নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: ঘি, তেল, হলুদ, মশলা, সহ একাধিক ভেজাল পণ্যের আঁতুড়ঘর হয়ে উঠেছে শান্তিপুর। ভেজাল ঘি, হলুদের পর এবার ভেজাল সরষের তেলের সন্ধান মিলল।
Advertisement
শান্তিপুর থানা এলাকার গোবিন্দপুরে দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল সরষের তেল তৈরি হচ্ছে বলে খবর পায় পুলিস। এদিন ওই কারখানায় হানা দেয় রানাঘাট পুলিস ও জেলা এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ। এছাড়াও সেই দলে ছিলেন ফুড সেফটি আধিকারিকরাও। যৌথ দলটি বেশকিছু নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যান ওই কারখানা থেকে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপুরের গোবিন্দপুর এলাকায় ওই পাইকারি ভোজ্য তেলের কারখানা ও গোডাউন রয়েছে। ডিইবি খবর পায়, ওই কারখানা থেকে ভেজাল সর্ষের তেলের টিন ও বোতল বিক্রি হচ্ছে। এরপরই যৌথ দল ওই কারখানায় হানা দেয়।
তারপর একাধিক জায়গা থেকে সরষের তেলের নমুনা সংগ্রহ করে যৌথ দলটি। প্রাথমিকভাবে তাঁদের অনুমান, সর্ষের তেলের মধ্যে ভেজাল রয়েছে। নিশ্চিত হতে ওই তেলের নমুনা পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হয়েছে।
যদিও ওই ব্যবসায়ীর দাবি, তিনি সৎভাবেই ব্যবসা করছেন। এবিষয়ে রানাঘাট পুলিস জেলার ডিএসপি ডিইবি লক্ষ্মীনারায়ণ বলেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওখানে হানা দিয়েছিলাম। বেশ কিছু নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসার পরই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপুরের গোবিন্দপুর এলাকায় ওই পাইকারি ভোজ্য তেলের কারখানা ও গোডাউন রয়েছে। ডিইবি খবর পায়, ওই কারখানা থেকে ভেজাল সর্ষের তেলের টিন ও বোতল বিক্রি হচ্ছে। এরপরই যৌথ দল ওই কারখানায় হানা দেয়।
তারপর একাধিক জায়গা থেকে সরষের তেলের নমুনা সংগ্রহ করে যৌথ দলটি। প্রাথমিকভাবে তাঁদের অনুমান, সর্ষের তেলের মধ্যে ভেজাল রয়েছে। নিশ্চিত হতে ওই তেলের নমুনা পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হয়েছে।
যদিও ওই ব্যবসায়ীর দাবি, তিনি সৎভাবেই ব্যবসা করছেন। এবিষয়ে রানাঘাট পুলিস জেলার ডিএসপি ডিইবি লক্ষ্মীনারায়ণ বলেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওখানে হানা দিয়েছিলাম। বেশ কিছু নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসার পরই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



