সংবাদদাতা, ডোমকল: চিকিৎসক মাত্র একজন। তিনিও আসেন না নিয়মিত। নেই কোনও পুরুষ স্বাস্থ্যকর্মী। নার্সের সংখ্যা তিনজন হলেও তাঁদের মধ্যে একজন বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। পুরো হাসপাতালে জিডিএ স্টাফের সংখ্যা ‘শূন্য’। তাই রোগী ব্যান্ডেজ থেকে আগাছা পরিষ্কার সবটাই সামলাতে হয় হাসপাতালের সাফাইকর্মীকে। একসময়ের নামকরা ডোমকলের গড়াইমারি সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রের এমন বেহাল অবস্থায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা।
Advertisement
ডোমকলের গড়াইমারির যাদব কৃষ্ণ বিদ্যানিকেতনের ঢিল ছোড়া দূরত্বেই রয়েছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি। গড়াইমারি, ঘোড়ামারা অঞ্চল ছাড়াও আশেপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা করাতে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ভরসা ওই হাসপাতাল। নাহলে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দূরে ডোমকল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ছুটতে হয় রোগীদের। একসময়ে হাসপাতালে অন্তর্বিভাগ চালু থাকলেও বর্তমানে তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে শুধু বহির্বিভাগ চালু রয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র বহির্বিভাগেই প্রতিদিন গড়ে ২০০ জন রোগী দেখাতে আসেন। তাঁদের সামাল দিতে হয় একজন চিকিৎসককেই। তিনিই আবার ওই হাসপাতালের মেডিক্যাল ইনচার্জ। বিভিন্ন কাজের জন্য নিয়মিত আসতে পারেন না। হাসপাতালে তিনজন নার্স থাকলেও তাঁদের মধ্যে একজন আপাতত মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন। দু’জন নার্সের পক্ষে সমস্ত রোগীকে সামাল দেওয়া সম্ভব হয় না। গড়াইমারি সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে কোনও জিডিএ বা জেনারেল ডিউটি আসিস্ট্যান্ট নেই। জিডিএ’র কাজ হল চিকিৎসক ও নার্সের সহকারী হিসেবে চিকিৎসায় সহায়তা করা, ব্যান্ডেজ, ড্রেসিং করতে সহায়তা করা। একজনও জিডিএ না থাকায় হাসপাতালের একজন সাফাইকর্মীকে দিয়েই ওই কাজ করানো হয়। তাঁকেই হাসপাতালের চারপাশ পরিচর্যার পাশপাশি রোগীদের ব্যান্ডেজ, ড্রেসিং করা সহ একাধিক কাজ করতে হয়। কিন্তু, একজন নন মেডিক্যাল স্টাফকে দিয়ে এই ধরনের কাজ করানোর বিষয়টি বেশ উদ্বেগের।
হাসপাতালের সাফাইকর্মী বীরবল হাজরা বলেন, দীর্ঘদিন থেকেই হাসপাতালে এই সমস্যা। এক সময় হাসপাতালে সন্তান প্রসব থেকে সব ধরনের সুবিধা মিলত। কিন্তু, বর্তমানে তা শুধু আউটডোরে এসে ঠেকেছে। হাসপাতালে কোনও পুরুষকর্মী না থাকায় ব্যান্ডেজ বাঁধা থেকে হাসপাতালে আগাছা পরিষ্কার আমাকেই করতেই হয়। সবার মতো আমি চাই হাসপাতালটির উন্নতি হোক। আগের অবস্থায় ফিরে আসুক।
এক নার্স বলেন, বর্তমানে আমরা দু’জন ডিউটি করছি। একজন ছুটিতে রয়েছে। মাঝে মাঝে চিকিৎসক না থাকলে আমাদের রোগীও দেখতে হয়। হাসপাতালে কোনও জিডিএ স্টাফ নেই। সেই কারণে সাফাইকর্মীকেও কাজে লাগানো হয়।
