সংবাদদাতা, লালবাগ: ভগবানগোলা থানার গোবরা বাইপাস এলাকায় একটি বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দুষ্কৃতীরা তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে কয়েক ভরি সোনার গহনা ও নগদ টাকা নিয়ে চম্পট দেয়। ঘটনাটি জানাজানি হতেই এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বুধবার রাতে ওই পরিবার ভগবানগোলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। ভগবানগোলা থানার এক পুলিস আধিকারিক বলেন, চুরির তদন্ত শুরু হয়েছে। দুষ্কৃতীদের নাগাল পেতেওই এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত কেউ আটক বা গ্রেপ্তার হয়নি।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ষাটোর্ধ্ব মহম্মদ হাবিবুর রহমান ও তার স্ত্রী গোবরা বাইপাস এলাকার ওই বাড়িতে থাকেন। দিন পাঁচেক আগে বৃদ্ধ দম্পতি নদীয়ার হাঁসখালি থানার বগুলায় মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। বাড়ি তালাবন্ধ ছিল। বুধবার রাতে ভগবানগোলার বাড়ি ফিরে এসে দেখেন তিনটি ঘর খোলা। আলমারি ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ঘরের মধ্যে সমস্ত জিনিসপত্র ছড়ানো ছিটানো রয়েছে। আলমারিতে থাকা সোনার গহনা এবং বিছানার নিচে থাকা নগদ টাকা নেই। চুরির ঘটনা জানাজানি হতেই প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন হাবিবুর রহমানের বাড়িতে। ওইরাতেই হাবিবুর রহমান ভগবানগোলা থানায় চুরির বিষয়টি লিখিতভাবে জানান। হাবিবুর রহমান বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে বগুলায় মেয়ের বাড়িতে গিয়েছিলাম। ওখানে দিন পাঁচেক কাটিয়ে বুধবার সন্ধ্যার পর বাড়িতে ফিরে এসে দেখি বাড়ির মূল প্রবেশ দরজার তালা ভাঙা। ভিতরে ঢুকে দেখি তিনটি ঘরের তালা ভাঙা অবস্থায় নিচে পড়ে রয়েছে। দুষ্কৃতীরা আলমারি ভেঙে সোনার গয়নার পাশাপাশি বিছানার নিচে রাখা ৫০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়েছে। হাবিবুর রহমানের স্ত্রী বিলকিস বিবি বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকবার বাড়ি ফাঁকা রেখে মেয়ের বাড়ি ও আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছিলাম। তখন কিছু হয়নি। সেই সাহসেই এবারও গিয়েছিলাম। এরকম ঘটনা হবে জানলে কাউকে রেখে যেতাম। স্থানীয় বাসিন্দা বদর শেখ বলেন, আগে কখনও এলাকায় চুরির ঘটনা হয়নি। ঘটনা শোনার পর খুব আতঙ্কে রয়েছি।



