নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: দীর্ঘদিন ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ডালখোলা থেকে ঘোষপুকুর পর্যন্ত ১১২ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল অবস্থা। যার জন্য নিত্যযাত্রীদের ভোগান্তির পাশাপাশি ভাঙা রাস্তার কারণে রোজই বাস, মিনিবাসের যন্ত্রাংশ খারাপ হচ্ছে। দ্রুত সংস্কারের দাবি জানানোর পাশাপাশি এবার জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে কার্যত হুঁশিয়ারি দিল উত্তর দিনাজপুর বাস, মিনিবাস ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির দাবি, দ্রুত জাতীয় সড়কের ওই অংশ সংস্কার না করলে বেসরকারি বাস পরিষেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হবে।
Advertisement
সংগঠনটির দাবি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, দার্জিলিং জেলার শতাধিক বেসরকারি, সরকারি বাস সহ অন্যান্য যান জাতীয় সড়কের ওই অংশ দিয়ে চলাচল করে। এছাড়াও কলকাতা-শিলিগুড়ি রুটের বাস আছে। সংগঠনের অধীনে থাকা বাসগুলিকে প্রতি ২৪ ঘণ্টার জন্য সড়কে এক হাজার দু’শো টাকা করে টোল ট্যাক্স গুনতে হচ্ছে। তারপরও রাস্তা সংস্কারের ক্ষেত্রে টালবাহানা চলছে। একাধিকবার জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হয়েও কাজ হয়নি। উল্টে ওই রুটে চলাচলকারী বাসগুলির যন্ত্রাংশ সারাতে হাজার হাজার টাকা খরচ হচ্ছে মালিকদের। সংগঠনটির দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উত্তর দিনাজপুর বাস, মিনিবাস ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে থাকা ৩২ টি বাস চলে জাতীয় সড়ক দিয়ে। এছাড়াও দক্ষিণ দিনাজপুরের ২০ টি, মালদহের ৮ টি, ইসলামপুরের ৮ টি ও দার্জিলিংয়ের ২০ টি বাস চলাচল করে ওই রাস্তায়।
অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক প্লাবণ প্রামাণিক বলেন, ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ডালখোলা থেকে ঘোষপুকুর অংশে খারাপ অবস্থার জন্য বাসের রক্ষণাবেক্ষণের খরচ অনেক বেড়ে গিয়েছে। এর জন্য মাঝেমধ্যেই বাসের পাতি ভাঙছে। দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও অনেকাংশে বেড়েছে। কিন্তু জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ আমাদের জানিয়েছিল বর্ষার জন্য রাস্তা সংস্কার করা যাচ্ছে না। তারা নাকি টেন্ডারও করেছে। কিন্তু বর্ষা কেটে গিয়ে শীত পড়লেও রাস্তার কাজ শুরু হয়নি ওই অংশে। এভাবে চলতে থাকলে আমরা বেসরকারি বাস পরিষেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখতে বাধ্য হবো।
অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক প্লাবণ প্রামাণিক বলেন, ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ডালখোলা থেকে ঘোষপুকুর অংশে খারাপ অবস্থার জন্য বাসের রক্ষণাবেক্ষণের খরচ অনেক বেড়ে গিয়েছে। এর জন্য মাঝেমধ্যেই বাসের পাতি ভাঙছে। দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও অনেকাংশে বেড়েছে। কিন্তু জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ আমাদের জানিয়েছিল বর্ষার জন্য রাস্তা সংস্কার করা যাচ্ছে না। তারা নাকি টেন্ডারও করেছে। কিন্তু বর্ষা কেটে গিয়ে শীত পড়লেও রাস্তার কাজ শুরু হয়নি ওই অংশে। এভাবে চলতে থাকলে আমরা বেসরকারি বাস পরিষেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখতে বাধ্য হবো।



