সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: একবছর আগে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের তুলসীহাটা গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে সাত লক্ষ টাকা ব্যয়ে শক্তল এলাকায় তৈরি হয়েছে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প। ব্যাটারিচালিত গাড়ি গ্রামে ঘুরে ঘুরে প্রতিটি বাড়ি থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করে এই প্রকল্পে জমা করার কথা। কিন্তু আর্বজনার গাড়ি যেতে পারছে না। সৌজন্যে খানাখন্দে ভর্তি রাস্তা।
Advertisement
পঞ্চায়েতে একটি মাত্র ব্যাটারিচালিত গাড়ি রয়েছে। এই একটি গাড়ি দিয়ে এলাকার আবর্জনা নিয়মিত পরিষ্কারও হয় না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তবে পঞ্চায়েত প্রধান সুমা খাতুন বলেন, মাঝেমধ্যে ট্রাক্টরে করে আবর্জনা সংগ্রহ করে প্রকল্পে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রকল্পের ঘরটি শক্তল গ্রামের বাইরে দুই কিমি দূরে মাঠে তৈরি হয়েছে। ছয়মাস আগে সেই ঘরের দরজা, জানালা ও লোহার ফ্রেম খুলে নিয়ে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। পরে মেরামতও হয়।
এলাকার বাসিন্দা নাহেদ আলি ও আঞ্জার আলি বলেন, প্রকল্পে যাওয়ার রাস্তাটি একেবারে বেহাল। তবে পঞ্চায়েত থেকে একদিনও গ্রামে গাড়ি আসেনি। গ্রামে যত্রতত্র আবর্জনার স্তুপ হয়ে আছে। প্রকল্পটি তৈরি হওয়ার একবছরের বেশি হয়ে গেল এখনও পর্যন্ত ঠিকঠাক কাজ শুরু হয়নি। শুধু দায়সারা কাজ করছে পঞ্চায়েত। প্রকল্পের মেঝে বসে গিয়েছে। ১৮ টি প্রসেসিং ইউনিট তৈরি করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত একটিতেও আবর্জনা জমা করেনি। খালি রয়েছে।
পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, প্রকল্পে যাওয়ার প্রায় ২ কিমি রাস্তা খানাখন্দে ভর্তি। গাড়ি এই রাস্তা দিয়ে যেতে পারে না। তবে মাঝেমধ্যে ট্রাক্টরে করে আবর্জনা সংগ্রহ করে প্রকল্পে নিয়ে যাওয়া হয়। বিডিও সৌমেন মণ্ডল বলেন, রাস্তার বিষয়টি পঞ্চায়েত থেকে জানানো হয়েছে। ট্রাক্টরে করে আবর্জনা নিয়ে যাওয়া হয়। রাস্তার বিষয়টি জেলায় জানানো হয়েছে।
প্রকল্পের ঘরটি শক্তল গ্রামের বাইরে দুই কিমি দূরে মাঠে তৈরি হয়েছে। ছয়মাস আগে সেই ঘরের দরজা, জানালা ও লোহার ফ্রেম খুলে নিয়ে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। পরে মেরামতও হয়।
এলাকার বাসিন্দা নাহেদ আলি ও আঞ্জার আলি বলেন, প্রকল্পে যাওয়ার রাস্তাটি একেবারে বেহাল। তবে পঞ্চায়েত থেকে একদিনও গ্রামে গাড়ি আসেনি। গ্রামে যত্রতত্র আবর্জনার স্তুপ হয়ে আছে। প্রকল্পটি তৈরি হওয়ার একবছরের বেশি হয়ে গেল এখনও পর্যন্ত ঠিকঠাক কাজ শুরু হয়নি। শুধু দায়সারা কাজ করছে পঞ্চায়েত। প্রকল্পের মেঝে বসে গিয়েছে। ১৮ টি প্রসেসিং ইউনিট তৈরি করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত একটিতেও আবর্জনা জমা করেনি। খালি রয়েছে।
পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, প্রকল্পে যাওয়ার প্রায় ২ কিমি রাস্তা খানাখন্দে ভর্তি। গাড়ি এই রাস্তা দিয়ে যেতে পারে না। তবে মাঝেমধ্যে ট্রাক্টরে করে আবর্জনা সংগ্রহ করে প্রকল্পে নিয়ে যাওয়া হয়। বিডিও সৌমেন মণ্ডল বলেন, রাস্তার বিষয়টি পঞ্চায়েত থেকে জানানো হয়েছে। ট্রাক্টরে করে আবর্জনা নিয়ে যাওয়া হয়। রাস্তার বিষয়টি জেলায় জানানো হয়েছে।



