সংবাদদাতা, কাঁথি: ভগবানপুর-১ ব্লকের কোটলাউড়ি মোড় থেকে নিমতলা পাকা ব্রিজ ও ভগবানপুর নতুন রাস্তার মোড় থেকে বচ্ছিপুর ব্রিজ পর্যন্ত এলইডি পথবাতি অকেজো থাকায় এলাকার বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ। বেশ কয়েক বছর আগে সাংসদ তহবিলের টাকায় এগরা-বাজকুল সড়কের পাশে পথবাতিগুলি বসেছিল। তারপর ঝড়বৃষ্টি সহ নানা কারণে বাতিস্তম্ভগুলি অকেজো হয়ে যায়। আর মেরামত করা হয়নি। লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তৈরি বাতিস্তম্ভগুলি সেভাবেই পড়ে রয়েছে। এলাকার বাসিন্দারা অবিলম্বে তা মেরামত করার দাবি জানিয়েছেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর সাতেক আগে কাঁথির তৎকালীন সাংসদ তহবিলের টাকায় পথবাতিগুলি বসেছিল। উদ্বোধনও সাংসদের হাত ধরে হয়েছিল। দু’টি রাস্তা বাদেও শহিদবেদি থেকে কালীমন্দির হয়ে ভগবানপুর হাইস্কুলের ফুটবল মাঠ পর্যন্ত বেশকিছু পথবাতি বসেছিল। আর কিছু পথবাতি বসেছিল রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন এলাকায়। সব মিলিয়ে ৯০টি পথবাতি বসেছিল। প্রথম বছর দু’য়েক আলো জ্বলেছিল। তারপর নানা কারণে একে একে বাতিস্তম্ভগুলি নিভতে শুরু করে। মেরামতির কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ ভগবানপুর ও বেঁউদিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার হাজার হাজার মানুষ এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। ভগবানপুর বাজার ছাড়াও এখানে রয়েছে ভগবানপুর থানা, ভগবানপুর গ্রামীণ হাসপাতাল। রয়েছে ভগবানপুর ও বেঁউদিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস। রয়েছে কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখা, সমবায় ব্যাঙ্কের শাখা, ভগবানপুর পোস্ট অফিস, ভগবানপুর হাইস্কুল সহ একাধিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, মন্দির-মসজিদ, রয়েছে বহু দোকানপাট। এলাকাটিকে ভগবানপুর-১ ব্লকের প্রাণকেন্দ্র বলা হয়। এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পথবাতিগুলি নষ্ট হয়ে পড়ে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বাড়ছে। বর্তমানে বাতিস্তম্ভগুলির তারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। কোথাও খোলা জায়গায় তার ছেঁড়া অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মিটার বক্সগুলিও সেভাবেই পড়ে রয়েছে। শুধু তাই নয়, মাসকয়েক আগে ভগবানপুরের রামমন্দিরে বড়সড় চুরির ঘটনা ঘটে। রাস্তায় আলো না জ্বলায় মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য।
ভগবানপুর-১ ব্লক তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি মদনমোহন পাত্র বলেন, পথবাতিগুলি অকেজো থাকায় এলাকাবাসীর যাতায়াতের ক্ষেত্রে খুবই সমস্যা হচ্ছে। অন্ধকারে ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও ঘটে যায়। অন্ধকার রাস্তায় অনেক সময় দুর্ঘটনাও ঘটে যায়। পথবাতিগুলি অবিলম্বে মেরামতির প্রয়োজন রয়েছে। বিজেপির জনপ্রতিনিধিদের এবিষয়ে কোনও হেলদোল নেই। আমরা এব্যাপারে সভাধিপতি উত্তম বারিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। ভগবানপুরের বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, এলাকার বাসিন্দারা বিষয়টি আমাদের জানিয়েছেন। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। এবিষয়ে বিডিও বিকাশ নস্কর বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত। এনিয়ে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা চলছে। পথবাতিগুলি মেরামতির ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সেটা আমরা দেখব।
ভগবানপুর-১ ব্লক তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি মদনমোহন পাত্র বলেন, পথবাতিগুলি অকেজো থাকায় এলাকাবাসীর যাতায়াতের ক্ষেত্রে খুবই সমস্যা হচ্ছে। অন্ধকারে ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও ঘটে যায়। অন্ধকার রাস্তায় অনেক সময় দুর্ঘটনাও ঘটে যায়। পথবাতিগুলি অবিলম্বে মেরামতির প্রয়োজন রয়েছে। বিজেপির জনপ্রতিনিধিদের এবিষয়ে কোনও হেলদোল নেই। আমরা এব্যাপারে সভাধিপতি উত্তম বারিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। ভগবানপুরের বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, এলাকার বাসিন্দারা বিষয়টি আমাদের জানিয়েছেন। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। এবিষয়ে বিডিও বিকাশ নস্কর বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত। এনিয়ে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা চলছে। পথবাতিগুলি মেরামতির ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সেটা আমরা দেখব।



