সংবাদদাতা, লালবাগ: ভগবানগোলায় জুয়ার আসরে এক যুবককে মারধরের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়। লাঠি দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। খবর পেয়ে বাঁচাতে এলে তাঁর দাদাকেও মারধর করা হয়। আক্রান্ত যুবককে উদ্ধার করে প্রথমে কানাপুকুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরবর্তীতে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। শুক্রবার গভীর রাতে পুরাতন কাশিয়াডাঙার জোড়া টাওয়ার এলাকার ওই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরাতন কাশিয়াডাঙার জোড়া টাওয়ার এলাকায় সন্ধ্যা নামতেই জুয়ার আসর বসে। বিভিন্ন এলাকার মানুষ সেখানে জুয়া খেলতে আসে। শুক্রবার রাতেও জোড়া টাওয়ার এলাকায় রাস্তার উপরেই জুয়ার আসর চলছিল। তখনই ডালিম শেখ নামে ওই যুবককে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ডালিম বলেন, জোড়া টাওয়ারের পাশেই আমাদের পুকুর রয়েছে। ওই পুকুরে মাছ চাষ করা হয়। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ পুকুর দেখভাল করার জন্য যাচ্ছিলাম। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ সাদ্দাম হোসেন এবং তার ভাই ইজাদ হোসেন রাস্তার উপরেই জুয়ার আসর বসিয়েছিল। আমি জুয়ার আসরের কাছাকাছি যেতেই সাদ্দাম, ইজাদ ও তার দলবল আমাকে সিভিক ভলান্টিয়ার মনে করে বেধড়ক মারে। লাঠি দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। আক্রান্ত যুবকের দাদা বাবলু শেখ বলেন, ভাইকে মারার খবর পেয়ে ছুটে গেলে আমাকেও মারধর করা হয়। কোনওপ্রকারে ভাইকে নিয়ে ওখান থেকে পালিয়ে আসি। অভিযুক্তরা শাসক দলের ছত্রছায়ায় থাকায় সাধারণ মানুষ কিছু বলার বা প্রতিবাদের সাহস পায় না। যদিও সাদ্দামের পাল্টা অভিযোগ, বাড়ির পাশেই ডালিম ও তার দাদা জুয়ার আসর বসিয়েছিল। প্রতিবাদ করায় ডালিম ও তার দলবল বাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে। একাধিক জানালা ও দরজা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সিপিএমের ভগবানগোলা এরিয়া কমিটির সম্পাদক কামাল হোসেন বলেন, শাসক দলের নেতাদের মদতেই জুয়ার আসর চলছে। প্রতিবাদ করলেই আক্রান্ত হতে হচ্ছে। ভগবানগোলা-১ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্তকর্মাধ্যক্ষ আহসানুর রহমান বলেন, জুয়ার আসরে বখরা নিয়ে ঝামেলা। তৃণমূলের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। বিরোধীরা রাজনৈতিকভাবে না পেরে ঘুরপথে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে।
সিপিএমের ভগবানগোলা এরিয়া কমিটির সম্পাদক কামাল হোসেন বলেন, শাসক দলের নেতাদের মদতেই জুয়ার আসর চলছে। প্রতিবাদ করলেই আক্রান্ত হতে হচ্ছে। ভগবানগোলা-১ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্তকর্মাধ্যক্ষ আহসানুর রহমান বলেন, জুয়ার আসরে বখরা নিয়ে ঝামেলা। তৃণমূলের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। বিরোধীরা রাজনৈতিকভাবে না পেরে ঘুরপথে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে।