এলাকার এক শিক্ষক বলেন, ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজন মাত্র চিকিৎসক রয়েছেন। একা হাতে সবকিছু সামলাতে তাঁকে হিমশিম খেতে হয়। হাসপাতালে জিডিএ’র জায়গায় একজন সাফাইকর্মীকে দিয়ে কাজ করানোর বিষয়টি ভীষণ উদ্বেগের। আমরা চাই স্বাস্থ্যদপ্তর দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করুক। আশেপাশের প্রচুর মানুষ ওই হাসপাতালের উপরে নির্ভরশীল। সবকিছু মেনে নিয়ে জেলার এক স্বাস্থ্য কর্তা বলেন, পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। খুব শীঘ্রই ওই হাসপাতালে আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়া হবে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র বহির্বিভাগেই প্রতিদিন গড়ে ২০০ জন রোগী দেখাতে আসেন। তাঁদের সামাল দিতে হয় একজন চিকিৎসককেই। তিনিই আবার ওই হাসপাতালের মেডিক্যাল ইনচার্জ। বিভিন্ন কাজের জন্য নিয়মিত আসতে পারেন না। হাসপাতালে তিনজন নার্স থাকলেও তাঁদের মধ্যে একজন আপাতত মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন। দু’জন নার্সের পক্ষে সমস্ত রোগীকে সামাল দেওয়া সম্ভব হয় না। গড়াইমারি সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে কোনও জিডিএ বা জেনারেল ডিউটি আসিস্ট্যান্ট নেই। জিডিএ’র কাজ হল চিকিৎসক ও নার্সের সহকারী হিসেবে চিকিৎসায় সহায়তা করা, ব্যান্ডেজ, ড্রেসিং করতে সহায়তা করা। একজনও জিডিএ না থাকায় হাসপাতালের একজন সাফাইকর্মীকে দিয়েই ওই কাজ করানো হয়। তাঁকেই হাসপাতালের চারপাশ পরিচর্যার পাশপাশি রোগীদের ব্যান্ডেজ, ড্রেসিং করা সহ একাধিক কাজ করতে হয়। কিন্তু, একজন নন মেডিক্যাল স্টাফকে দিয়ে এই ধরনের কাজ করানোর বিষয়টি বেশ উদ্বেগের।
হাসপাতালের সাফাইকর্মী বীরবল হাজরা বলেন, দীর্ঘদিন থেকেই হাসপাতালে এই সমস্যা। এক সময় হাসপাতালে সন্তান প্রসব থেকে সব ধরনের সুবিধা মিলত। কিন্তু, বর্তমানে তা শুধু আউটডোরে এসে ঠেকেছে। হাসপাতালে কোনও পুরুষকর্মী না থাকায় ব্যান্ডেজ বাঁধা থেকে হাসপাতালে আগাছা পরিষ্কার আমাকেই করতেই হয়। সবার মতো আমি চাই হাসপাতালটির উন্নতি হোক। আগের অবস্থায় ফিরে আসুক।
এক নার্স বলেন, বর্তমানে আমরা দু’জন ডিউটি করছি। একজন ছুটিতে রয়েছে। মাঝে মাঝে চিকিৎসক না থাকলে আমাদের রোগীও দেখতে হয়। হাসপাতালে কোনও জিডিএ স্টাফ নেই। সেই কারণে সাফাইকর্মীকেও কাজে লাগানো হয়।
এলাকার এক শিক্ষক বলেন, ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজন মাত্র চিকিৎসক রয়েছেন। একা হাতে সবকিছু সামলাতে তাঁকে হিমশিম খেতে হয়। হাসপাতালে জিডিএ’র জায়গায় একজন সাফাইকর্মীকে দিয়ে কাজ করানোর বিষয়টি ভীষণ উদ্বেগের। আমরা চাই স্বাস্থ্যদপ্তর দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করুক। আশেপাশের প্রচুর মানুষ ওই হাসপাতালের উপরে নির্ভরশীল। সবকিছু মেনে নিয়ে জেলার এক স্বাস্থ্য কর্তা বলেন, পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। খুব শীঘ্রই ওই হাসপাতালে আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়া হবে।



