সংবাদদাতা, লালবাগ: ভগবানগোলা থানার নওদাপাড়ায় মাত্র একমাস আগে নিকাশিনালার কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু এরই মধ্যে নালার উপরের ঢাকনার বেশ কিছু অংশ ভেঙে লোহার খাঁচা বেরিয়ে পড়েছে। ওই উন্মুক্ত লোহার খাঁচা মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন সাইকেল ও বাইক চালক তাতে বাধা পেয়ে জখম হয়েছেন। নিকাশি নালার এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
Advertisement
এলাকার মানুষের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নালাটি তৈরি করা হয়েছে। সেকারণে একমাসেই সেটির ঢাকনা ভাঙতে শুরু করেছে। তাঁরা ফের উন্নতমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে নালাটি তৈরির দাবি তুলেছেন। ভগবানগোলা-১ এর বিডিও নাজির হোসেন বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ওই এলাকায় লোক পাঠানো হয়েছিল। এলাকার মানুষ ঠিকই বলছেন। সত্যিই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ হয়েছিল। ওই ঠিকাদার সংস্থাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। নওদাপাড়ার নিকাশি সমস্যা বহুদিনের। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জল জমে যেত। বর্ষাকালে হাঁটু পর্যন্ত জলকাদায় রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ত। সে সময় এলাকার মানুষকে একরকম ঘরবন্দি থাকতে হতো। তাই এলাকাবাসীর দাবি মেনে পুজোর পরেই নওদাপাড়ায় তিন লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৭০ মিটার নিকাশিনালার কাজ শুরু হয়। সম্প্রতি সেই কাজ শেষ হয়। কিন্তু এলাকাবাসীর অভিযোগ, নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কিছুদিন পর থেকে নালার ঢাকনার সিমেন্ট ও পাথর উঠতে শুরু করে। গত কয়েকদিনে একাধিক জায়গায় সিমেন্ট উঠে লোহার শিক বেরিয়ে পড়েছে।
এলাকার বাসিন্দা মর্জিনা বিবি বলেন, এখানে নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। নালা তৈরির পর ভেবেছিলাম, সমস্যা মিটল। কিন্তু নিম্নমানের জিনিস ব্যবহার করায় সেটি ভাঙতে শুরু করেছে। এলাকার অপর বাসিন্দা মিরাজ শেখ বলেন, নিকাশিনালার ঢাকনা তৈরিতে নামমাত্র সিমেন্ট দেওয়া হয়েছে। ফলে ঢালাই খুলে পড়ছে। এলাকার বাচ্চারা নালায় পড়ে বিপদ ঘটতে পারে।
এলাকার বাসিন্দা মর্জিনা বিবি বলেন, এখানে নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। নালা তৈরির পর ভেবেছিলাম, সমস্যা মিটল। কিন্তু নিম্নমানের জিনিস ব্যবহার করায় সেটি ভাঙতে শুরু করেছে। এলাকার অপর বাসিন্দা মিরাজ শেখ বলেন, নিকাশিনালার ঢাকনা তৈরিতে নামমাত্র সিমেন্ট দেওয়া হয়েছে। ফলে ঢালাই খুলে পড়ছে। এলাকার বাচ্চারা নালায় পড়ে বিপদ ঘটতে পারে।



