Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভাইরাল নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ভিড় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিশু বিভাগে বাড়ানো হল ২০টি শয্যা

ভাইরাল নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ভিড় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিশু বিভাগে বাড়ানো হল ২০টি শয্যা
  • ২৩ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: ঋতু পরিবর্তনের সময়ে শিশুদের মধ্যে বাড়ছে নিউমোনিয়া। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে রোগীর ভিড় বাড়ায় উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে মেডিক্যালের পেডিয়াট্রিক বিভাগে আরও ২০টি বেড বাড়ানো হল। আগে ৬০টি বেড ছিল এই বিভাগে। এখন তা বেড়ে হল ৮০। প্রতিদিনই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু শিশুকে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হচ্ছে। একই বেডে দুই-তিনজন শিশুকে রেখে চিকিৎসা করায় সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ছে বলেই মত চিকিৎসকদের। অনেক শিশুকে হাসপাতালের মেঝেতেও রাখতে হচ্ছে। তাতে ঠান্ডা লেগে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। মেডিক্যালের পরিসংখ্যান বলছে, পাঁচ বছরের নীচে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার হার সব থেকে বেশি। সাধারণ হাঁচি-কাশি থেকেই এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। রোগীর চাপে রীতিমতো দিশেহারা চিকিৎসকরা। জঙ্গিপুর, লালবাগ, ডোমকল ও কান্দি মহকুমা থেকে শিশুদের লাইন লেগে আছে মেডিক্যালে। দৈনিক গড়ে প্রায় ১৫০ জনের বেশি শিশুর চিকিৎসা হচ্ছে এখানে। অধিকাংশ শিশুর নিউমোনিয়া ও ফুসফুস ইনফেকশন হওয়ায় অক্সিজেনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। চিকিৎসাধীন শিশুদের মধ্যে অধিকাংশই ভাইরাল নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। জেলাজুড়ে শিশুদের নিয়ে ক্রমশ নিউমোনিয়া আতঙ্ক বাড়ছে। 
Advertisement
মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অমিতকুমার দাঁ বলেন, ঋতু পরিবর্তনের সময়ে শিশুদের ভাইরাল নিউমোনিয়া হচ্ছে। প্রতিদিন বহু রোগী ভর্তি হচ্ছে। আমরা সুস্থ করে তাদের বাড়ি ফেরাচ্ছি। এই পরিস্থিতিতে আরও ২০টি বেড বাড়ানো হল। এখন মোট ৮০ টি বেড হল। 
শিশু বিভাগের এক চিকিৎসক বলেন, প্রতিদিনই রোগীর চাপ বাড়ছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিশুদের এখানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। চিকিৎসা করা ছাড়া আমাদের তো কোনও উপায় নেই। আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময়ে মারাত্মকভাবে ফুসফুসে সংক্রমণ হচ্ছে শিশুদের। বেশ কিছু শিশুকে আমরা খুব ক্রিটিকাল অবস্থায় পাচ্ছি। নিউমোনিয়া হলে শিশুদের স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি অনেকটা বেড়ে যায়। নিউমোনিয়ার প্রধান উপসর্গ হল কাশি এবং রেসপিরেটরি রেট বেড়ে যাওয়া। এই অবস্থায় তাদের অক্সিজেন দিয়ে রাখতে হচ্ছে। পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক। তবে কুড়িটি বেড বাড়ায় চাপ কিছুটা কমবে। 
সম্পর্কিত সংবাদ