সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়ার বিজয়নগর মালিপাড়া প্রাথমিক স্কুলের দ্বিতল ভবন বেহাল। ছাদের চাঙর খসে পড়ছে। যে কোনও মুহূর্তে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। এই আশঙ্কায় তিনমাস ধরে ওই স্কুলের ক্লাস হচ্ছে বিজয়নগর প্রাথমিক স্কুলে। একই স্কুল ভবনে দু’টি স্কুলের জন্য আলাদা মিড ডে মিল রান্না হচ্ছে।
Advertisement
দাঁইহাট চক্রের অবর স্কুল পরিদর্শক পিনাকি ঘোষ বলেন, ওই স্কুলটির অবস্থা খুবই খারাপ। ভেঙে নতুন করে করতে হবে। আমরা স্কুল সংস্কারের জন্য ডিপিআর করে ব্লক অফিসে পাঠিয়েছি। টাকা এলেই কাজ শুরু হবে।
কাটোয়া-১ ব্লকের বিজয়নগর গ্রামের শেষ প্রান্তে রয়েছে মালিপাড়া প্রাথমিক স্কুল। দ্বিতল ভবনের পুরোটাই বেহাল হয়ে রয়েছে। ওই স্কুলটি ২০০২-০৩ সালে দোতলা করা হয়। বর্তমানে স্কুলে শিশু শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত ৬৩ জন পড়ুয়া ও ৩ জন শিক্ষক রয়েছেন। খুদে পড়ুয়াদের কথা ভেবে শিক্ষকরা আর ঝুঁকি নেননি। তড়িঘড়ি স্কুল পরিদর্শকের অনুমতি নিয়ে স্কুলটি স্থানান্তরিত করেন। বিজয়নগর বাস স্ট্যান্ডেই রয়েছে আরেকটি প্রাথমিক স্কুল। সেখানেই মালিপাড়ার স্কুলটি স্থানান্তরিত করা হয়। অভিভাবকদের একাংশ জানান, গ্রামের শেষ প্রান্ত থেকে ছোট ছোট পড়ুয়াদের যেতে খুবই অসুবিধা হয়। দ্রুত স্কুলটির সংস্কার করলে ভালো হয়। এদিকে মালিপাড়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিহির থান্ডার বলেন, ১৯৮৩ সালে স্কুলটির একতলা ভবন তৈরি হয়েছিল। এখন দোতলা ভবনের পুরোটাই ভগ্নপ্রায়। প্রায় দিনই চাঙর খসে পড়ে। কংক্রিটের ছাদেও ফাটল ধরা পড়েছে। তাই বিপদ এড়াতে ওই স্কুলের মধ্যেই সকালে আমাদের স্কুলটি করাতে হয়। আমরা ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ওই স্কুলে স্থানান্তরিত করেছি। অন্যদিকে বিজয়নগর প্রাথমিক স্কুলেরও ঘরের অভাব রয়েছে। তা সত্ত্বেও মালিপাড়া স্কুলের জন্য দু’টি ঘর ও একটি রান্নাঘর ছাড়তে হয়েছে। স্কুলে বর্তমানে ৫২ জন পড়ুয়া ও ৪ জন শিক্ষক রয়েছেন। প্রধান শিক্ষক রাজকুমার রায় বলেন, আমাদের স্কুলেরও বেশ কয়েকটি ঘর বেহাল হয়ে পড়েছে। ক্লাস করানোর উপযুক্ত নয়। তা সত্ত্বেও মালিপাড়াকে ঘর ছাড়তে হয়েছে। এখন খুব একটা অসুবিধা না হলেও গরমে অসুবিধা হবে। কারণ ওই সময় সব স্কুলই সকালে হবে।
কাটোয়া-১ ব্লকের বিজয়নগর গ্রামের শেষ প্রান্তে রয়েছে মালিপাড়া প্রাথমিক স্কুল। দ্বিতল ভবনের পুরোটাই বেহাল হয়ে রয়েছে। ওই স্কুলটি ২০০২-০৩ সালে দোতলা করা হয়। বর্তমানে স্কুলে শিশু শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত ৬৩ জন পড়ুয়া ও ৩ জন শিক্ষক রয়েছেন। খুদে পড়ুয়াদের কথা ভেবে শিক্ষকরা আর ঝুঁকি নেননি। তড়িঘড়ি স্কুল পরিদর্শকের অনুমতি নিয়ে স্কুলটি স্থানান্তরিত করেন। বিজয়নগর বাস স্ট্যান্ডেই রয়েছে আরেকটি প্রাথমিক স্কুল। সেখানেই মালিপাড়ার স্কুলটি স্থানান্তরিত করা হয়। অভিভাবকদের একাংশ জানান, গ্রামের শেষ প্রান্ত থেকে ছোট ছোট পড়ুয়াদের যেতে খুবই অসুবিধা হয়। দ্রুত স্কুলটির সংস্কার করলে ভালো হয়। এদিকে মালিপাড়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিহির থান্ডার বলেন, ১৯৮৩ সালে স্কুলটির একতলা ভবন তৈরি হয়েছিল। এখন দোতলা ভবনের পুরোটাই ভগ্নপ্রায়। প্রায় দিনই চাঙর খসে পড়ে। কংক্রিটের ছাদেও ফাটল ধরা পড়েছে। তাই বিপদ এড়াতে ওই স্কুলের মধ্যেই সকালে আমাদের স্কুলটি করাতে হয়। আমরা ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ওই স্কুলে স্থানান্তরিত করেছি। অন্যদিকে বিজয়নগর প্রাথমিক স্কুলেরও ঘরের অভাব রয়েছে। তা সত্ত্বেও মালিপাড়া স্কুলের জন্য দু’টি ঘর ও একটি রান্নাঘর ছাড়তে হয়েছে। স্কুলে বর্তমানে ৫২ জন পড়ুয়া ও ৪ জন শিক্ষক রয়েছেন। প্রধান শিক্ষক রাজকুমার রায় বলেন, আমাদের স্কুলেরও বেশ কয়েকটি ঘর বেহাল হয়ে পড়েছে। ক্লাস করানোর উপযুক্ত নয়। তা সত্ত্বেও মালিপাড়াকে ঘর ছাড়তে হয়েছে। এখন খুব একটা অসুবিধা না হলেও গরমে অসুবিধা হবে। কারণ ওই সময় সব স্কুলই সকালে হবে।



