সংবাদদাতা, কাঁথি: শ্বশুরবাড়িতে জামাইয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। মৃতের নাম শেখ সাদ্দাম(২৯)। তাঁর বাড়ির লোকজনের অভিযোগ, সাদ্দামের স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে খুন করেছে। সেই ঘটনায় পুলিস মৃতের স্ত্রী সোনেরা বিবি, শ্বশুর জামিরুল মল্লিক, শাশুড়ি মর্জিনা বিবি ও শ্যালক মোহন মল্লিককে গ্রেপ্তার করেছে। ভগবানপুরের পূর্ব রাধাপুর গ্রামে এঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও সাদ্দামের শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের দাবি, ওই ব্যক্তি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। পুলিস জানিয়েছে, প্রকৃত ঘটনা জানতে কবর থেকে সাদ্দামের দেহ তুলে ময়নাতদন্ত করা হবে। রবিবার এই মর্মে কাঁথি মহকুমা আদালত নির্দেশ দিয়েছে। মঙ্গলবার ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কবর থেকে দেহ তুলে ময়নাতদন্তে পাঠানো হবে।
Advertisement
রবিবার ধৃতদের মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বিচারক তদন্তের স্বার্থে সাদ্দামের শ্বশুর জমিরুলের পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৭জানুয়ারি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন সাদ্দাম। শ্বশুরবাড়ি একই গ্রামে। গভীর রাতে তাঁকে রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম অবস্থায় মুগবেড়িয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর সাদ্দামের দেহ কবর দিয়ে দেওয়া হয়। তবে সাদ্দামের বাড়ির লোকজন তাঁর মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ হয়। গত শুক্রবার তাঁরা থানায় অভিযোগ করেন যে, এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। সাদ্দামকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। সাদ্দামের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, জামাইয়ের মৃগী রোগ ছিল। মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়ে ছটফট করার সময় টিনের দরজায় তার মাথায় জোর আঘাত লেগে যায়। তাতেই সে গুরুতর জখম হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৭জানুয়ারি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন সাদ্দাম। শ্বশুরবাড়ি একই গ্রামে। গভীর রাতে তাঁকে রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম অবস্থায় মুগবেড়িয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর সাদ্দামের দেহ কবর দিয়ে দেওয়া হয়। তবে সাদ্দামের বাড়ির লোকজন তাঁর মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ হয়। গত শুক্রবার তাঁরা থানায় অভিযোগ করেন যে, এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। সাদ্দামকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। সাদ্দামের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, জামাইয়ের মৃগী রোগ ছিল। মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়ে ছটফট করার সময় টিনের দরজায় তার মাথায় জোর আঘাত লেগে যায়। তাতেই সে গুরুতর জখম হয়।



