সংবাদদাতা, লালবাগ: ছেলেমেয়ে দেখে না। ভিক্ষাবৃত্তি করে দিনগুজরান করতেন বছর সত্তরের আসিনুর বেওয়া। ত্রিপলের ছাউনি দেওয়া ঘরে একাই থাকতেন। মৃত্যুর পর সেই ভিক্ষুকের ঘর থেকেই উদ্ধার হল ২ লক্ষ ২৩ হাজার ৪১৪ টাকা! যা দেখে চোখ কপালে উঠেছে স্থানীয়দের। বৃদ্ধার ঘর থেকে ‘গুপ্তধন’ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভগবানগোলাজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেলে বার্ধ্যকজনিত কারণে মারা যান ভগবানগোলার বেলিয়া চকপাড়ার ওই বৃদ্ধা। মৃত্যুর আগে বৃদ্ধা এক প্রতিবেশীকে বলে গিয়েছিলেন, মৃত্যুর পর তাঁর জমানো টাকা যেন মসজিদ, ঈদগাহ ও গোরস্থানে দান করা হয়। রবিবার দুপুরে মৃতদেহ কবরস্থ করার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রামবাসী বৃদ্ধার ঘরে রাখা বাক্স ও কাপড়ের পুঁটুলিতে খুঁজতেই বৃদ্ধার সারা জীবনের সঞ্চিত অর্থ বেরিয়ে আসে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃদ্ধার চার ছেলেমেয়ে। স্বামী বেঁচে থাকতেই ছেলেমেয়েদের বিয়ে হয়। পরে দুই ছেলে তাঁদের পরিবার নিয়ে অন্যত্র বসবাস শুরু করেন। স্বামীর মৃত্যুর পর বৃদ্ধা একাই থাকতেন। ছেলেমেয়েরা দেখাশোনা করত না বলে অভিযোগ। ফলে বেশ কয়েক বছর ধরে ভিক্ষা করেই দিনগুজরান করতেন। তা থেকে প্রাপ্ত অর্থের সামান্যই খরচ করতেন। বেশিরভাগটাই সঞ্চয় করতেন। এভাবেই তিলতিল করে দুই লক্ষাধিক টাকা জমিয়েছিলেন। তবে তাঁর এই ‘গুপ্তধনে’র খবর নিজের ছেলেমেয়ে থেকে প্রতিবেশীরা ঘুণাক্ষরেও জানতে পারেননি।
মায়ের মৃত্যুর খবর শুনে এসেছিলেন মেজো ছেলে আবুল হোসেন, বড় বউমা সাইফুন বেওয়া। আবুল হোসেন বলেন, আমি পরিবার নিয়ে অন্যগ্রামে থাকি। মাকে কোনওভাবে সাহায্য করতে পারতাম না। গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে মায়ের ঘর থেকে জমানো দুই লক্ষাধিক টাকা পাওয়া গিয়েছে। মায়ের ইচ্ছা ছিল জমানো টাকা ধর্মীয় ও সামাজিক কাজে দান করা হবে। তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী ওই টাকা দান করা হবে। গ্রামের মোড়ল সাবিরুল ইসলাম বলেন, আধুলি, এক, দুই, পাঁচ, ১০ টাকার কয়েনের পাশাপাশি দুই, পাঁচ, ১০, ২০ টাকার নোট মিলিয়ে ২ লক্ষ ২৩ হাজার ৪১৪ টাকা পাওয়া গিয়েছে। বৃদ্ধার শেষ ইচ্ছানুযায়ী টাকাগুলি দান করা হবে। ওই বিষয়ে বৃদ্ধার ছেলেমেয়েরা সম্মতি জানিয়েছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি শেফালি বিবি বলেন, বৃদ্ধাকে ছেলেমেয়েরা কেউ দেখত না। ভিক্ষা করে এত টাকা জমিয়েছিলেন ভাবতেই অবাক লাগছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃদ্ধার চার ছেলেমেয়ে। স্বামী বেঁচে থাকতেই ছেলেমেয়েদের বিয়ে হয়। পরে দুই ছেলে তাঁদের পরিবার নিয়ে অন্যত্র বসবাস শুরু করেন। স্বামীর মৃত্যুর পর বৃদ্ধা একাই থাকতেন। ছেলেমেয়েরা দেখাশোনা করত না বলে অভিযোগ। ফলে বেশ কয়েক বছর ধরে ভিক্ষা করেই দিনগুজরান করতেন। তা থেকে প্রাপ্ত অর্থের সামান্যই খরচ করতেন। বেশিরভাগটাই সঞ্চয় করতেন। এভাবেই তিলতিল করে দুই লক্ষাধিক টাকা জমিয়েছিলেন। তবে তাঁর এই ‘গুপ্তধনে’র খবর নিজের ছেলেমেয়ে থেকে প্রতিবেশীরা ঘুণাক্ষরেও জানতে পারেননি।
মায়ের মৃত্যুর খবর শুনে এসেছিলেন মেজো ছেলে আবুল হোসেন, বড় বউমা সাইফুন বেওয়া। আবুল হোসেন বলেন, আমি পরিবার নিয়ে অন্যগ্রামে থাকি। মাকে কোনওভাবে সাহায্য করতে পারতাম না। গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে মায়ের ঘর থেকে জমানো দুই লক্ষাধিক টাকা পাওয়া গিয়েছে। মায়ের ইচ্ছা ছিল জমানো টাকা ধর্মীয় ও সামাজিক কাজে দান করা হবে। তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী ওই টাকা দান করা হবে। গ্রামের মোড়ল সাবিরুল ইসলাম বলেন, আধুলি, এক, দুই, পাঁচ, ১০ টাকার কয়েনের পাশাপাশি দুই, পাঁচ, ১০, ২০ টাকার নোট মিলিয়ে ২ লক্ষ ২৩ হাজার ৪১৪ টাকা পাওয়া গিয়েছে। বৃদ্ধার শেষ ইচ্ছানুযায়ী টাকাগুলি দান করা হবে। ওই বিষয়ে বৃদ্ধার ছেলেমেয়েরা সম্মতি জানিয়েছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি শেফালি বিবি বলেন, বৃদ্ধাকে ছেলেমেয়েরা কেউ দেখত না। ভিক্ষা করে এত টাকা জমিয়েছিলেন ভাবতেই অবাক লাগছে।



