৪ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনস ডে! সুদূর কাশ্মীর থেকে ১৪টি টিউলিপের বীজ আনিয়েছিলেন রূপেশ দাস। ইচ্ছে ছিল ১৪টি ফুল দিয়ে স্ত্রীকে ভালোবাসা নিবেদন করবেন। কিন্তু ১১টি ফুল ফুটেছে। তাই মঙ্গলবার ১১ফেব্রুয়ারি স্ত্রীর হাতে সমস্ত ফুল নিবেদন করে ভালোবাসার মরশুম উৎযাপন করছেন তিনি।
Advertisement
বেলডাঙার কাছারিপাড়ায় নিজের বাড়ি সংলগ্ন ছোট বাগানে ফুটিয়ে তুলেছেন বিদেশি এই ফুল। নেদারল্যান্ডের টিউলিপ বাগান বিশ্বখ্যাত। কাশ্মীর উপত্যকায় টিউলিপ বাগান দেখতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকরা সেখানে ভিড় জমান। কিন্তু এবার সেই টিউলিপ ফুল বেলডাঙায় ফুটিয়ে তাক লাগিয়ে দিলেন নপুকুরিয়া নতুনপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রূপেশবাবু। তাঁর টিউলিপ ফুল দেখতে প্রতিবেশী থেকে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকরা ভিড় জমাচ্ছেন।
রূপেশবাবু বলেন, এই প্রথম টিউলিপ ফুল হল। গতবছরই চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু গাছই হয়নি। এবারের ভ্যালেন্টাইন্স ডে উপলক্ষ্যে স্ত্রীকে বিশেষ কিছু দেব বলে মনস্থির করেছিলাম। স্ত্রীর অনেকদিনের ইচ্ছে ছিল টিউলিপ দেখবে। কিন্তু টিউলিপ দেখার জন্য কাশ্মীর যাওয়া ছাড়া তো উপায় নেই। তখনই ভাবলাম বাড়িতেই যদি টিউলিপ বাগান তৈরি করি।
যেমন ভাবনা, তেমন কাজ। তবে শীত প্রধান দেশের ফুল এখানে হবে কিনা তা নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলেন রূপেশবাবু। চাষবাস পড়াশোনা করে বিশেষ কৌশল প্রয়োগ করে টিউলিপ চাষ করবেন বলেই মনস্থির করেন। কাশ্মীর থেকে অনলাইনে অর্ডার করে বীজ আনলেন নিজের বাড়িতে। ৩৫দিন আগে সেই বীজ বাড়ি সংলগ্ন বাগানে রোপণ করেন। তারপর ৩৫দিন সময় লাগল ফুল ফুটতে। তবে মাঝে দু’টি গাছ ইঁদুরে খেয়ে ফেলে। রূপেশবাবু তখন বাকি ১২টি গাছ মাটি থেকে তুলে টবে লাগিয়ে দেন। সেই টবেই ফুটেছে লাল ও হলুদ রঙের টিউলিপ।
রূপেশবাবুর স্ত্রী রাজশ্রী প্রামাণিক বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। রাজশ্রীদেবী বলেন, আমি খুশিতে আত্মহারা। আমি সাধারণত ছবি তুলি না। কিন্তু এক্ষেত্রে ফুল দেখে নিজেকে সামলাতে পারিনি। যেদিন প্রথম ফুল ফোটে আমিই প্রথম দেখতে পাই। তারপর স্বামীকে ডেকে দেখালাম। ও যে এতগুলি টিউলিপ আমাদের বাগানে ফুটিয়ে ফেলবে, আমারও বিশ্বাস হয়নি।
রূপেশবাবু বলেন, বাড়ি সংলগ্ন বাগানে বছর পাঁচেক ধরে গাছপালা লাগাই। দেড় কাঠা জায়গায় আপেলসহ বিভিন্ন গাছ আছে। শিক্ষকতার পাশাপশি গাছ লাগানো আমার শখ। ১৪টির মধ্যে ১১টি টিউলিপ ফুটেছে। এখন গরম পড়ে গিয়েছে। ফুল আর হয়তো সাতদিন থাকবে। আরও আগে ফোটাতে পারলে ১০-১২দিন বেশি ফুল থাকত।
রূপেশবাবু বলেন, এই প্রথম টিউলিপ ফুল হল। গতবছরই চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু গাছই হয়নি। এবারের ভ্যালেন্টাইন্স ডে উপলক্ষ্যে স্ত্রীকে বিশেষ কিছু দেব বলে মনস্থির করেছিলাম। স্ত্রীর অনেকদিনের ইচ্ছে ছিল টিউলিপ দেখবে। কিন্তু টিউলিপ দেখার জন্য কাশ্মীর যাওয়া ছাড়া তো উপায় নেই। তখনই ভাবলাম বাড়িতেই যদি টিউলিপ বাগান তৈরি করি।
যেমন ভাবনা, তেমন কাজ। তবে শীত প্রধান দেশের ফুল এখানে হবে কিনা তা নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলেন রূপেশবাবু। চাষবাস পড়াশোনা করে বিশেষ কৌশল প্রয়োগ করে টিউলিপ চাষ করবেন বলেই মনস্থির করেন। কাশ্মীর থেকে অনলাইনে অর্ডার করে বীজ আনলেন নিজের বাড়িতে। ৩৫দিন আগে সেই বীজ বাড়ি সংলগ্ন বাগানে রোপণ করেন। তারপর ৩৫দিন সময় লাগল ফুল ফুটতে। তবে মাঝে দু’টি গাছ ইঁদুরে খেয়ে ফেলে। রূপেশবাবু তখন বাকি ১২টি গাছ মাটি থেকে তুলে টবে লাগিয়ে দেন। সেই টবেই ফুটেছে লাল ও হলুদ রঙের টিউলিপ।
রূপেশবাবুর স্ত্রী রাজশ্রী প্রামাণিক বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। রাজশ্রীদেবী বলেন, আমি খুশিতে আত্মহারা। আমি সাধারণত ছবি তুলি না। কিন্তু এক্ষেত্রে ফুল দেখে নিজেকে সামলাতে পারিনি। যেদিন প্রথম ফুল ফোটে আমিই প্রথম দেখতে পাই। তারপর স্বামীকে ডেকে দেখালাম। ও যে এতগুলি টিউলিপ আমাদের বাগানে ফুটিয়ে ফেলবে, আমারও বিশ্বাস হয়নি।
রূপেশবাবু বলেন, বাড়ি সংলগ্ন বাগানে বছর পাঁচেক ধরে গাছপালা লাগাই। দেড় কাঠা জায়গায় আপেলসহ বিভিন্ন গাছ আছে। শিক্ষকতার পাশাপশি গাছ লাগানো আমার শখ। ১৪টির মধ্যে ১১টি টিউলিপ ফুটেছে। এখন গরম পড়ে গিয়েছে। ফুল আর হয়তো সাতদিন থাকবে। আরও আগে ফোটাতে পারলে ১০-১২দিন বেশি ফুল থাকত।



